চাঁদপুর। বুধবার ১৩ জুন ২০১৮। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫। ২৭ রমজান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের চান্দ্রার খাড়খাদিয়ায় ট্রাক চাপায় সাইফুল ইসলাম (১২) নামের ৭ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ও সদর উপজেলার দাসাদি এলাকায় পিকআপ ভ্যান চাপায় কৃষক ফেরদৌস খান নিহত,বিল্লাল নামে অপর এক কৃষক আহত হয়েছে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৮-সূরা ছোয়াদ

৮৮ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৬৬। তিনি আসমান-যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, পরাক্রমশালী  মার্জনাকারী।

৬৭। বলুন, এটি এক মহাসংবাদ।

৬৮। যা থেকে তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ।

৬৯। ঊর্ধ্ব জগৎ সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞান ছিল না যখন ফেরেশতারা কথাবার্তা বলছিল।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


দুঃখীদের মনের জোর কম থাকে

-রবার্ট হেরিক


নিঃসন্দেহে তিন প্রকার লোকের দোয়া কবুল হয়- পিতার দোয়া, মোসাফিরের দোয়া এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।


ফটো গ্যালারি
পূর্ব প্রস্তুতি না থাকলে ফেরিতে যা হয়
১৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলায় বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে, সতর্কতা বা সাবধানতার মার নেই। ইংরেজিতে এটির ভাবানুবাদ হচ্ছে 'সেফ বাইন্ড সেফ ফাইন্ড'। আরেকটি প্রবাদ হচ্ছে, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। এটির ইংরেজি অনুবাদ হচ্ছে 'এ স্টিচ ইনটাইম সেভস্ নাইন'। প্রবাদ আসলে জনশ্রুতি বা চলতি কথা, যা লোকের মুখে মুখে চলতে থাকে। এই প্রবাদগুলো অধিকাংশই চিরন্তন সত্য। কিন্তু অর্বাচীনরা প্রবাদের মূল্য দেয় না। সেজন্যে তারাও ভোগে এবং সাধারণ মানুষও ভোগে। গত সোমবার চাঁদপুর কণ্ঠের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত 'মতলব ফেরির গ্যাংওয়ে জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত ফেরি চলাচল বন্ধ' শিরোনামের সংবাদটি পড়ে আমাদের উপরোক্ত প্রবাদ দুটির কথা মনে পড়ে গেছে।



বাংলা ঋতুতে বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাস নিয়ে গ্রীষ্মকাল। গ্রীষ্মের পরই আসে বর্ষাকাল। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রীষ্মকালেই বর্র্ষার আলামত তথা প্রবল বৃষ্টিপাত হতে দেখা যাচ্ছে। এতে জলাবদ্ধতায় ফসলহানি হচ্ছে, রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছে, নদীসহ সকল জলাশয়ে পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। যেটা বর্ষায় হতো, এখন সেটা গ্রীষ্মের মাঝামাঝিতে হচ্ছে। যেমনটি মতলব ফেরিতে হয়েছে। ধনাগোদা নদী বৃষ্টির পানিতে ফুলে-ফেঁপে মতলব ফেরির দুপাশের গ্যাংওয়ে তলিয়ে দিয়েছে। আর সাথে সাথে বন্ধ হয়েছে ফেরি এবং দুপাশে আটকা পড়েছে শত শত যানবাহন, যেগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে বিকল্প পথ পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। গত রোববার এ ঘটনাটি ঘটেছে।



গত রোববার ছিলো ২৭ জ্যৈষ্ঠ অর্থাৎ বর্ষাকাল শুরুর চারদিন পূর্বকার দিন। ফেরি পরিচালনাকারী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সত্যিকার অর্থে সতর্ক থাকলে গ্যাংওয়ে যাতে বর্ষায় তলিয়ে যেতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতো। কিন্তু তাদের পূর্ব প্রস্তুতি না থাকায় গ্যাংওয়ে নির্বিঘ্নে তলিয়েছে এবং ফেরি বন্ধ হয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষগুলোকে ভোগান্তিতে ডুবিয়েছে। অথচ সময়মতো ব্যবস্থা নিলে ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যেতো না এবং আকটাপড়া যানবাহন ও যাত্রীদের সময় নষ্ট হতো না।



শুধু মতলব ফেরি নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন ফেরিতেও প্রাকবর্ষা ও বর্ষাকালীন গ্যাংওয়ে তলিয়ে ফেরিতে যানবাহন পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে গ্যাংওয়ে উঁচু করে যানবাহনগুলোকে ফেরিতে ওঠার ব্যবস্থা করা হয়। এ ব্যাপারে ইজারাদার বা ঠিকাদারকেই কাজ করতে হয় এবং সেজন্যে প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জনবল নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হয়। যে ফেরিতে এমন প্রস্তুতি পূর্ব থেকেই থাকে এবং সময় মতো কাজ করা হয়, সেখানে জোয়ারে গ্যাংওয়ে অতটুকু তলায় না, যতোটুকুতে ফেরিতে যানবাহন উঠতে ব্যর্থ হয়। সেজন্যে পূর্ব প্রস্তুতি এবং সময়মতো ব্যবস্থাগ্রহণের অনিবার্যতা অস্বীকার করা যায় না বলে মনে করি।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯০১৮৬
পুরোন সংখ্যা