চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ৮ নভেম্বর ২০১৮। ২৪ কার্তিক ১৪২৫। ২৮ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের মনতলা হাজী বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে ফাহিম মাহমুদ (৩) নিজ বাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। ||  শনিবার সকালে ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৭-সূরা মুহাম্মাদ

৩৮ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী

৩৮। দেখ, তোমরাই তো তাহারা যাহাদিগকে আল্লাহর পথে ব্যয় করিতে বলা হইতেছে অথচ তোমাদের অনেকে কৃপণতা করিতেছে। যাহারা কার্পণ্য করে তাহারা তো কার্পণ্য করে নিজেদেরই প্রতি। আল্লাহ অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্ত। যদি তোমরা বিমুখ হও, তিনি অন্য জাতিকে তোমাদের স্থলবর্তী করিবেন, তাহারা তোমাদের মত হইবে না।


assets/data_files/web

ভীরুরা ভয়ে পিছিয়ে পড়ে, সাহসীরা ভয়কে মাড়িয়ে এগিয়ে যায়।

-বদরুদ্দীন উত্তর।


ডান হাত যা দান করে বাম হাত তা জানতে পারে না-এমন দানই সর্বোৎকৃষ্ট।

 


ফটো গ্যালারি
সময় এলো শীতঘুমের
শাহনেওয়াজ টিটু
০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শীত আসি আসি করলেই তাদের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। কিসের? ঘুমের। তারা মাটির গর্তে বা গাছের খোঁড়লে খাবার জমানো শুরু করে। তারপর যখন শীত এসে পড়ে, তখন তারা মাঝেমধ্যে শীতঘুম থেকে অল্প সময়ের জন্য জেগে ওঠে এবং জমানো খাবার খেয়ে ফের টুক করে ঘুমিয়ে পড়ে।



বলবে, এই কুম্ভকর্ণ কারা গো?



বলছি শোনো, তার আগে তাদের খাবারের কথা আরেকটু বলে নিই। এই ঘুমকাতুরেদের কেউ কেউ আবার খাবার জমানোর ঝামেলা পছন্দ করে না। তাই বলে শীতকালটা উপোস ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেয়? মোটেও নয়। তারা শীত আসার আগ থেকেই বেশি বেশি খেতে শুরু করে। পারলে সারাদিনই খায়! এই এত্তো এত্তো খাবার তাদের শরীরে চর্বি আকারে জমতে থাকে। একেকটা তখন মোটাসোটা হয়ে যায়।



তাদের শরীরে দু'ধরনের চর্বি হয়ে থেকে যায় খাবারগুলো। স্বাভাবিক সাদা আর বিশেষ ধরনের বাদামি রঙের চর্বি। বাদামি রঙের চর্বি তাদের মগজ, হৃৎপি- ও ফুসফুসের কাছে পাতলা প্রলেপের আকারে থাকে। শীত শেষে এই চর্বি শরীরের ওই অঙ্গগুলোতে দ্রুত উষ্ণতা ছড়িয়ে প্রাণীটিকে জেগে উঠতে সাহায্য করে। জেগে ওঠে কী করে তারা? সেই গল্প আরেকদিন। আজ শুধুই ঘুমের গল্প।



তো, শীতঘুমের সময় এসব প্রাণীর শরীরের তাপমাত্রা, শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎপি-ের গতি অস্বাভাবিক রকম কমে যায়। উডচোবা নামে যুক্তরাষ্ট্রে কাঠবেড়ালির মতো এক ধরনের প্রাণী আছে, যারা মাটিতে গভীর গর্ত করে বাস করে। তাদের হৃৎপি-ের স্পন্দন মিনিটে ৮০ থেকে ৪-এ নেমে আসে। আর শরীরের তাপমাত্রা ৯৮ থেকে নেমে আসে ৩৮ ডিগ্রি ফারেনহাইটে। তাপমাত্রা যদি এর চেয়ে বেশি নেমে আসে, তবেই তারা ঘুম থেকে জেগে ওঠে। আবার কিছু কিছু প্রাণী প্রতি সপ্তাহেই জেগে উঠে প্রাকৃতিক কাজ সারে। খাবার পেলে কিছু খায়, না পেলেও মন খারাপ করে না। ফের খালি পেটেই ঘুমিয়ে পড়ে। শরীরে জমানো চর্বি তো আছেই!



তবে শীতে আশ্চর্য ঘুম দেয় ভালুক মিয়ারা। তারা এক ঘুমে শীত পার করে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিজলি অথবা কালো ভালুকের হৃৎপি-ের গতি প্রতি মিনিটে ৪০-৫০ থেকে ৪-১২ তে নেমে আসে। তবে শরীরের তাপমাত্রা তেমন একটা কমে না। আশ্চর্যের বিষয়, ঘুমে থাকায় পুরো শীতকাল ভালুক কিছুই খায় না। পানও করে না। এমনকি প্রাকৃতিক কাজ করার প্রয়োজনও হয় না তাদের! ভালুকের এই শীতঘুম ছয় মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়।



এছাড়া বাদুড়, সাপ, ব্যাঙ, লাফানো ইঁদুর, ছোট বাদামি বাদুড়, চিপমাংক, মাটিতে বাস করা কাঠবেড়ালি এবং কানাডার পাহাড়ি অঞ্চলে বাস করা পাখি পুরো শীতকালটা ঘুমিয়ে কাটায়।



ঘুমকাতুরেরা যে লম্বা ঘুম দেয়, এই ঘুমের একটা নামও দিয়েছেন প্রাণী বিজ্ঞানীরা। হাইবারনেশন। তাদের ভাষায় এইচআইটি বা হাইবারনেশন ইনডিউসমেন্ট ট্রিগারই শীতঘুমের সঞ্চালক। শীতের শুরুতে যখন দিন ছোট হতে থাকে, তাপমাত্রা কমতে শুরু করে, তখন এসব প্রাণীর শরীরে এইচআইটি জেগে ওঠে। ফলে তারা ঘুমিয়ে পড়ে। এটি কেন ও কীভাবে ঘটে, সেটি জানেন না কেউ! তুমি জানো?



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩৫২০৭
পুরোন সংখ্যা