ঢাকা। শুক্রবার ১১ জানুয়ারি ২০১৯। ২৮ পৌষ ১৪২৫। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের মনতলা হাজী বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে ফাহিম মাহমুদ (৩) নিজ বাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। ||  শনিবার সকালে ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

২৭। আকাশম-লী ও পৃথিবীর আধিপত্য আল্লাহরই, যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হইবে সেদিন মিথ্যাশ্রয়ীরা হইবে ক্ষতিগ্রস্ত,

 


assets/data_files/web

সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।        


-ডাবলিউ জি বেনহাম।


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।



 


ফটো গ্যালারি
তাঁদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দৃঢ়তা চাই
১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনে নব নির্বাচিত এমপি অ্যাডঃ নূরুল আমিন রুহুল নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, মতলব হবে শান্তিপূর্ণ জনপদ। এখানে মাদক ও চাঁদাবাজি চলবে না। এছাড়া যাবতীয় অবিচার, অন্যায়, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ সহ সকল প্রকার অপরাধ দূর করা হবে।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে নবনির্বাচিত এমপি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি পদে পরপর দুবার দায়িত্ব পালনকারী দেশের খ্যাতনামা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মুহম্মদ শফিকুর রহমান তাঁর নির্বাচনী প্রতিটি সভায় দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ফরিদগঞ্জকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন।

অ্যাডঃ নূরুল আমিন রুহুল আইন পেশায় জড়িত থেকে মাদকাসক্ত, মাদক ব্যবসায়ীদের পরিণতি এবং তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ভোগান্তি সম্পর্কে অবগত হবার যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছেন বলে তাঁর মাদকবিরোধী মানসিকতাকে জোরদার করতে সক্ষম হয়েছেন। অপরদিকে সাংবাদিক শফিকুর রহমান তাঁর পেশাগত জীবনে মাদকের সামগ্রিক কুফল সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা অর্জনের সুযোগ পেয়েছেন। এজন্যে মাদক নির্মূলে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর অবস্থান থেকে জোরালোভাবে কাজ করার তাগিদ অনুভব করেছেন বলে মনে হচ্ছে।

মাদক নির্মূল বা নিয়ন্ত্রণে কাজ করার ক্ষেত্রে চাঁদপুরের এ দু এমপিকে প্রথমত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাধার সম্মুখীন হতে হবে নিজ দলের ভেতরে বিদ্যমান কিছু অসাধু নেতা-কর্মীর, যারা নিজেরা মাদক সেবন করে, কেউ কেউ বিক্রি করে এবং কেউ কেউ মাদক বিক্রেতাদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা তথা গডফাদার হিসেবে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। এছাড়া থানা-পুলিশের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু ব্যক্তিও বিভিন্ন কৌশলে মাদকের সাথে সংশ্লিষ্ট। এজন্যে উক্ত দু এমপিকে মাদক বিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার পূর্বে দলীয় ফোরামে প্রণোদনামূলক বক্তব্য দিতে হবে এবং সতর্ক বার্তা ছড়িয়ে দেয়ার কাজটি সেরে নিতে হবে। নির্বাচনে বিজয়ের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালনকারী ও দলে নেতৃত্ব পর্যায়ের ব্যক্তিটি যতো গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেনো, মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তিনি যে রেহাই পাবেন না এ কথাটি এমপি দ্বয়কে সুস্পষ্টভাবে উচ্চারণ করতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে থানা ও ফাঁড়ি পুলিশের আন্তরিক সহযোগিতা প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, যুবক ও তরুণদের নিয়ে মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক সভাও করতে হবে। বস্তুত সমন্বিত, ধারাবাহিক ও সাঁড়াশি কার্যক্রম ছাড়া মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আন্দোলন সৃষ্টি হয় না এবং সফলতা আসে না। মাঝে মাঝে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে মাদক নির্মূল বা প্রতিরোধে বিচ্ছিন্নভাবে কথা বললে পূর্ণ সাফল্য বা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসবে না বলে বিজ্ঞজনদের অভিমত। সেজন্যে মাদকের ব্যাপারে চাঁদপুরের দু এমপির প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ভেবেচিন্তে অগ্রসর হতে হবে এবং মানসিকভাবে দৃঢ় হতে হবে। অন্যথায় এই প্রতিশ্রুতি নিতান্তই প্রহসনে পরিণত হতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮১৯৩২৯
পুরোন সংখ্যা