চাঁদপুর। রোববার ১৩ আগস্ট ২০১৭। ২৯ শ্রাবণ ১৪২৪। ১৯ জিলকদ ১৪৩৮
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৯-সূরা আনকাবূত

৬৯ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৮। স্মরণ কর লুতের কথা, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা তো এমন অশ্লীল কর্ম করিতেছ, যাহা তোমাদের পূর্বে বিশ্বে কেহ করে নাই।   

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন




একটি সুন্দর মন থাকা একটি সুন্দর রাজ্যে বসবাস করার আনন্দের মতো।                     

 -জনওয়েলস।


রাসূল (সাঃ) বলেছেন, নামাজ আমার নয়নের মণি।


ফটো গ্যালারি
ধর্ষণের প্রবণতা বৃদ্ধি উদ্বেগজনক
১৩ আগস্ট, ২০১৭ ২০:১৭:১২
প্রিন্টঅ-অ+


চলতি ২০১৭ সালে চাঁদপুর জেলায় ধর্ষণের প্রবণতা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় এই যে, এই ধর্ষণের শিকার যারা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই শিশু। শিশুদের মধ্যে যারা একা ঘোরাফেরা করে, বিশেষ করে নিরিবিলি রাস্তায় একাকী পায়ে হেঁটে স্কুলে যাতায়াত করে, দরিদ্র ঘরের সন্তান, এমন শিশুদেরকেই টার্গেট করে ধর্ষকরা। প্রায় সময়ই শিশুদেরকে লজেন্স, বিস্কুট, জুস ইত্যাদি লোভনীয় খাবার খাওয়ানোর ফাঁদে ফেলে ধর্ষকরা নিয়ে যায় বাগানে, পরিত্যক্ত বাড়িতে কিংবা নির্জন স্থানে এবং জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় রেখে পালিয়ে যায়। শিশুর ডাক-চীৎকার শুনে যদি উদ্ধারকারীরা দ্রুত এগিয়ে আসে এবং সে উদ্ধারপ্রাপ্ত হয়ে যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা পায়, তাহলে বিরাট ধরনের শারীরিক ক্ষতি থেকে রেহাই পায়। আর যদি ধর্ষণের ব্যাপকতায় কোনো শিশু জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং তার উদ্ধার বিলম্বিত হয়, তাহলে অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণে শিশুটি মৃত্যুও বরণ করে।

    চাঁদপুর জেলায় গত এক পক্ষকালে অন্তত ১০টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার শিকার যারা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই শিশু-কিশোরী। ভাগ্যিস এসব ঘটনায় কারোই মৃত্যু হয়নি। সব ক’টি ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে এবং প্রায় সকল ধর্ষককে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তারা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে গেছে। তাদের শিশু-ধর্ষণ অর্থাৎ অস্বাভাবিক যৌনাচার বা বিকৃত রুচির কারণ সম্পর্কে পুলিশ বিস্তারিত কিছু জেনেছে কিনা তা জানা সম্ভব হয়নি। সেজন্যে অপরাধ বিশেজ্ঞরা ধর্ষণের প্রবণতা বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে ধর্ষকদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা স্বল্পকালীন রিমান্ডে আনার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন। এ বিষয়টি আদালতের বিচারক ও পুলিশকে ভেবে দেখার জন্যে আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।

        ধর্ষণের ব্যাপারে আমরা ঢালাওভাবে সামাজিক অবক্ষয় এবং যুব সমাজের বিপথগামিতাকে উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করতে পছন্দ করি। এই কারণের জানা ও গতানুগতিক উৎসের বাইরেও অজানা আরো কী উৎস আছে সেটি জানতে ধর্ষকদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমরা মনে করি। ধর্ষকদের মানসিকতার তীক্ষè বিশ্লেষণের মধ্যেও পাওয়া যেতে পারে অজানা কিছু। আমরা প্রতিটি ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই এবং সাথে সাথে ধর্ষণের কারণ বৃদ্ধির বিষয়েও জানতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে সতর্কতা অবলম্বন করে ধর্ষণের প্রবণতা হ্রাস করা যায়।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৪৪০৯৭
পুরোন সংখ্যা