চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০১৯, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১০ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


২৭। যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাহারাই নারীবাচক নাম দিয়া থাকে ফিরিশ্তাদিগকে;


২৮। অথচ এই বিষয়ে উহাদের কোন জ্ঞান নাই, উহারা তো কেবল অনুমানেরই অনুসরণ করে; কিন্তু সত্যের মুকাবিলায় অনুমানের কোনই মূল্য নাই।


 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


দয়া ঈমানের প্রমাণ; যার দয়া নেই তার ঈমান নেই।


 


ফটো গ্যালারি
শিশুর বেড়ে উঠার সময় কিছু বিপদ সংকেত
রাশেদা আতিক রোজী
১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পিতা-মাতা ও যত্নকারীদের প্রয়োজনীয় পরিমাপ-ফলক জানা দরকার, যা জানাবে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে হচ্ছে কি না। ওদের এটাও জানা দরকার যে কখন সাহায্য চাইতে হবে এবং কী করে শারীরিক বা মানসিকভাবে অসমর্থ শিশুর জন্য যত্ন ও ভালোবাসার পরিবেশ তৈরি করা যাবে। সব শিশু একইরকমভাবে বড় হয় ও বিকশিত হয়, কিন্তু প্রতি শিশুর বিকাশের গতি বিভিন্ন হয়। স্পর্শ, শব্দ এবং দৃশ্যে বাচ্চাদের কেমন প্রতিক্রিয়া হয় তা লক্ষ্য করে পিতামাতা বুঝতে পারবেন যে বাচ্চার বিকাশের সমস্যা বা অসামর্থ্য আছে কি না। যদি বিকাশ ধীরে হয়, পিতামাতা ও যত্নকারীরা তার সাথে বেশি সময় দিয়ে, কথা বলে সাহায্য করতে পারেন।



যদি শিশু এইসব মনোযোগ ও উদ্দীপনায় সাড়া না দেয়, পিতা-মাতা বা শিক্ষকের সাহায্য নেওয়া দরকার। অসমর্থ শিশুদের পূর্ণতায় পেঁৗছানোর জন্য তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। পিতামাতা এবং শিক্ষকের, শিশুর সামর্থ্য অনুযায়ী সবচাইতে বেশি বিকাশের জন্য উৎসাহ দেওয়া দরকার।



কোনরকম অসমর্থ ছেলে বা মেয়ের একটু বেশি ভালোবাসা ও সুরক্ষা দরকার। অন্য ছেলেমেয়েদের মত এদেরও জন্মের সময় বা পরেই নথিভুক্ত করতে হয়, বুকের দুধ খাওয়াতে, টীকাকরণ ও পুষ্টিকর খাদ্য দিতে হয় এবং নির্যাতন ও মারধর থেকে বাঁচাতে হয়। অসমর্থ শিশুদের খেলতে এবং অন্য শিশুদের সাথে মেলামেশা করতে উৎসাহ দিতে হয়।



যে শিশুর আবেগজনিত সমস্যা আছে বা অসুখী, সে অস্বাভাবিক ব্যবহার করতে পারে। যেমন হঠাৎ করে প্রতিকূল ভাবাপন্ন হওয়া, দুঃখিত, অলস, দুষ্টামি করা, কান্না, অন্য বাচ্চাদের সাথে ঝগড়া, অন্যদের সাথে না খেলে একা একা বসে থাকা বা হঠাৎ করে স্বাভাবিক কাজকর্মে, স্কুলের কাজ, খিদে ইত্যাদিতে উৎসাহ হারানো।



পিতামাতাকে বোঝাতে হবে শিশুর সাথে কথা বলতে ও শুনতে। তাতেও সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষক ও স্বাস্থ্য কর্মীর পরামর্শ নিতে হবে।



যদি কোন শিশুর মানসিক বা আবেগজনিত সমস্যা থাকে, নির্যাতিত হয়ে থাকে তাকে পরামর্শদান করাতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আরও জটিলতা না হয়।



এই নির্দেশ পিতামাতাকে একটা ধারণা যে দেয় শিশুদের বিকাশ কী করে হয়। সব শিশুর বড় হওয়া এবং বিকাশের মধ্যে তফাৎ থাকে। দেরি করে অগ্রগতি, কম পুষ্টি, খারাপ স্বাস্থ্য বা উদ্দীপনার অভাবের বা অন্য গুরুতর সমস্যার জন্য হতে পারে। পিতা-মাতা মনে করলে বাচ্চার বিকাশ সম্পর্কে শিক্ষক অথবা স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে আলোচনা করতে পারেন। কেননা মায়ের কোল ছাড়ার পর শিশুর কাছে বিদ্যালয় হচ্ছে প্রথম সামাজিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক অন্যতম নিয়ামত। তাই অভিভাবক এবং শিক্ষকদের এই বিপদ সংকেতগুলো জানা অত্যান্ত প্রয়োজন।



শিশুরা তাদের নিকটজনের নকল করে ব্যবহার শেখে। ওরা শেখে কী ধরনের ব্যবহার গ্রহণযোগ্য বা নয়।



বড়দের বা অপেক্ষাকৃত বড় শিশুদের তৈরি উদাহরণ শিশুদের ব্যবহার গঠনে খুব জোরালো প্রভাবশালী হয়। শিশুরা অন্যদের নকল করে শেখে, ওদেরকে কী করতে বলা হচ্ছে, সেটা শুনে নয়। যদি বড়রা চিৎকার করে বা চরম ব্যবহার করে, শিশুরাও ওইরকম ব্যবহার শিখবে। বড়রা যদি অন্যদের সাথে সহায়তা, সম্মান এবং ধৈর্যের সাথে ব্যবহার করে, শিশুরাও অনুসরণ করবে।



শিশুরা ভান করতে ভালোবাসে। এটাতে উৎসাহদান দরকার যেহেতু এটা শিশুর কল্পনাশক্তি বাড়ায়। অন্যরা কেমন ব্যবহার করে বুঝতে ও গ্রহণ করে নিতে সাহায্য করে।



লেখক : ইন্সট্রাক্টর, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, মতলব (দঃ), চাঁদপুর।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৩০৭৮২
পুরোন সংখ্যা