চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০১৭। ৭ চৈত্র ১৪২৩। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৫। ‘তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীকে ছাড়িয়ে পুরুষে উপগত হইবে? তোমরা তো এক অজ্ঞ সম্প্রদায়।’ 


৫৬। উত্তরে তাহার সম্প্রদায় শুধু বলিল, ‘লূত-পরিবারকে তোমাদের জনপদ হইতে বহিস্কৃত কর, ইহারা তো এমন লোক যাহারা পবিত্র সাজিতে চাহে।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কলমকে হৃদয়ের জিহ্বা বলা যায়।     -কারভেনটেস।

যে মুসলমান অবৈধ (হারাম) বস্তু হইতে দূরে থাকে ও ভিক্ষাবৃত্তি হইতে দূরে থাকে, যাহার শুধু একটি পরিবার (স্ত্রী), খোদাতায়ালা তাহাকেই ভালোবাসেন।   


নাসিরকোটে বিশ্ববিদ্যালয় করার স্বপ্ন!
২১ মার্চ, ২০১৭ ২০:৩৮:৫৪
প্রিন্টঅ-অ+
স্বপ্ন দেখতে পয়সা লাগে না এবং খাজনা বা কর দিতে হয় না। সেজন্যে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কিংবা জেগে জেগে স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে অনেকে থাকেন এগিয়ে। এমন স্বপ্নকে কেউ কেউ পরিণত করেন সম্ভাবনায় এবং বাস্তবতায়। এই কারণে স্বপ্ন দেখতেই হয় এবং স্বপ্নবিলাসী হতে হয়। যারা স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন, তারা অবশ্যই সর্বদা থাকেন উজ্জীবিত এবং আশাবাদী। স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করার জন্যে কাজ করতে হয় নিরন্তর। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাকে মনোবল কিংবা কৌশলে এড়াতে হয় এবং কেবলই সামনে এগিয়ে যেতে হয়। তবে খেয়াল রাখতে হয়, ‘আকাশ-স্বপ্ন চিরকাল আকাশেই থাকে, মাটিতে নেমে আসে না কখনো।’ সেজন্যে স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে পরিমিতিবোধ থাকা বাঞ্ছনীয়। 

অবশ্যই স্বপ্ন সম্পর্কে প্রাগুক্ত কথামালা জেনেই চাঁদপুরের কৃতী সন্তান, বর্তমান সরকারের অত্যন্ত প্রভাবশালী সচিব মোঃ শাহ্ কামাল গত শনিবার তাঁর নিজ এলাকার একটি ক্রীড়ানুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেছেন, “আমার স্বপ্ন হচ্ছে নাসিরকোট গ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। সেজন্যে এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে।” যে কোনো ব্যক্তি প্রথমত তাঁর এই বক্তব্যকে আকাশ-স্বপ্ন হিসেবে ভাবতে পারেন। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই লক্ষ্য করা যায়, তিনি তাঁর স্বপ্ন দেখাটাকে শর্ত সাপেক্ষ করেছেন। সেই শর্তটি হচ্ছে এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার মান বাড়ানোর শর্ত। বস্তুত এই শর্ত পূরণ করলেই তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত নাসিরকোটে বিশ্ববিদ্যালয় করার স্বপ্নটি বাস্তবায়নে জোরালো ভূমিকা রাখবেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন একটি সাব-সেক্টর ক্যাম্প ছিলো নাসিরকোট উচ্চ বিদ্যালয়। ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক গুরুত্বের দিক দিয়েও নাসিরকোট চাঁদপুর জেলায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ ৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা চিরশায়িত আছেন এখানে। এঁদের সম্মানে এখানে ১৯৮১ সালে নির্মিত হয় ‘নাসিরকোট স্মৃতিসৌধ’। এই শহীদদের স্মরণে এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নাসিরকোট 

 

শহীদ স্মৃতি কলেজ। এসব কারণে নাসিরকোটের রয়েছে অনেক খ্যাতি, সমৃদ্ধি ও বহুল পরিচিতি। এমন প্রেক্ষাপটে নাসিরকোটে বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে যদি শিক্ষার মান বাড়াতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা প্রদর্শন করেন, তাহলে তাদের এলাকার গর্বের ধন সরকারের সচিব মোঃ শাহ্ কামাল তাঁর দেখা স্বপ্ন অর্থাৎ নাসিরকোটে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ অবশ্যই বাস্তবে পরিণত করার উদ্যোগ নেবেন। এমনও হতে পারে, একদিন তাঁর উদ্যোগে নাসিরকোট হয়ে যাবে উপজেলা। এখানে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় কেনো, তখন অনেক কিছুই হবে। তবে সম্মানীয় সচিব মোঃ শাহ্ কামালের সাথে সাথে এলাকাবাসীকেও স্বপ্ন দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্নের সমান্তরালে চলে নাসিরকোটে বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো অনেক কিছু করার কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে বলে সুধীজন মনে করেন।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৫৬২
পুরোন সংখ্যা