চাঁদপুর, সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৯ মাঘ ১৪২৫, ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৯-সূরা হুজুরাত


১৮ আয়াত, ২ রুকু, 'মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৪। যাহারা ঘরের বাহির হইতে তোমাকে উচ্চস্বরে ডাকে, তাহাদের অধিকাংশই নির্বোধ,


৫। তুমি বাহির হইয়া উহাদের নিকট আসা পর্যন্ত যদি উহারা ধৈর্য ধারণ করিত, তাহাই উহাদের জন্য উত্তম হইত। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


 


 


assets/data_files/web

কোনো বড় কাজই উৎসাহ ছাড়া লাভ হয়নি। -ইমারসন।


 


 


 


নিঃসন্দেহে তিন প্রকার লোকের দোয়া কবুল হয়-পিতার দোয়া, মোসাফিরের দোয়া এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।


 


 


ফটো গ্যালারি
লঞ্চঘাট তুমি কার?
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

গত শনিবার দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠে শীর্ষ সংবাদ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে এমন একটি সংবাদ, যে সংবাদটি আরো অনেক পূর্বে প্রকাশিত হবার প্রয়োজন ছিলো। এ সংবাদটির শিরোনাম হয়েছে 'চাঁদপুর লঞ্চঘাটে সিএনজি স্কুটার ও অটো চালকদের সীমাহীন দৌরাত্ম্য যাত্রীদের নাভিশ্বাস অবস্থা'। এক সময় এ লঞ্চঘাটে রিঙ্াচালকদের দোর্দ- প্রতাপ ও দৌরাত্ম্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হতো। আর এখন প্রকাশিত হলো স্কুটার ও অটোবাইক চালকদের দৌরাত্ম্য নিয়ে। কারণ, রিঙ্া চালকরা এখন সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা হয়ে গেছে। অপরদিকে স্কুটার ও অটোবাইক চালকরা সংখ্যাধিক্যের বলে তাদের সীমাহীন দৌরাত্ম্যে শুধু যাত্রীদের জিম্মি করছে না, লঞ্চঘাট কর্তৃপক্ষ তথা বিআইডবিস্নউটিএকে, এমনকি নৌপুলিশকে জিম্মি করে ফেলেছে।

লঞ্চঘাটে বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী নিয়ে আসার সময় স্কুটার ও আটোবাইক চালকরা স্বাভাবিক আচরণ করে। কিন্তু লঞ্চঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে যাবার প্রাক্কালে করে অস্বাভাবিক আচরণ। চাঁদপুর কণ্ঠের উপরোক্ত সংবাদে লিখা হয়েছে, এই চালকদের দৌরাত্ম্যে লঞ্চ যাত্রীদের পন্টুনের ভেতরে ঢোকা এবং পন্টুন থেকে বের হবার মতো স্বচ্ছন্দ অবস্থা থাকে না। চালকদের চিৎকার-চেঁচামেচি এবং যাত্রীদের নিয়ে টানা-হেঁচড়া করার অবস্থা এমন জঘন্য পর্যায়ে পেঁৗছে, যা মোটেই মেনে নেয়ার মতো নয়। অন্য জেলার লোকজন চাঁদপুর এসে লঞ্চঘাটের এমন চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা দেখে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে, বিরক্ত হয় এবং চাঁদপুর সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করে। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, লঞ্চঘাটে স্কুটার ও অটোবাইক চালকদের দৌরাত্ম্যে বিদ্যমান বিশৃঙ্খল অবস্থায় অসহায় যাত্রীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাউকে দৃষ্টিসীমানার মধ্যে খুঁজে পায় না।

লঞ্চঘাটেই চাঁদপুর নৌ থানার অবস্থান। যে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একজন ইন্সপেক্টর পদবীধারী। কিন্তু তিনি পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে হোক কিংবা উদাসীনতার কারণে হোক লঞ্চঘাটে স্কুটার ও অটো চালকদের সৃষ্ট বিশৃঙ্খল অবস্থা নিরসনে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। তার 'ঢাল' ও 'তলোয়ার' থাকলেও তিনি নিধিরাম সর্দারের মতো ভূমিকা পালন করে চলছেন বলে প্রভূত মৌখিক অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগ লিখিত আকারে না হওয়ায় তিনি পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে। এমতাবস্থায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন পর্যবেক্ষক পাঠিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি অবলোকন করে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রহণ করা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে নৌ পুলিশ সুপার তাঁর দায় এড়াতে পারবেন বলে মনে হয় না। এমতাবস্থায় তাঁরও সক্রিয় ভূমিকা ভূক্তভোগী যাত্রীরা প্রত্যাশা করে।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৫৮১৪৩
পুরোন সংখ্যা