চাঁদপুর, শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি ২০২০, ১৭ মাঘ ১৪২৬, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮। অতএব তোমরা আল্লাহ, তাঁহার রাসূল ও যে জ্যোতি আমি অবতীর্ণ করিয়াছি তাহাতে বিশ্বাস স্থাপন কর। তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।


 


assets/data_files/web

গণমানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য কবিতা অস্ত্রস্বরূপ।


-কাজী নজরুল ইসলাম।


 


 


প্রত্যেক কওমের জন্য একটি পরীক্ষা আছে এবং আমার উম্মতদের পরীক্ষা তাদের ধন-দৌলত।


 


ফটো গ্যালারি
রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া কুকুরছানা
মৃত্তিকা সমাদৃতা
৩১ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


একটি কুকুর ছানা দৌড়ে এসে উঠল রোহিতের কোলে। এমনভাবে দৌড়ে এলো যেন রোহিতই তার আসল মালিক।



কুকুর ছানাটিকে সে পেয়েছিল রাস্তায়, একটি বাঙ্রে মধ্যে। তাকে দেখতে পেয়ে কুকুরছানাটি লাফিয়ে তার কাছে চলে আসে। আস্তে আস্তে তার সঙ্গে ভাব হয়। একসময় রোহিতই হয় তার আসল মালিক।



এরপর থেকে কুকুরছানাটি রোহিতের এত ভালো বন্ধু হলো যে শুধু খেলার সময়ই কেন, ঘুমানোর সময়ও কুকুরছানাটি তার সঙ্গী। এটা সত্যি কোনো ঘটনা নয়। রোহিত স্বপ্নে দেখেছে এ ঘটনা।



রোহিতরা দুই ভাইবোন। রোহিতের ছোটবোনের নাম রিমা। বয়স চার বছর। রিমা খুবই দুষ্টু। সে কথায় কথায় ছড়া কাটে। তাদের বাসার পাশে ছোট্ট একটা ঝোপ। সেখানে বাসা বেঁধেছে টুনটুনি। তাদের হুলো বেড়ালটির খুব হিংসে। বেজায় লোভ। সে সুযোগ পেলেই টুনটুনির বাসার দিকে তাকিয়ে থাকে।



একদিন রোহিত বসে ছিল, রিমা তাকে একটা ছড়া শোনাল। সেটি হলো :



'আয়রে টুনি আয়



আমার কাছে আয়,



তোকে খাবো গবগবিয়ে



তোর ছানা খাবো কপকপিয়ে।'



শুনে রোহিত হেসেই শেষ। বলল, ভালোই ছড়া বানাতে পারিস তো।



রিমা ও রোহিত আজ মা-বাবার সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছে। তাদের খালামনির বাড়িতে। তাদের খালাতো ভাই নাসিফ। সেও দুষ্টু কম নয়। যেদিন রিমা-রোহিত আসে, সেদিন নাসিফ হইচই করে বাড়ি মাথায় তোলে।



দুপুরে খাবার খেয়ে রিমা-রোহিত বের হয়েছে বাড়ি থেকে। আজ রাস্তায় যানজট নেই। তাই পৌঁছতে দেরি হলো না। নাসিফ তো রিমা-রোহিতকে দেখে অবাক। তেমনি রিমা-রোহিতও অবাক। কারণ, নাসিফদের বাড়িতে এখন একটি কুকুর আছে, যা আগে ছিল না।



রিমা-রোহিতের বাবা জিজ্ঞেস করলেন, ব্যাপার কী, কী নাম ওর? নাসিফ বলল, ওর নাম 'ডন'। ও আমার বন্ধু। রিমা-রোহিত-নাসিফের খেলতে খেলতে কখন যে সময় কেটে গেল, তারা বুঝতেই পারল না।



এবার যাবার পালা। রিমা-রোহিত ভাবল হেঁটে যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ। মা-বাবাকে নিয়ে ওরা সবাই হেঁটে রওনা হলো। হাঁটতে হাঁটতে প্রায় বাসার কাছে চলে এসেছে।



এমন সময় ওরা রাস্তায় একটি বাঙ্ দেখতে পেলো। যার মধ্যে আছে একটি মিষ্টি কুকুরছানা। ঠিক রোহিতের স্বপ্নের কুকুরছানাটির মতো। রোহিত বলল, মা, আমরা এই কুকুরটি নেই? তাদের মা বলল, না, ওকে কে পালবে? রিমা বলল, আমি পালবো মা। প্লিজ, ওকে নাও না মা।



ওদের অনুরোধ ফেলতে পারলেন না মা। বললেন, ঠিক আছে। কিন্তু ঠিকমতো যত্ন নিতে হবে। এ কথা শুনে রোহিত ভাবলো, তার স্বপ্নটা বোধ হয় সত্যি হয়ে গেলো।



 



মৃত্তিকা সমাদৃতা; বয়স ১০ বছর, চতুর্থ শ্রেণি, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫২৭৮৩
পুরোন সংখ্যা