চাঁদপুর। শুক্রবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ৩০ ভাদ্র ১৪২৫। ৩ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৬। কাফিররা বলে, তোমরা এই কোরআন শ্রবণ করো না এবং তা তিলাওয়াতকালে শোরগোল সৃষ্টি করো, যাতে তোমরা জয়ী হতে পারো।

২৭। আমি অবশ্যই কাফিরদেরকে কঠিন শাস্তি আস্বাদন করাবো এবং নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে নিকৃষ্ট কার্যকলাপের বিনিময় দেবো।

২৮। জাহান্নাম, এটাই আল্লাহর শত্রুদের পরিণাম; সেখানে তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী  আবাস আমার নিদর্শনাবলি অস্বীকৃতির প্রতিফলস্বরূপ।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কাঁচা যে-কোনো জিনিসই পচনশীল

 -লুই পাস্তুর।


স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।

 


ফটো গ্যালারি
অপহরণ, নিরুদ্দেশ না পলায়ন?
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের কোনো এক শ্রেণির দু শিক্ষার্থী হঠাৎ নিরুদ্দেশ হয়ে গেলো। গণমাধ্যমের সংবাদে লিখা হয়েছে, এরা জঙ্গি কানেকশনে নিখোঁজ হয়েছে। থানায় ডায়েরি করা হলো। পুলিশ সুপার দু শিক্ষার্থীর পিতাকে ডেকে কথা বললেন, তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও কথা বললেন। এ দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজে তুমুল হৈচৈ সৃষ্টি হলো। অবশেষে পুলিশ নিরুদ্দেশ হওয়া দু শিক্ষার্থীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলো। তারা দুজনে একটি বাসা ভাড়া করে সেখানে বসবাস শুরু করেছিলো। কেনো তারা নিরুদ্দেশ হয়েছে জানতে চাইলে অকপটে বলে, পড়ালেখার চাপ সইতে না পেরে নিরুদ্দেশ হয়েছি।

প্রায়শই চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মাদ্রাসার ছাত্র নিখোঁজ হয়। কোনো কোনো নিখোঁজের ঘটনা পুলিশ জানে, আবার কোনো কোনোটি জানে না বা পুলিশকে জানানো হয় না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কিংবা ছাত্রের অভিভাবক নিজেদের দায়িত্বে নিখোঁজ ছাত্রটিকে খুঁজে বের করে, আর ব্যর্থ হলে অনেক বিলম্বে পুলিশের দ্বারস্থ হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এমন নিখোঁজ ছাত্রদের খুঁজে পাওয়া গেলে তারা সরল স্বীকারোক্তিতে বলে যে, মাদ্রাসায় ধর্মীয় নিয়মকানুন পালনে কঠোর শাসন এবং উপর্যুপরি পড়ালেখার চাপে তারা পালিয়েছে। এদেরকে আবার মাদ্রাসায় পাঠালেও তারা কেউ কেউ পুনরায় পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটায়। এমতাবস্থায় কোনো কোনো অভিভাবক নিজেদের মান রক্ষার্থে থানায় বা কোর্টে অপহরণের মামলা দায়ের করে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরের বিপণীবাগ বাজারের এক ব্যবসায়ী জাশেদুল ইসলাম নামে ১৪ বছর বয়সী এক ছেলেকে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরতে দেখে নাম-ঠিকানা জিজ্ঞেস করে। কিন্তু তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে ওই ব্যবসায়ী ছেলেটিকে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। জাশেদুলের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে। পুলিশ তার আত্মীয়স্বজনকে খবর দিয়ে এনে জাশেদুলকে তার পিতা-মাতার নিকট পেঁৗছানোর জন্যে হস্তান্তর করেছে।

মাদ্রাসা ছাত্র জাশেদুল দাবি করেছে, সে গত ৫ সেপ্টেম্বর বুধবার চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি বাসা থেকে বের হয়ে বাসে উঠলে তাকে সুযোগ বুঝে দু যুবক নাকের কাছে তুলাসহ আতর ধরলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তারপর অপহরণকারীরা তাকে চাঁদপুর নিয়ে আসে এবং একটি ঘরে আটকে রাখে। গত সোমবার সন্ধ্যায় সে ওই ঘর থেকে বেরিয়ে বিপণীবাগ আসতে সক্ষম হয়। পুলিশ তাকে নিয়ে তার বিবরণ অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও সে স্থান শনাক্ত করতে পারেনি। জাশেদুল চট্টগ্রামের হালিশহর আল-জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুল করিম মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র এবং কুরআন শরীফের ১১ পারা মুখস্থ করতে পেরেছে বলে জানায়। চাঁদপুর মডেল

থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, ছেলেটি পড়াশোনার চাপে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে এসেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। অপহরণ হলে তার শরীরের অবস্থা আরো খারাপ থাকতো। আমরাও মনে করি তাই। জাশেদুল মাদ্রাসায় না গিয়ে চাঁদপুরের বাসে উঠে স্বেচ্ছায় নিরুদ্দেশ হওয়ার চেষ্টা করেছে কিংবা পালিয়ে এসেছে। সে অপহরণকারী চক্রের খপ্পরে পড়লে অবশ্যই কেউ মুক্তিপণ চাইতো কিংবা তার অঙ্গহানির চেষ্টা করতো।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৮৩৬৭২
পুরোন সংখ্যা