চাঁদপুর। সোমবার ১৯ জুন ২০১৭। ৫ আষাঢ় জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ২৩ রমজান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬০। তোমাদিগকে যাহা কিছু দেওয়া হইয়াছে তাহা তো পার্থিব জীবনের ভোগ ও শোভা এবং যাহা আল্লাহর নিকট আছে তাহা উত্তম ও স্থায়ী। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


অন্ধভাবে কাউকে ভালোবেসো না তার ফল শুভ হবে না।


                -কারলাইন।

যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ নয়। 


মগের মুল্লুক ভাবার পরিণতি
১৯ জুন, ২০১৭ ২০:০৪:৪৯
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর প্রেসক্লাবের পেছনে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, জেলা পরিষদ ডাকবাংলোর দক্ষিণ দিকে এবং জেলা প্রশাসকের বাংলোর কয়েকশ’ গজ দূরে ডাকাতিয়া নদীর উত্তর তীরে খোলা মাঠে গত শুক্রবার দিনে দুপুরে ভ্যাকু মেশিন দিয়ে বিনা অনুমতিতে মাটি খনন চলছিলো। খবর পেয়ে স্বয়ং জেলা প্রশাসক সেখানে যান এবং এই খনন কাজ করার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য অনুমতিদানকারী সংস্থার সাথে কথা বলেন। কিন্তু কেউ অনুমতি দেয়ার কথা স্বীকার করে নি। পরবর্তীতে সদর ইউএনও ঘটনাস্থলে যান এবং ২ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দু মাসের সাজা প্রদানের ব্যবস্থা করেন।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের পেছনে ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন বিশাল মাঠে প্রতি বছর বাংলা বর্ষবরণে জেলার প্রধান অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। সেই মাঠে বিনা অনুমতিতে ভ্যাকু মেশিন দিয়ে মাটি খনন করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেদেরকে মগের মুল্লুকের ক্ষমতাধরের মতোই কার্যত ভেবেছেন। এমন ভাবার পরিণতিতে তারা দু মাসের সাজাও পেয়েছেন। এর ফলে অন্য কেউ বিনা অনমুতিতে এভাবে মাটি খননসহ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে বিরত থাকবে বলে মনে করছি। 

চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে ধনাঢ্য প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি নির্মাণ সামগ্রী রেখে দিনের পর দিন স্বাভাবিক যান ও জনচলাচলে বাধা সৃষ্টি করে আসছেন এবং প্রকাশ্যে-গোপনে বিনা অনুমতিতে ছোট-বড় খনন, চলমান ড্রেন বন্ধ করে দেয়াসহ অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে চলছেন। এদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা মৌখিক অভিযোগ করলেও লিখিত অভিযোগ করতে চায় না, এমনকি জনপ্রতিনিধিরাও নীরব ভূমিকা পালন করেন। এর ফলে এ সকল ধনাঢ্য প্রভাবশালী নিজেদেরকে মগের মুল্লুকের ক্ষমতাধর ভাবেন। এমতাবস্থায় জনস্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এদেরকে প্রথমে সতর্কতামূলক কোনো পত্র প্রদান এবং এ পত্রের নির্দেশনা অমান্যের প্রেক্ষিতে আইনী ব্যবস্থা নেয়া যায় কিনা তা ভেবে দেখতে সচেতন শহরবাসী প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

সত্যি কথা বলতে কি, প্রশাসনের নাগালের বাইরে সরকারি জমিতে মাটি খনন, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করাটা এক শ্রেণীর ভূমিদস্যুর স্বাভাবিক প্রবণতা। কিন্তু প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব করাটা চরম ঔদ্ধত্য প্রদর্শনের সামিল। সেজন্যে প্রেসক্লাবের পেছনে গত শুক্রবার সংঘটিত ঘটনায় 

 

প্রশাসনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া সঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। প্রশাসন যদি চাঁদপুর শহরবাসীর উপরোক্ত অনুরোধে সাড়া দেয়, তাহলে শহরের পরিবেশ উন্নয়নে তা সহায়ক হবে। উল্লেখ্য, পুলিশ সুপার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে চাঁদপুর শহরের রাস্তার পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বার বার উদ্যোগ নিচ্ছেন, এতে শহরবাসী উপকৃত হয়েছেন। এভাবে সড়কের যান ও জনচলাচলের স্থান অবৈধভাবে দখল করে যারা নিজেদের স্থাপনার নির্মাণ কাজ করেন, তাদের ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নিলে অবশ্যই শহরবাসী অনেক খুশি হবেন। বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখার জন্যে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আমরাও অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৫৫৩৯৬
পুরোন সংখ্যা