চাঁদপুর। বুধবার ১৬ মে ২০১৮। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫। ২৯ শাবান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭-সূরা সাফ্ফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৫৬। নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট কোন দলিল রয়েছে?

১৫৭। তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব আন।

১৫৮। তারা আল্লাহ ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে।

১৫৯। তারা যা বলে তা থেকে আল্লাহ পবিত্র।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


যারা যুক্তি মানে না, তারা বর্বর।

-জর্জ বার্নাড শ’।


দেশের শাসনভার আল্লাহতায়ালার নিকট হতে আমানত।


ফটো গ্যালারি
আল-আমিন একাডেমী প্রসঙ্গ
১৬ মে, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক আনুকূল্য পেয়ে বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধীরা শক্তি সঞ্চয় করে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ব্যবসাসহ আরো কিছু ক্ষেত্রে অর্থ ও জনবল নিয়োগ করে সাফল্য অর্জন করে। এই সাফল্যে কোথাও কোথাও স্বাধীনতা পক্ষের কিছু লোকজন আকৃষ্ট ও প্রলুব্ধ হয় এবং বুঝে হোক আর না বুঝে হোক নিজেদের সংশ্লিষ্ট করে ফেলে। চাঁদপুরেও বিভিন্ন পেশার সুধী কিছু লোকজনকে সুকৌশলে ইসলামী ধারার একটি রাজনৈতিক দলের লোকজন সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনায় ব্যবহার করে স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চাঁদপুর শহরের বহুল পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল-আমিন একাডেমীও এমন একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৮ সালের ২২ জানুয়ারি চাঁদপুর শহরের তৎকালীন স্ট্র্যান্ড রোড বর্তমান কবি নজরুল সড়কে আল-আমিন একাডেমী ১৪ জন ছাত্র-ছাত্রী ও ৪ জন শিক্ষক নিয়ে যাত্রা শুরু করে। ৪০ বছরের ব্যবধানে আজ ছয় সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ও দু শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকার বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বলা যায়, কবি নজরুল সড়ক, নূতন আলিম পাড়া, গুনরাজদী ও বাবুরহাট এ চারটি স্থানে পৃথক চারটি ক্যাম্পাস নিয়ে চাঁদপুর সরকারি কলেজের পরে জেলার সবচে' বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে নার্সারি/প্লে থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার সুযোগ রয়েছে এবং পিইসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ফলাফল জেলায় কখনো প্রথম, কখনো দ্বিতীয়, কখনো তৃতীয় কিংবা এর কাছাকাছি থাকে।

আল-আমিন একাডেমীর ব্যবস্থাপনা কমিটি ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অধিকাংশ একটি রাজনৈতিক দলের বর্তমান নেতা-কর্মী কিংবা সাবেক নেতা-কর্মী। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে ও ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্যে যারা রাজনীতিনিরপেক্ষ রয়েছেন, তারা অনেকটা সংখ্যালঘু। প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ নামে চাঁদপুর সদর আসনের সাবেক এমপি এই একাডেমীর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তিরিশ বছরের অধিক সময় ধরে। তিনি অনেক দেরিতে চলতি বছরে এই একাডেমীকে রাজনীতির প্রভাব-বলয় মুক্ত করতে গিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করে ফেলেছেন। ভেতর ও বাইরের শক্তির ইন্ধনে এই একাডেমীতে থেমে থেমে চলছে উত্তেজনা। সর্বশেষ গত সোমবার মূল ক্যাম্পাস থেকে অন্য ক্যাম্পাসে দু শিক্ষকের বদলিকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় চরম বিশৃঙ্খলা। পুলিশ অন্যান্য বারের মতো এবারো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি আবারো বেসামাল হবার আশঙ্কা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে। সেজন্যে সাধারণ অভিভাবকগণ উদ্বিগ্ন। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন ও সুধীবৃন্দের হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩৭৬৬৯
পুরোন সংখ্যা