চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ৩ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
kzai
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে মাসুদ রানা হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদন্ড ,, জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শফিকুর রহমান ভুঁইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী গোলাম মোস্তফাকে আটক করেছে পুলিশ || বিক্ষোভ চলাকালে বিএনপি নেতা শফিকুর রহমান ভূঁইয়াসহ আটক ৫
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৫-সূরা ফাতির

৫৫ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৫। হে মানুষ, তোমরা আল্লাহর গলগ্রহ। আর আল্লাহ; তিনি অভাবমুক্ত প্রশংসিত।

১৬। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে বিলুপ্ত করে এক নতুন সৃষ্টির উদ্ভব করবেন।

১৭। এটা আল্লাহর পক্ষে কঠিন নয়।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


মৃত্যুবরণ করার চেয়ে কষ্ট ভোগ করে বেঁচে থাকার জন্যে অধিক সাহসের প্রয়োজন।

-নেপোলিয়ান।


যিনিই বিশ^মানবের কল্যাণ সাধন করেন তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।


ফটো গ্যালারি
বিদ্যালয়টি চলুক ঐতিহ্য ও সুনামের অনুকূলে
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মেঘনা নদীর পূর্ব দিকে সবচে' খ্যাতিমান মুসলিম জমিদার বলতে যাঁদেরকে বোঝায় তাঁরাই হচ্ছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা জমিদার। ১৯৪৬ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে ৪.৫১ একর জমির ওপর একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার প্রধান উদ্যোক্তা ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক 'খান বাহাদুর' উপাধিপ্রাপ্ত রূপসার জমিদার আবিদুর রেজা চৌধুরী। সেজন্যে তাঁর নামে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয় ফরিদগঞ্জ আবিদুর রেজা উচ্চ বিদ্যালয়। পরবর্তীতে আবিদুর রেজাকে এ. আর. করে বিদ্যালয়টির সংক্ষিপ্ত নাম দাঁড়ায় ফরিদগঞ্জ এ. আর. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি উপজেলার মডেল স্কুল। তাই নামের সাথে মডেল শব্দটিও যুক্ত হয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন সেকান্দর আলী। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে খ্যাতিমান প্রধান শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং ৩৫ বছর এ পদে কর্মরত থেকে ২০০২ সালে সুনামের সাথে অবসরগ্রহণ করেন। তাঁর কর্মকালেই বিদ্যালয়টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে।



প্রধান শিক্ষক পদে আবদুর রাজ্জাকের স্থলাভিষিক্ত যিনি বা যাঁরা হয়েছেন, তাঁরা বিদ্যালয়টির খ্যাতি-ঐতিহ্য পুরোপুরি ধরে রাখতে পারেননি। বর্তমানে যিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁর নাম হচ্ছে রফিকুল আমিন কাজল। তিনি এক সময় শিক্ষক নেতা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করলেও বর্তমানে বড় রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যে কোনো দক্ষতা ও যোগ্যতায় তিনি ফরিদগঞ্জের বর্তমান এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়ার আশীর্বাদপুষ্ট ও সর্বপ্রকার আনুকূল্যপ্রাপ্ত। তিনি এ বিদ্যালয়ে যোগদান করে বিদ্যালয়ের সামগ্রিক চেহারা পাল্টে দিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।



ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রফিকুল আমিন কাজল অধিষ্ঠিত থাকায় এবং ঠিকাদারি ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট থাকায় তাঁর কর্মস্থল ফরিদগঞ্জ এ. আর. মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতি সকলের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়তি সময় দিতে পারছেন বলে মনে হচ্ছে না। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়টি অতীত ঐতিহ্য, খ্যাতি ও সুনামের অনুকূলে যথাযথভাবে চলতে পারছে না বলে কম-বেশি অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ বিদ্যালয় সংক্রান্ত নেতিবাচক সংবাদ পাঠকদেরকে প্রায়শই পত্রিকায় পড়তে হচ্ছে। এ সকল সংবাদের বিরুদ্ধে বর্তমান প্রধান শিক্ষকের স্পষ্ট ও প্রতিবাদী বক্তব্যও পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর এমন ভূমিকায় সমালোচকরা 'মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ' বলে মন্তব্য করেছেন। প্রধান শিক্ষক মহোদয় এমন মন্তব্যের দায় থেকে নিজেকে বাঁচাতে নড়ে-চড়ে বসবেন এবং বিদ্যালয়টির প্রতি তাঁর পক্ষ থেকে বাড়তি সময় ও আন্তরিকতা দিয়ে সুবিচার করবেন বলে আমরা আশা করি।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৮১২৪
পুরোন সংখ্যা