চাঁদপুর। শুক্রবার ১২ জানুয়ারি ২০১৮। ২৯ পৌষ ১৪২৪। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৩-সূরা আহ্যাব


৭৩ আয়াত, ৯ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭২। আমি আকাশ পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে এই আমানত পেশ করেছিলাম, অতঃপর তারা একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হল; কিন্তু মানুষ তা বহন করল। নিশ্চয় সে জালেম-অজ্ঞ।


৭৩। যাতে আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারীর, মুশরিক পুরুষ, মুশরিক নারীদেরকে শাস্তি দেন এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


 


সবকিছুর মধ্যে আইনই হচ্ছে রাজা।


-হেনরি আলফোর্ড।


 


 


পিতার আনন্দে খোদার আনন্দ এবং পিতার অসন্তুষ্টিতে খোদার অসন্তুষ্টি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
সাঁতার নিয়ে অবহেলা, তবুও-
১২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সাম্প্রতিক সময়টা চাঁদপুরের সাঁতারের জন্যে খুব ভালো যাচ্ছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত আন্তঃকলেজ সাঁতার প্রতিযোগিতায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এর আগের বছর পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ চ্যাম্পিয়ন ও চাঁদপুর সরকারি কলেজ রানার্সআপ হয়। সদ্য অনুষ্ঠিত ২৩তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় চাঁদপুরের সাঁতারু নুরুল ইসলাম নুরু ১টি স্বর্ণ, ১টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জ পদক পান। এছাড়া বিকেএসপি সাঁতারে চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা দলের সাঁতারুরা ২টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেন। সাঁতারের একই দলটি গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামে বিভাগীয় পর্যায়ের যুব গেমসে ৪টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে। কয়েক বছরের ব্যবধানে সাঁতারে চাঁদপুরের এই ধারাবাহিক সাফল্যে পুরো চাঁদপুরবাসী বেশ আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।



চাঁদপুরের সামগ্রিক পরিবেশ সাঁতারের জন্যে বেশ অনুকূল ও ঊর্বর। বহু বিখ্যাত সাঁতারুর জন্ম এই চাঁদপুরে। তন্মধ্যে দুজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন। একজন হচ্ছেন ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী সাঁতারু আবদুল মালেক এবং আরেকজন হচ্ছেন অবিরাম সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ডধারী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাঁতারু অরুণ নন্দী। দুজনের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলায়। দুজনই অকৃতদার। দুজনই এখন প্রয়াত। এঁদের স্মৃতিকে ধরে রাখতে চাঁদপুর স্টেডিয়ামের প্রথম প্যাভিলিয়নকে 'মালেক ক্রীড়া ভবন' এবং আউটার স্টেডিয়ামের সুইমিং পুলকে 'অরুণ নন্দী সুইমিং পুল' নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া চাঁদপুরের দুটি সাঁতার সংগঠনের নামও এই দুই কালজয়ী সাঁতারুর নামে করা হয়েছে। আর আঃ মালেকের নামে একটি শিশু বিদ্যালয়ও স্থাপিত হয়েছে।



চাঁদপুরে সাঁতারু আঃ মালেক ও অরুণ নন্দী ছাড়া এমন কোনো ক্রীড়াবিদ খুঁজে পাওয়া যাবে না যাঁদের অবিস্মরণীয় কৃতিত্বকে অমর করে রাখার জন্যে একাধারে স্থাপনা ও সংগঠনের নামকরণ করা হয়েছে। তবুও যুগ যুগ ধরে চাঁদপুরের সাঁতার জেলা ক্রীড়া সংস্থার অবহেলার শিকার। 'চাঁদপুর সুইমিং ক্লাব' নামে একটি পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী সাঁতার সংগঠনের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বার বার আসতে পারলেও চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য হিসেবেও ঠাঁই পান না। আবার ঠাঁই পেলেও সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পান। এছাড়া চাঁদপুরের অন্যান্য কম বয়সী সাঁতার সংগঠনের প্রতিনিধিরা সুইমং ফেডারেশনের অনেক বড় পদ অলঙ্কৃত করতে পারলেও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাঁতার উপ-কমিটি ছাড়া অন্যত্র এঁদের ঠাঁই হয় না।



চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার অবহেলার শিকার হয়ে এখানকার সুইমিং পুলটি মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিলো। চাঁদপুর কণ্ঠে লেখালেখির পর এটি সংস্কার



 



শেষে চাঁদপুর সাঁতার পরিষদকে বার্ষিক ইজারায় রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক এই সুইমিং পুলটি সংস্কারে জেলা প্রশাসনের পক্ষে এগিয়ে আসলেও জেলা ক্রীড়া সংস্থা সামগ্রিকভাবে এগিয়ে আসেনি। সুইমিং পুলের চারপাশের স্পেস ভাড়া দিয়ে আয়ের ব্যবস্থা করে সাঁতার উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনাও মাথায় আনেনি। চাঁদপুর পৌরসভার অর্থায়নে এই সুইমিং পুলের সংস্কার এবং ক্রীড়া মাস সাঁতার চললেও ক্রীড়া সংস্থা সুইমিং পুলটিসহ সাঁতারের সামগ্রিক উন্নয়নে কার্যত অবহেলা ও ঔদাসীন্যই প্রদর্শন করে চলছে। গেলো বছর ক্রীড়া সংস্থার বিচ্ছিন্ন কিছু উদ্যোগে ও জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে সাঁতার প্রশিক্ষণ হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদপুরের সাঁতারে সাফল্য আসতে শুরু করেছে। ক্রীড়া সংস্থায় সাঁতার সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা গেলে চাঁদপুরের সাঁতার তার হৃত গৌরব যে উদ্ধার করতে পারবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।



 



 



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৬৫২৫১
পুরোন সংখ্যা