চাঁদপুর, শুক্রবার ৪ অক্টোবর ২০১৯, ১৯ আশ্বিন ১৪২৬, ৪ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮০। ইহা জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।


৮১। তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?


৮২। এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছো!


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

হিংসা একটা দরজা বন্ধ করে অন্য দুটো খোলে।


-স্যামুয়েল পালমার।


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
নারিকেলপুর
কাজী নাহিন
০৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এমন একটি ছোট গ্রামের নাম বলবো যে গ্রামের মানুষগুলো এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ডাব, নারিকেল বিক্রি এবং নারিকেলের মাধ্যমে যে পিঠাপুলি যেমন : নারিকেলের সন্দেস, নাড়ু, খই নারকেল, ভাপা পিঠা, নানা রকম জিনিস তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করে সংসার খরচ, বাচ্চাদের পড়ালেখার খরচ, নানাবিধ দৈনন্দিন চাহিদা মিটায়। ছোট এই গ্রামটিতে নাকিরকেল গাছে ভরপুর বলে গ্রামটির নাম দেয়া হয়েছিলো নারিকেলপুর। এ গ্রামের প্রত্যেকটা মানুষের কম বেশি ৭ থেকে ৮টি করে নারিকেল গাছ ছিলো। এই নারিকেল গাছ ছিলো তাদের একমাত্র উপার্জনের চাবিকাঠি।



এই চাবিকাঠির উপর কে যেনো থাবা বসালো। নারিকেল গাছে ডাব ঠিকই ভরপুরভাবে হতো, কিন্তু গ্রামের বিক্রেতারা ডাব কিংবা নারিকেল বাজারে বিক্রি করতো। তখন ডাবের ভেতর যে পানি কিংবা নারিকেল থাকতো তা নষ্ট পেতো দুই একটা ছাড়া। এতে ক্রেতাসহ বিক্রেতারাও হতবাক হয়ে গেলো। এরকম অনেক দিন চলতে লাগলো এবং তাদের বেচা-কেনা বন্ধ হয়ে গেলো। ফলে গ্রামটির মানুষ অনাহারে জীবনযাপন শুরু করতে লাগলো। তাদের অনেক কষ্ট হতে লাগলো।



একদিন গ্রামের মানুষ সবাই একত্রিত হলো এবং বলাবলি করতে লাগলো এমন কোন্ কালো ছায়া তাদের গ্রামে এসে পড়লো। তখন তারা চিন্তা করতে লাগলো এবং মনে পড়লো পুরানো এক ঘটনা। অনেক বছর আগে গ্রামে একজন গরিব বৃদ্ধা নারী বসবাস করতো। একদিন বৃদ্ধা নারীটি যখন পানি পিপাসায় কাতর ছিলো তখন তিনি পিপাসা মেটানোর জন্যে গ্রামের মানুষের কাছে একটি ডাবের পানি পান করার অনুরোধ করলো। কিন্তু গ্রামের মানুষ টাকার বিনিময় ছাড়া ডাবের পানি বৃদ্ধাকে খেতে দিলো না। যার ফলে বৃদ্ধা নারীটি এক পর্যায় পানি পিপাসায় মারা গেলো। বৃদ্ধাকে ডাবের পানি না দেয়ায় তাদের এ কালো ছায়া গ্রমাটির উপর এসে পড়লো তারা তা বুঝতে পারলো। বৃদ্ধা নারীটির উপর তারা কি অন্যায় করেছে। তখন তারা সবাই অনুতপ্ত হলো এবং বৃদ্ধার কবরের কাছে গিয়ে সবাই ক্ষমা চাইলো। কান্নাকাটি করলো এবং মিলাদ পড়ালো। এর কিছুদিন পর থেকে আশ্চর্জজনকভাবে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসলো। তারা খুব খুশি হলো এবং গ্রামের জনগণ প্রতিজ্ঞা করলো আর কোনোদিন কোনো পিপাসু ব্যক্তিকে পানি না খাইয়ে রাখবে না। পানি খাওয়ানো দোষ, লজ্জা, সম্মান, ব্যয়ের কিছু না বরং সওয়াব হাসিলের কাজ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৬৫৬১
পুরোন সংখ্যা