চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৮। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫। ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৪-সূরা দুখান


৫৯ আয়াত, ৩ রুকু, 'মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২২। অতঃপর মূসা তাহার প্রতিপালকের নিকট আবেদন করিল, ইহারা তো এক অপরাধী সম্প্রদায়।


২৩। আমি বলিয়াছিলাম, 'তুমি আমার বান্দাদিগকে লইয়া রজনী যোগে বাহির হইয়া পড়, তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হইবে।


২৪। সমুদ্রকে স্থির থাকিতে দাও, উহারা এমন এক বাহিনী যাহা নিমজ্জিত হইবে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


যারা যত বেশি টাকার পেছনে ছোটে, তারা জীবনে ততটাই অসুখী হয়। -সৌরভ মাহমুদ।


 


 


নামাজে তোমাদের কাতার সোজা কর, নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতভেদ ঢালিয়া দিবেন।


ফটো গ্যালারি
তাবলীগে দু গ্রুপ এবং জনমনে অস্বস্তি
০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত অস্থিতিশীল কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এই নির্বাচন নিয়ে কোনো হরতাল-অবরোধ, জ্বালাও-পোড়াও ইত্যাদি কর্মসূচি কাউকে ঘোষণা করতে হয়নি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেয়া বিএনপি-জামাত জোট অতীতে যে ধরনের সহিংস কর্মসূচি ঘোষণা করে জননিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্ন করার প্রয়াস চালিয়েছিলো, বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মামলায় দ-িত হয়ে কারাগারে যাবার পরও সে ধরনের সহিংস কর্মসূচি ঘোষণা ও পালন করা হয়নি সাম্প্রতিক সময়ে। পুলিশি বাধাসহ অন্যান্য বাধার মুখে বিএনপি সহ সংশ্লিষ্ট জোট বিভিন্ন কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালনের চেষ্টা করেছে এবং কোনোভাবেই নেতা-কর্মীদের উচ্ছৃঙ্খল হবার প্ররোচনা দেয়ার আলামত দেখা যায়নি। হামলা-মামলা গ্রেফতার হয়রানির শিকার হয়েও বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট জোট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথেই হেঁটেছে। যদিও তাদের দাবির অনুকূলে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না পাওয়ার কষ্ট রয়েছে। এজন্যে তাদের বক্তৃতা-বিবৃতি, চিঠি চালাচালি অব্যাহত রয়েছে। তবে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর মতো কিছুই তারা করছে না, যদিও কম-বেশি আশঙ্কায় জনগণ ভুগছে।



সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সহ সংশ্লিষ্ট জোট এবং বিএনপি জোটের মধ্যে বাকযুদ্ধ চললেও মল্লযুদ্ধ বা সশস্ত্র যুদ্ধ চলছে না, তবে তাবলীগের দু দ্রুপে চলছে বাকযুদ্ধ এবং সহিংসতা। মসজিদে মসজিদে বোঁচকা নিয়ে এসে যারা মুসলি্ল ও এলাকাবাসীকে দ্বীনের দাওয়াত দিতে কষ্ট স্বীকার করে অবস্থান করতেন এবং আমল-আখলাক পরিশুদ্ধ করার চর্চায় নিবিষ্ট থাকতেন, দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ তারা দুভাগে বিভক্ত এবং সহিংসতায় লিপ্ত। টঙ্গীর ইজতেমা মাঠ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই দু দ্রুপের সহিংসতায় জনমনে শুধু আতঙ্ক নয়, অস্বস্তিও বিরাজ করছে। কেননা এই সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে চলছে।



যে তাবলীগ জামাত ইসলামের নামে জঙ্গিবাদী তৎপরতা সহ যাবতীয় সহিংসতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সারাবিশ্বের সব ধর্মের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছিলো, যারা ব্যক্তির সাড়ে তিন হাত দেহে ইসলাম কায়েমের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন জনপদে টেকসই ইসলাম কায়েমের স্বপ্নে বিভোর ছিলো, আজ তারাই দু গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সহিংস তৎপরতায় লিপ্ত হয়ে সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে যেনো চুরমার করে দিচ্ছে। এতে প্রতিটি শান্তিপ্রিয় মুসলমান মাত্রই উদ্বিগ্ন হয়ে চলছে এবং তাবলীগের গ্রুপিং কোন্ পর্যায়ে গিয়ে কোন্ পরিণতিতে ভুগবে সে আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় আক্রান্ত হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাবলীগের গ্রুপিং নিরসনে সরকার হয়তো উল্লেখযোগ্য কিছু করবে না, আশা করি নির্বাচন শেষে এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কেননা এমন পদক্ষেপ অতীব জরুরিই হয়ে পড়েছে।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৬৭৮৩৯
পুরোন সংখ্যা