চাঁদপুর। শুক্রবার ২১ এপ্রিল ২০১৭। ৮ বৈশাখ ১৪২৪। ২৩ রজব ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ***
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৯২। আমি আরও আদিষ্ট হইয়াছি, কুরআন তিলাওয়াত করিতে; অতএব যে ব্যক্তি সৎপথ অনুসরণ করে, সে সৎপথ অনুসুরণ করে নিজেরই কল্যাণের জন্যে। আর কেহ ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করিলে তুমি বলিও, ‘আমি তো কেবল সতর্ককারীদের মধ্যে একজন।   


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

একজন ভালো প্রশাসকই একজন ভালো রাজা হতে পারে।                      -মিচেল জিন। 


ধন দৌলত ফিরিয়া আসে এবং একটি শুধু কর্মই সঙ্গে থাকে।  


ফটো গ্যালারি
জঙ্গি প্রতিরোধে শৈথিল্য
২১ এপ্রিল, ২০১৭ ২০:১৬:২০
প্রিন্টঅ-অ+
সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহসহ আরো কিছু স্থানে জঙ্গি আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়ার সাম্প্রতিক ঘটনায় দেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নড়ে চড়ে বসে এবং বহুবিধ তৎপরতায় নাগরিক জীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। চাঁদপুরের পুলিশ সুপার তো সরাসরি ছুটে যান চাঁদপুর পৌরসভার কার্যালয়ে এবং পৌর পরিষদের সাথে করেন তাৎক্ষণিক বৈঠক। আর বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণও বৈঠক করেন পৌর পরিষদের সাথে। সে মতে পৌরসভার পক্ষ থেকে নাগরিকদের জঙ্গি বিষয়ে সচেতন করতে মাইকিংসহ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। পুলিশ সুপার মহোদয় চাঁদপুর মডেল থানার হলরুমে শহরের বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া, কমিউনিটি পুলিশিং কর্মকর্তাসহ সুধীজনদের সাথে বৈঠক করেন এবং বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য এক সপ্তাহের মধ্যে থানায় জমা দেয়া, অন্যথায় ৮ম দিন থেকে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন। কিন্তু সেই ৮ম দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো অভিযান পরিচালিত না হওয়ায় জনমনে জঙ্গি প্রতিরোধে পুলিশের শৈথিল্য নিয়ে কম-বেশি গুঞ্জন উঠেছে।

গত বছর রমজানে গুলশানের হলি আর্টিজেন রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনার পর বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে পৌরসভা, পুলিশ প্রশাসন ও কমিউনিটি পুলিশিং নেতৃবৃন্দের সমন্বিত উদ্যোগে ব্যাপক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। মডেল থানার ভেতরাঙ্গন ভরে যায় জমাকৃত তথ্য ফরমের স্তূপে। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে আইটিতে নিবেদিতপ্রাণ এক দল শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী যুবক এগিয়ে আসে কম্পিউটারে ডাটাবেজ তৈরির কাজে। পুলিশ প্রশাসনও আগ্রহ দেখায়। কিন্তু জঙ্গি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে ওই ডাটাবেজ তৈরির কাজ অঙ্কুরেই থেমে যায়। জঙ্গিবাদ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রমেও ভাটা পড়ে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, চাঁদপুর জেলাসহ সারাদেশ একেবারে জঙ্গিমুক্ত হয়ে গেছে। 

বলা দরকার, ইসলামের অপব্যাখ্যা করে বেহশত (!) প্রাপ্তির লোভে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নারী জঙ্গিদের তৎপরতা মোটেও শুভ লক্ষণ নয়। ঢাকা, সীতাকু-, সিলেট, 

 

মৌলভীবাজার, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে জঙ্গি ঘাঁটি উচ্ছেদে শুধু নারীদের নয়, শিশুদেরকে জঙ্গিবাদী তৎপরতায় ব্যবহারের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। দেশের অন্যত্র কোথাও গোপনে যে এমন জঙ্গিবাদী তৎপরতা একেবারে আর নেই, সে কথা পুলিশ নিশ্চিত হয়ে ঘোষণা দেয়নি। তাহলে আবারো জঙ্গি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে চাঁদপুরসহ দেশের অধিকাংশ স্থানে শৈথিল্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে কেন-এমন প্রশ্ন সচেতন ব্যক্তিমাত্রেরই। তাদের কেউ কেউ উদ্বেগের সাথে প্রশ্ন ছুড়েছেন এরূপ-তাহলে কি জঙ্গিদের বড় ধরনের বোমা হামলা এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্যে অপেক্ষা চলছে, না রয়েছে অন্য কারণ? আশা করি এমন প্রশ্নে পুলিশ প্রশাসনে সক্রিয়তা সৃষ্টি হবে এবং বিদ্যমান শৈথিল্য দূর হবে।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৬৮২
পুরোন সংখ্যা