চাঁদপুর। বুধবার ১৪ মার্চ ২০১৮। ৩০ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে আটককৃত বিএনপি'র ১৭ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে প্রেরন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন


৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৫। যাতে তারা তার ফল খায়। তাদের হাত একে সৃষ্টি করে না। অতঃপর তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না কেন?


৩৬। পবিত্র তিনি যিনি জমিন থেকে উৎপন্ন উদ্ভিদকে, তাদেরই মানুষকে এবং যা তারা জানে না, তার প্রত্যেককে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


সর্বদা তাই কর যা করতে তুমি ভয় পাও।


-ইমারসন।


 


 


মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।


 


 


ফটো গ্যালারি
পালবাজারে আগুন, তারপর?
১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর শহরের নূতনবাজার এলাকার সর্ববৃহৎ বাজার পালবাজারে গত সোমবার সকালের অগি্নকা-ে ২৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এর আগের বছরগুলোতে, এমনকি ক'মাস আগে পুরাণবাজারে অগি্নকা-ে বহু দোকানপাট পুড়ে ছাই হয়েছে। চাঁদপুর শহরের সর্ববৃহৎ বিপণী রেলওয়ে হকার্স মার্কেটেও বিক্ষিপ্তভাবে আগুন লেগেছে, তবে খুব দ্রুত নিভিয়ে ফেলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। অতি সম্প্রতি হাজীগঞ্জ উপজেলার বিখ্যাত বাজার বাকিলায়ও অগি্নকা- সংঘটিত হয়েছে। আবাসিক এলাকার চাইতে বাজার বা মার্কেটে অগি্নকা- বেশি সংঘটিত হচ্ছে বলে পরিলক্ষিত হচ্ছে।



গ্রামাঞ্চলে একটি কথা প্রচলিত আছে, যে বাড়িতে আগুন লাগে, সে বাড়িতে কাঁচা ঘর, টিনের ঘর তেমন থাকে না, সবাই কষ্ট করে হলেও পাকা ঘর বা দালানকোঠা নির্মাণের চেষ্টা করে। বাজারের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়। যে বাজারে আগুন লাগে সে বাজারে পরবর্তীতে কেবল বিল্ডিং উঠে। কিন্তু অগি্নকা- প্রতিরোধে কি বিল্ডিং বা পাকাঘর নির্মাণেই চূড়ান্ত সমাধান হয়?-মোটেও না। তবে মানুষের স্বাভাবিক ধারণা, আগুন কুঁড়ে ঘর, কাঁচা ঘর বা টিনের ঘরকে তার লেলিহান শিখায় যেভাবে ছাইয়ে পরিণত করে ঘরের লোকজনকে খোলা আকাশের নিচে থাকতে বাধ্য করে, বিল্ডিং বা পাকা ঘরের লোকজনকে সেভাবে বাধ্য করতে পারে না। পাকা ঘরের মালামালকে আগুন ছাইয়ে পরিণত করতে পারলেও সে ঘরটিকে ছাই বানাতে পারে না। এতে অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁই মিলে। এমন বাস্তবতায় একবার অগি্নকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ পরবর্তীতে ক্ষতি এড়ানোর জন্যে সতর্কতা স্বরূপ পাকা ঘর তৈরি করে।



আগুনের হাত থেকে বাঁচার জন্যে সতর্কতামূলক কিছু করণীয় আছে। এগুলো জানা প্রত্যেকেরই উচিত। এই ঔচিত্যবোধ জাগ্রত করার জন্যে সরকারের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নামে একটি বিভাগ আছে। কিন্তু কিছু সীমাবদ্ধতা এবং দায়িত্ব পালনে সুষ্ঠুতার অভাবে এই বিভাগটি অগি্নকা- প্রতিরোধ এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থাগ্রহণের ব্যাপারে লক্ষ্যণীয় কর্মসূচি পালন করছে বলে মনে হচ্ছে না। কোথাও আগুন লাগলে তা নিভিয়ে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারলেই এ বিভাগটি তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে এবং বোঝাতে চায় ও মনে করে, অনেক বড় কাজ করে ফেলেছে।



 



অবশ্যই যে বড় কাজ করেছে তাতে কোনো বিতর্ক নেই, তবে তাদের আরো করণীয় যে আছে সেটা সাধারণ্যে স্পষ্ট করা দরকার। অন্যথায় সোমবার পালবাজারে আগুন লেগেছে, তারপর আরেক দিন অন্য বাজারে যে লাগবে না, সেটা কেউ হলফ করে বলতে পারবে না। তাই মানুষকে আগুনের হাত থেকে বাঁচানো এবং অগি্নকা-ের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে সতর্কতামূলক ধারাবাহিক উদ্যোগ পালনের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সামগ্রিক দায়িত্ব পালন সম্পন্ন হতে পারে বলে আমরা মনে করি।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬২৪৯৩০
পুরোন সংখ্যা