চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ৩ বৈশাখ ১৪২৬, ৯ শাবান ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৮-সূরা ফাত্হ্

২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী

২৬। যখন কাফিররা তাহাদের অন্তরে পোষণ করিতো গোত্রীয় অহমিকা-অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন আল্লাহ তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদিগকে স্বীয় প্রশান্তি দান করিলেন; আর তাহাদিগকে তাকওয়ার বাক্যে সুদৃঢ় করিলেন, এবং তাহারাই ছিলো ইহার অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। আল্লাহ সমস্ত বিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখেন।











 


assets/data_files/web

যে-লোক তার সুযোগ হারায় সে নিজেকে হারায়।      


-জি. মরু।


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
মতলব-দাউদকান্দি সড়কটি ঝুঁকিমুক্ত হোক
১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

গ্রাম্য প্রবাদ আছে, আপথ একদিন পথ হবে, আঘাট একদিন ঘাট হবে। এই প্রবাদটির সরলার্থ হচ্ছে, যেটি কোনোদিন পথ ছিলো না, সময়ান্তরে সেটি একদিন পথ হয়ে যায়; যে স্থানটিকে কেউ কোনোদিন নদীর ঘাট হিসেবে চিন্তাই করেনি, কালক্রমে সে স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে কোনো রক্ষণশীলতা বা প্রতিবন্ধকতা নূতন পথ বা ঘাটের স্বীকৃতিকে আটকে রাখতে পারে না। পথের ক্ষেত্রে উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মতলব-দাউদকান্দি সড়ক, বাবুরহাট-মতলব-পেন্নাই সড়ক, কচুয়া-গৌরীপুর সড়ক, রহিমানগর-মাধইয়া সড়ক, চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ-রায়পুর সড়ক, হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়ক, হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়ক ইত্যাদি। আর ঘাটের ক্ষেত্রে উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উত্তর শ্রীরামদী মাদ্রাসা রোড লঞ্চঘাট।

চাঁদপুর থেকে সড়কযোগে ঢাকা যেতে হলে কুমিল্লা শহর হয়ে যেতে হবে-এটাই এক সময় সবাই জানতো। তারপর সড়ক বিশেষজ্ঞরা আবিষ্কার করলেন, চাঁদপুর থেকে কালিয়াপাড়া-কচুয়া সড়ক ধরে গৌরীপুর যেতে পারলে ঢাকা যাতায়াতে দূরত্ব ও সময় সাশ্রয় হবে। এর কিছুদিনের ব্যবধানে আবিষ্কার হলো, কালিয়াপাড়া থেকে কচুয়া যাওয়ার প্রয়োজন নেই, রহিমানগর থেকে মাধইয়া গেলেই জাতীয় মহাসড়ক ধরে আরো কম সময়ে ঢাকা যাতায়াত সম্ভব। এই আবিষ্কারের সমসাময়িক সময়ে জ্ঞাত হওয়া গেলো, চাঁদপুর থেকে ঢাকা যাতায়াতে চাঁদপুর শহরের পূর্বদিকে মাত্র ৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বাবুরহাট থেকে উত্তর দিকে মতলব শহর হয়ে পেন্নাই গেলেই ওঠা যায় জাতীয় মহাসড়কে এবং এ সড়ক ধরে অত্যল্প সময়ে পেঁৗছা যায় ঢাকা। সবশেষ জানা গেলো, এগুলোও কিছুটা ঘুরপথ এবং সেজন্যে ঢাকা-চাঁদপুর রূটে সবচে' কম সময়ে যাতায়াতের জন্যে মতলবের ধনাগোদা নদীটি ফেরি অথবা ব্রীজের মাধ্যমে পাড়ি দিয়ে সেচ প্রকল্প বেড়িবাঁধ ধরে কিংবা অভ্যন্তরীণ সড়ক ধরে চিড়ারচর হয়ে সংক্ষিপ্ত পথে দাউদকান্দিতে মেঘনা-গোমতী সেতুতে উঠা যায় এবং খুব সহজেই ঢাকার নাগাল পাওয়া যায়।

চাঁদপুর-ঢাকা কম সময়ে যাতায়াতে সর্বশেষ আবিষ্কার মতলব-দাউদকান্দি সড়কটি অপ্রশস্ততা, জরাজীর্ণতা ও অসংখ্য বাঁকে আক্রান্ত বলে গত শনিবার চাঁদপুর কণ্ঠে খবর বেরিয়েছে। এই খবরে লিখা হয়েছে, এ সড়কটি এখন বহুল ব্যবহার হচ্ছে, এমনকি ২৪ ঘণ্টাই ব্যস্ত থাকছে। সেজন্যে ঝুঁকিপূর্ণভাবে এ সড়কটিতে যানবাহনগুলোকে চলাচল করতে হচ্ছে। এই খবরে লিখা না হলেও এই সড়কটি রাত ১০টার পর থেকে ভোর হবার পূর্ব পর্যন্ত ডাকাতের উপদ্রবহেতু নিরাপত্তার ঝুঁকিতে থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে প্রায়শ জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হবার ঘটনা যে ঘটে তা গণমাধ্যমে পূর্ব প্রকাশিত বহু প্রতিবেদন থেকে জানা যায়।

মতলব-দাউদকান্দি সড়কটি শুধুমাত্র চাঁদপুর জেলাবাসীর জন্যে নয়, পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ভোলা ও ফেনী জেলাবাসীর সড়কযোগে রাজধানী ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাতায়াতের জন্যে জনপ্রিয় তথা বহুল ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠেছে। এমতাবস্থায় এই সড়কটির প্রশস্ততা বৃদ্ধিসহ ব্যাপক উন্নয়ন সময়ের মোক্ষম দাবিতে পরিণত হয়েছে। এ দাবি পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এগিয়ে আসা অতীব প্রয়োজন বলে মনে করি। অন্যথায় সড়কটিতে যানবাহনের ঝুঁকিপূর্ণ চলাচলে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যে বৃদ্ধি পাবে সেটা আর খোলসা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১০২৩৬৬৩
পুরোন সংখ্যা