চাঁদপুর। শুক্রবার ১০ আগস্ট ২০১৮। ২৬ শ্রাবণ ১৪২৫। ২৭ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে আটককৃত বিএনপি'র ১৭ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে প্রেরন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৪। ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে ইউসুফ সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আগমন করেছিলো, অতঃপর তোমরা তার আনীত বিষয়ে সন্দেহই পোষণ করতে। অবশেষে যখন সে মারা গেলো, তখন তোমরা বলতে শুরু করলে, আল্লাহ ইউসুফের পরে আর কাউকে রসূলরূপে পাঠাবেন না। এমনিভাবে আল্লাহ সীমালঙ্গনকারী, সংশয়ী ব্যক্তিকে পথভ্রষ্ট করেন।

৩৫। যারা নিজেদের কাছে আগত কোনো দলিল ছাড়াই আল্লাহর আয়াত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের একজন আল্লাহ ও মুমিনদের কাছে খুবই অসন্তোষজনক। এমনিভাবে আল্লাহ প্রত্যেক অহঙ্কারী-স্বৈরাচারী ব্যক্তির অন্তরে মোহর এঁটে দেন।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


উপন্যাস মানুষকে জীবন সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।

 -রবার্ট হেনরিক।


কাউকে অভিশাপ দেওয়া সত্যপরায়ণ ব্যক্তির উচিত নয়।



 


ফটো গ্যালারি
মাদকমুক্ত সুস্থ জীবন চাই
মোঃ তাইয়্যেব হোসাইন
১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

বিশ্ব আজ মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবলে দিশেহারা। এর প্রভাবে শিক্ষা, সভ্যতা, সংস্কৃতি ও প্রগতির চাকা যেনো থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। মাদকদ্রব্যের নীল দংশনে বর্তমানে যুবসমাজ নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। তাই মানব সভ্যতার চলমান ধারাকে গতিশীল রাখতে হলে এর ভয়াবহ পরিণাম সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারীদের বেশির ভাগই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি অপরাধমূলক কর্মকা-ে লিপ্ত হচ্ছে। এর ফলে আমাদের আর্থসামাজিক তথা সামগ্রিক কর্মকা- ব্যবহত হচ্ছে। কোমলমতি ছাত্ররা আজ কলমের পরিবর্তে হাতে তুলে নিচ্ছে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। ফলে অকালে তারা বিদায় নিচ্ছে এ সুন্দর পৃথিবী থেকে।

মাদকদ্রব্যের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হলো 'আফিম'। আর আফিম থেকেই বিশেষ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় সর্বনাশা হিরোইন নামক মাদক। বাংলাদেশে হিরোইন আজ সব মাদককে ছাড়িয়ে গেছে। বস্তির ঝুঁপড়ি ঘরে নিরাপদে চলছে হিরোইন সেবন ও বিক্রির মহড়া।

দেদারছে এই বিষ গ্রহণ করছে যুবসমাজ। হারিয়ে ফেলছে স্বাভাবিক বোধ-বিশ্বাস। নেশামাত্রই মানুষের স্নায়ুকে দুর্বল করে দেয়। নিঃশ্বেস করে দেয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ক্রমশ ভোঁতা হয়ে আসে মাদকসেবীর মেধা-মনন ও প্রজ্ঞা-চেতনা। এদের খিদে নেই, ঘুম নেই, সময়ের বোধ নেই। এরা অস্বাভাবিক, জীবিত থেকেও মৃত। একটি দেশের আগামী নেতৃত্বকে সমূলে ধ্বংস করার এ এক গভীর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।

এমতাবস্থায় দেশ ও জাতিকে এ দুরারোগ্য মরণব্যাধি নেশার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি প্রচেষ্টায় ব্যাপক জনমত গড়ে তুলতে হবে। পুলিশের এনফোর্সমেন্ট বিভাগের অধীনে একটি স্বতন্ত্র সেল গঠন করতে হবে। মাদক চোরাচালান কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। চোরাকারবারীদের স্বর্গরাজ্য আস্তানাসমূহে সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত হানতে হবে। এজন্যে চাই সকলেরই উদার মানসিকতা, সহযোগিতা সমন্বিত উদ্যোগ এবং সামাজিক সচেতনতা।

আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৮২৭৩
পুরোন সংখ্যা