চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ১ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৫-সূরা ফাতির

৫৫ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১১। এবং তাকে আমি বলেছিলাম, প্রশস্ত বর্ম তৈরি কর, কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং সৎকর্ম সম্পাদন কর। তোমরা যা কিছু কর, আমি তা দেখি।

১২। আর আমি সোলায়মানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত। আমি তার জন্যে গলিত তামার এক ঝরণা প্রবাহিত করেছিলাম। কতক জি¦ন তার সামনে কাজ করত তার পালনকর্তার আদেশে। তাদের যে কেউ আমার আদেশ অমান্য করবে, আমি জ¦লন্ত অগ্নির শাস্তি আস্বাদন করাব।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


বাচুর না পানালে দুধ পেতে কোথায়?


-প্রবাদ।


যে সদর দরজা দিয়ে বেহেশতে যেতে চায়, সে তার পিতা-মাতাকে সন্তুষ্ট করুক।


ফটো গ্যালারি
বিষয়টি অতীব উদ্বেগজনক
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর কণ্ঠে রোববার এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা সংক্রান্ত দুটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এমন সংবাদ পরীক্ষা শুরুর পর থেকেই প্রকাশিত হচ্ছে এবং পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রকাশিত হতে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। রোববারে প্রকাশিত সংবাদ দুটির শিরোনাম হয়েছে 'মতলব উত্তর ও দক্ষিণে পাঁচ শিক্ষার্থী বহিষ্কার চার শিক্ষককে অব্যাহতি' এবং 'কচুয়ায় ৩ শিক্ষক ও ১ এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার একজনকে জরিমানা' শিরোনাম পড়ে স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে একদিনে চাঁদপুর জেলায় শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষকই বেশি দ-িত হয়েছেন। অর্থাৎ ছয়জন শিক্ষার্থী বহিষ্কারের পাশাপাশি সাতজন সম্মানীয় শিক্ষক অব্যাহতি ও বহিষ্কারের সম্মুখীন হয়েছেন। নিঃসন্দেহে এই চিত্র অস্বাভাবিক। সেজন্যে অতীব উদ্বেগজনক।

আমাদের দেশে এক সময় মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত বেতন-ভাতার অনিশ্চয়তায় ভুগতেন। তখন প্রায় সকল শিক্ষক ব্রত হিসেবে শিক্ষকতা করতেন বলে তাদের মধ্যে নৈতিকতার উল্লেখযোগ্য সঙ্কট ছিলো না। অভাবে অন্যদের স্বভাব নষ্ট হলেও শিক্ষকদের স্বভাব নষ্ট হবার ঘটনা ছিলো একেবারেই কম। আজকাল শিক্ষকদের সেই দুর্দিন নেই। বেতন-ভাতার শতভাগই বেসরকারি শিক্ষকরা সরকারের কোষাগার থেকে এমপিও'র মাধ্যমে পাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠান থেকেও পাচ্ছেন কিছু অংশ। পার্থক্য হলো আগে মেধাবীরা আসতেন শিক্ষকতা পেশায় যোগ্যতার বলে, আর একন অনেক কম মেধাবী আসছেন বহুবিধ তদবিরের জোরে। তদবিরে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মাঝে এবং খ-কালীন হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মাঝে দেখা যাচ্ছে নৈতিকতার সঙ্কট। এমন শিক্ষক প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য ঠিক রাখতে গিয়ে পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের নকল সরবরাহসহ সকল প্রকার অবৈধ সহযোগিতা করে থাকেন। এর পরিণামে এমন শিক্ষকরা অব্যাহতি, বহিষ্কার, এমনকি গ্রেফতারও হন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে শিক্ষকদের এই পরিণামের ঘটনাসমূহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা দুর্বল ও নীতিহীন, তারা সনদপ্রাপ্তির পরীক্ষায় সুযোগ পেলে নকল করবে-এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু শিক্ষকরা এমন শিক্ষার্থীদেরকে অবৈধভাবে সহযোগিতার জন্যে দিনের পর দিন বেপরোয়া হয়ে খারাপ পরিণাম বহন করতে থাকবে-এটা খুবই খারাপ লক্ষণ এবং অতীব উদ্বেগজনক। এই উদ্বেগ নিরসনে শিক্ষক নিয়োগে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষকদেরকে উঁচু নৈতিক মানে পেঁৗছানোর উদ্যোগ সরকারকেই গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষাক্ষেত্রে অনিবার্য বিপর্যয়ের জন্যে অপেক্ষা ছাড়া অন্য উপায় থাকবে না বলে মনে করি।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৯৩১৮
পুরোন সংখ্যা