চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৬ ভাদ্র ১৪২৬, ১০ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৪। যখন উহারা প্রতিশ্রুত শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে, বুঝিতে পারিবে, কে সাহায্যকারীর দিক দিয়া দুর্বল এবং কে সংখ্যায় স্বল্প।


২৫। বল, 'আমি জানি না তোমাদিগকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা কি আসন্ন, না আমার প্রতিপালক ইহার জন্য কোন দীর্ঘ মেয়াদ স্থির করিবেন।'


 


 


 


assets/data_files/web

ভিক্ষাবৃত্তি পতিতাবৃত্তির চেয়েও খারাপ। -লেলিন।


 


 


 


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


 


 


 


 


 


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারে আইজিপির আহ্বান
১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরের কৃতী সন্তান, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বিপিএম (বার) বলেছেন, পুলিশের একার পক্ষে অপরাধ দমন করা দুরূহ। অপরাধ দমনে জনগণকে সম্পৃক্ত করা অপরিহার্য। তিনি এজন্যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে জনগণকে সাথে নিয়ে অপরাধ দমনে কাজ করার জন্যে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি গত রোববার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা, চাঁদপুর, নওগাঁ, গাইবান্ধা ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারদের ব্রিফিংকালে এই আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, জনগণ বিপদে পড়ে অসহায় অবস্থায় পুলিশের কাছে সাহায্যের জন্যে আসে। থানায় আসা মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। তাদের সমস্যা ও অভিযোগের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নিতে হবে। থানা হবে জনগণের আস্থার জায়গা। তিনি বলেন, উন্নত দেশের উপযোগী করে পুলিশ বাহিনীকে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। সর্বস্তরে সততা ও শুদ্ধাচার চর্চার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।



অনেকের ধারণা এই যে, বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের প্রবক্তা যেহেতু সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, কাজেই বর্তমান আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারে আগ্রহী নন। কিন্তু এটি যে ভ্রান্ত ধারণা সেটি বর্তমান আইজিপি তাঁর অধঃস্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তাঁর বক্তব্য ও নির্দেশনাকালে বার বার উচ্চারণ করছেন।



'পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ' এটি হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের শ্লোগান। এই শ্লোগানে উদ্ধুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট চাঁদপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম। পরে আস্তে আস্তে এই কার্যক্রম সারাদেশে বিস্তার লাভ করে। কিন্তু এই কার্যক্রম টেকসই হয়েছে চাঁদপুরে। ফলে চাঁদপুরের কমিউনিটি পুলিশিং সারাদেশের জন্যে মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বর্তমান আইজিপি যখন অতিরিক্ত আইজিপি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তখন তিনি চাঁদপুরের কমিউনিটি পুলিশিংয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান ও সমাবেশে বার বার যোগদান করে কমিউনিটি পুলিশিং সম্পর্কে তাঁর সুস্পষ্ট অভিমত ব্যক্ত করেন এবং তাঁর নিজ জেলায় এই পুলিশিংয়ের সাফল্য সম্পর্কে আত্মশ্লাঘা প্রকাশ করেন।



সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদপুরের বিদায়ী পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বিপিএম, পিপিএম জেলা পুলিশের উদ্যোগে চাঁদপুর পৌরসভা ও চেম্বার অব কমার্স সহ অন্য কয়েক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র ডাকাতিয়া নদীর উত্তর পাড়ে ২৬টি পয়েন্টে ৬৪টি সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে পাড়া-মহল্লাকে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের চাঁদপুর শহরস্থ ১৫টি অঞ্চল কমিটির মাধ্যমে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। ইতঃমধ্যে সে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজও শুরু হয়ে গেছে। তিনি চাঁদপুর থেকে বিদায় নেয়ার প্রাক্কালে জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির কার্যালয়ের ব্যবস্থা করে গেছেন এবং পুরো জেলাব্যাপী বিদ্যমান ১৯২২টি কমিটিকে পুনর্গঠন করে অনুমোদন দিয়ে গেছেন। যে কাজটি করতে অতীতের অনেক পুলিশ সুপারই সাহস করেন নি।



সত্যি কথা বলতে কি, অপরাধ দমনে জনগণকে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের যেমন অপরিহার্যতা রয়েছে, তেমনি পুলিশকে জনবান্ধব করতেও সেটি রয়েছে। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চাঁদপুর। এর ফলে চাঁদপুর পুলিশিং করার সহজ ক্ষেত্রে শুধু পরিণত হয়নি, জনগণের মধ্যে আইনমান্যতার সংস্কৃতিও বেড়ে চলছে। অতএব, আইজিপির আহ্বান অনুযায়ী বর্তমান সময়টা হচ্ছে চাঁদপুরের মতো সারাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার মোক্ষম সময়। পুলিশের পাওয়ার এন্ড ফাংশনকে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে যদি সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত মাত্রায়ও ডেলিগেট করা যায় তাহলে এর সুফল যতোটা জনগণ ভোগ করবে, তারচে' বেশি স্বস্তি ভোগ করবে পুলিশ প্রশাসন-এটা আমাদের বিশ্বাস ।



 


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ২,২৩,৪৫৩ ১,৬২,২০,৯০০
সুস্থ ১,২৩,৮৮২ ৯৯,২৩,৬৪৩
মৃত্যু ২,৯২৮ ৬,৪৮,৭৫৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৪৭৩৬২
পুরোন সংখ্যা