চাঁদপুর, শুক্রবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২ ভাদ্র ১৪২৬, ৬ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৬। উভয় উদ্যানে আছে উচ্ছলিত দুই প্রস্রবণ।


৬৭। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৬৮। সেথায় রহিয়াছে ফলমূল -খর্জুর ও আনার।


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
এক যে ছিলো মশা
তানজিহা আক্তার সামান্তা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ছোট্ট পরি, একা একা নিজের ছোট পড়ার টেবিলটায় বসে আছে। আর সকাল থেকেই কিছু একটা ভাবছে। কিন্তু ভেবে পাচ্ছে না।



পরি : ওহ! আর ভালো লাগছে না। সকাল থেকেই তো ভাবছি। কী যে করি।



পেছন থেকে পরির মা বলে উঠলো, কী ভাবছো, পরি?



পরি : আর বলো না, মশা!



মা : কী? আমি মশা?



পরি : আরে না, তুমি কেন মশা হতে যাবে? আমি ভাবছি মশা নিয়ে। আচ্ছা মা, তুমি আমাকে একটু মশা নিয়ে কোনো গল্প বলতে পারবে? মশা নিয়ে একটা গল্প লিখবো ভাবছি।



মা : মশা ,মশা, মশা...।



পরি : আহা! আমি তোমাকে মশা মশা বলতে বলেছি নাকি?



মা : না, না। আমি মশা নিয়ে একটু ভাবছি।



পরির মা একটুক্ষণ পর বললো, পেয়েছি। শোনো।



মা : এক ছিলো মশা। মকাঁা এত্তোগুলো ডিম দিয়েছিলো। সেই ডিমগুলোর মধ্যে এত্তোবড় একটা ডিম ছিলো। সেই ডিম থেকে এত্তোবড় একটা মশা হলো। মশা তো নয়, যেন এত্তোবড় একটা দৈত্য!



পরি : আহা, তুমি শুধু এত্তোবড় এত্তোবড় করছো কেন?



পরির মা পরির কথাটা শুনতে পেলো না। বললো, আচ্ছা, তুমি বসো; আমি একটু রান্নাঘর থেকে আসছি।



পরি মনে মনে হাফ ছেড়ে বাঁচলো।



পরি মনে মনে বললো, গল্পটা মোটেও বেটার নয়। শুধু এত্তোবড় এত্তোবড় ঘোড়ার ডিম! যাই, বাবার কাছে যাই। বাবা নিশ্চয়ই একটা সুন্দর গল্প বলতে পারবে।



পরি এক দৌড়ে বাবার কাছে চলে গেলো।



পরি : বাবা, তুমি মশা নিয়ে একটা গল্প বলতে পারবে?



বাবা : হ্যাঁ, পারবো।



পরি : বলো না বাবা। প্লিজ প্লিজ...!



বাবা : এক ছিলো মশার দেশ। সেই দেশে ছিলো শান্তি আর শান্তি। মশারা খেতো-দেতো-ঘুমাতো... গো.. ফস.. গো... ফস!



 



পরি একটু পরে খেয়াল করলো, মশাদের ঘুমের কথা বলে বাবাই নিশ্চিন্তে ঘুমের রাজ্যে চলে গেছে। পরি আর কী করবে। বাসায় আর একজনই মানুষ আছে, যে পরির মায়ের ভাই, পরির বাবার শ্যালক আর পরির একমাত্র হাবলা মামা। সে তার মামার কাছে ছুটে গেলো।



পরি : হাবু মামা, কী করো?



মামা : গোসল করছি। হাঃ হাঃ হাঃ...!



পরি : কোথায় গোসল করছো? তুমি তো দেখছি শুয়ে আছো।



মামা : দেখছিস তো জিজ্ঞাসা করছিস কেন?



পরি : সরি, সরি। হয়েছে?



মামা : কী বলবি, বল।



পরি : ও মামা, মশা নিয়ে একটা গল্প বলো না।



মামা : মশা? আচ্ছা শোন। এক ছিলো মশা, তার অনেকগুলো ঠ্যাং, মাথা, কান, গলা, নাক... আর ইয়ে... মানে... মনে পড়ছে না!



পরি কিছু না বলে রাগে গজগজ করতে করতে চলে গেলো।



রাতে পরি পড়া শেষ করে খাটে বসে মশার গল্প নিয়ে চিন্তা করছে। এমন সময় পরির হাতেই একটা মশা বসলো। পরি খপ করে ধরে ফেললো। ধরে বললো, এই মশা ভাইয়া, না আপু। না, না। শুধু মশা। আচ্ছা তুমি তোমাকে নিয়ে একটা গল্প বলো তো।



হঠাৎ করে মকাঁা পরির কানের কাছ দিয়ে ভোঁ-ভোঁ শব্দ করে উড়ে পালালো। পরি মিষ্টি করে হেসে বললো, এটাই তোমার গল্প?



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৬০৯৭৬
পুরোন সংখ্যা