চাঁদপুর, শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি ২০২০, ১৭ মাঘ ১৪২৬, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কাজী ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী লায়ন কাজী মাহাবুবুল হক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ----রাজেউন) || চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলম মুত্যুবরণ করেছেন। বাদ আসর তালতলা করিম পাটোয়ারী বাড়ির মসজিদ প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৭-সূরা মুর্সালাত


৫০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬। ওযর-আপত্তি রহিতকরণ ও সতর্ক করার জন্য


৭। নিশ্চয়ই তোমাদিগকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা অবশ্যম্ভাবী।


৮। যখন নক্ষত্ররাজির আলো নির্বাপিত হইবে,


 


assets/data_files/web

যে ব্যাপারকে নিয়ন্ত্রণ করবার ক্ষমতা আমার নেই, তা নিয়ে আমি কখনো ভাবি না।


-বুথ টাসিংটন।


 


 


 


আল্লাহর আদেশ সমূহের প্রতি প্রগাঢ় ভক্তি প্রদর্শন এবং যাবতীয় সৃষ্ট জীবের প্রতি সহানুভূতি-ইহাই ইসলাম।


 


ফটো গ্যালারি
শীত আর গুড়ো রোদের গপ্পো
আহমেদ জাকির
৩১ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সরষে ফুলের গন্ধ মেখে ভোরটা কেবল একটুখানি ফুটেছে।



চারপাশ এক্কেবারে চুপ।



এক-দুটো পাখি ডাকছে আর বাতাস বইছে ফুলের গা ঘেঁষে।



শীতের নদীটাও কেমন চুপটি করে শুয়ে আছে। আর তার কালো কেশ বিছিয়ে রেখেছে যতদূর চোখ যায়, তারও দূরে!



মাঠে কেবল চোখে পড়ে হলুদ সরষে ফুল। মৃদু বাতাসে কেমন দুলছে। তার ওপাশে ঘন কুয়াশা জমাট বেঁধে আছে।



আর সবারই তো জানা, শীত এলে সূর্যটা কেমন আলসে হয়। খুশির কথা হচ্ছে, শীত এলে সূর্যটা মিঠে রোদ দেয়।



দাদু বলে, আহা, অমন রোদ আর হয় না কখনও। এক-আধটু গুঁড়ো রোদ গায়ে মাখতে কেমন ভালো লাগে।



রোদের কথা বলতে না বলতে দোয়েল, শালিক, চড়ূই এসে বসলো সামনের ছোট্ট পলাশ গাছটায়।



ভারি সুন্দর দেখাচ্ছে গাছটাকে আজ। এবারই প্রথম ফুল ফুটেছে কি-না!



দেখতে দেখতে লালরঙা আকাশ থেকে হলুদ রোদ ছড়িয়ে পড়লো। মিষ্টি হেসে উঠলো সূর্য।



রোদ পেয়ে খুশি হয়ে উঠলো শিশিরের দল। রোদ গায়ে মেখেই বাড়ি ফিরবে কি-না। আবার তো সন্ধ্যা হলেই নামতে হবে দূরের মাঠে।



পলাশ ডালের ফাঁক গলে এসে নামতে শুরু করলো হলুদ রোদ। সবুজ ঘাসে সে রোদ পড়তেই ডানা ঝাঁপটে এসে বসলো দুটো ঘাসফড়িং। পাশেই কলমি ফুলকে ঘিরে উড়ছে লাল প্রজাপতি।



টুপিন এসব দেখে খুশি হয়ে বলে উঠলো, আহা কী সুন্দর। ঠিক যেন ছবি।



ছবি বললেই কি ছবি? বাধা দিয়ে বললো ঘাসফড়িং।



এমন একটা ছবি অাঁকতে পারো



তুমি!



একটা পাখি ওড়া ছবি।



একটা শিশিরঝরা ছবি।



পারবে অমন একটা জ্যান্ত সূর্য অাঁকতে? কেমন গুঁড়ো গুঁড়ো রোদ ছড়িয়ে দিচ্ছে। কিংবা ওই দূরের বকপাখিটা অাঁকতে পারো। কেমন ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে। কেবল শুধু হিজিবিজি অাঁকো!



সত্যি তো। তেমন তো ভাবিনি। বললো টুপিন।



থাক সেসব কথা। মিষ্টি হেসে বললো ঘাসফড়িং। বরং সুন্দর সকালের শুভেচ্ছা নাও। শুভ সকাল টুপিন- বলে মিষ্টি হাসলো ঘাসফড়িং।



শুভ সকাল ঘাসফড়িং। তোমাদের কাছে এলাম একটু গুঁড়ো রোদ গায়ে মাখতে। আর এই সুন্দর সকালটা দেখতে। বললো টুপিন।



হ্যাঁ, হ্যাঁ এমন শীতের দিনেই তো সবাই আসে গুঁড়ো রোদ গায়ে মাখতে। কেবল-



কেবল কী?



কেবল যাদের খুব বেশি গুঁড়ো রোদের দরকার, তারাই রোদের দেখা পায় না। আদুল গায়ে আদুল পায়ে হাঁটে ঠকঠকিয়ে। ঠুনঠুনিয়ে কাঁপে শীতে। খকখক কাশে আর গুটিসুটি বসে থাকে রেললাইনের ধারে, বাস স্টেশনে আর পথে পথে।



হালকা বাতাস আসে জমাট শীত নিয়ে। আহা, তখন কেমন আরও গুটিয়ে যায় তারা। দেখলে ভারি মায়া হয়।



ঠিক ঠিক। বলল টুপিন।



আমিও একবার তেমন দেখেছিলাম, এক মাকে।



তুমি যেমন বললে, ঠিক তেমনি বাতাস বইছিলো। মা কেমন ঠকঠকিয়ে কাঁপছিলো বাতাসে। বুকে তার ছোট্ট একটা পুঁটলি। কেমন আদর করে জাপটে ধরে আছে। বুঝি সাতরাজ্যের ধন তার বুকে।



আর একটা ছেলে। কেমন কালসিটে পড়ে গেছে হাত-পায়ে। আদুল পায়ে ছুটছে রেললাইন ধরে। বাতাসে কেমন চুল উড়ছে তার। কিন্তু সে এমনভাবে ছুটছে, বুঝি শীতকে থোড়াই কেয়ার করে। ধুলোমাখা মুখটায় কেমন উজ্জ্বল হাসি। দেখলে কেমন মন ভরে যায়।



হ্যাঁ, ঠিক ঠিক। তাদের কথাই বলছিলাম। শীত এলে ওরা শীতের জামা পায় কি-না। একটু রোদের গুঁড়োর জন্য বসে থাকে রেললাইনের ধারে, বড় রাস্তার মোড়ে, এখানে-সেখানে। আর তোমার মতো লক্ষ্মী কাউকে দেখলে কী ভাবে জান?



কী ভাবে? জিজ্ঞেস করে টুপিন।



ভাবে, বুঝি ভালোবাসা নিয়ে কেউ এলো। কুয়াশাটাকে সরিয়ে দিতে। শীতটাকে তাড়িয়ে দিতে। একটু উষ্ণ ভালোবাসা নিয়ে কেউ এলো। পাশ থেকে প্রজাপতি বললো, ঠিক ঠিক।



ঘাসফড়িংয়ের কথা শেষ হতেই ছুটলো টুপিন।



কোথায় যাও? ডাকলো ঘাসফড়িং।



বাবাকে খবরটা দিতে। আর ইশকুলের বন্ধুদের বলতে। তুমিও সূয্যিমামাকে বলে দিয়ো। যেনো বেশি বেশি গুঁড়ো রোদ পায় ওরা। আর সবার অনেক অনেক ভালোবাসা। কুয়াশাটা সরিয়ে, শীতটাকে তাড়িয়ে যেন ঝলমলে হাসি ফুটে তাদের মুখে।



শুনে খুশি হলো ঘাসফড়িং।



খুশিতে লাফিয়ে উঠল চড়ুইপাখি।



আনন্দে হাততালি দিলো শালিক পাখিটা।



দোয়েল পাখিটা আনন্দে ডানা ঝাঁপটে বললো, ঠিক ঠিক। ওদের অনেক অনেক ভালোবাসা দিক সবাই। আর তুমি? তুমিও!



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১০৫৩৮১
পুরোন সংখ্যা