চাঁদপুর, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
মাদ্রাসা শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করা হোক
২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ ভীষণ ধর্মপরায়ণ। একাধিক সন্তান জন্ম নিলে হয় বড় জনকে মাদ্রাসায় ভর্তি করায় কিংবা ছোটজনকে। সন্তানরা হাফেজে কোরআন হলে, ইসলামী শিক্ষায় দীক্ষিত হলে পিতা তার পরকালে চিরশান্তির জান্নাত পেতে পারে_এমন প্রগাঢ় বিশ্বাস থেকে সন্তানকে নিকটবর্তী কিংবা দূরবর্তী মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে সন্তান কিংবা সন্তানের মায়ের মতামতকে সাধারণত গুরুত্বই দেয়া হয় না। সন্তানকে মাদ্রাসায় দেয়ার ক্ষেত্রে মাদ্রাসার মান বিবেচনা করার বিষয়টিও অনেক পিতা বা অভিভাবক মাথায় রাখেন না।



মাদ্রাসা ভবনটি স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে অবস্থিত কি না, পরিচালক ভালো আলেম কি না, তিনি আমল-আখলাকে ভালো কি না, শিক্ষকম-লী দক্ষ কি না, আবাসিক অবস্থা ভালো কি না, খেলার মাঠ আছে কি না, নিকটবর্তী স্থানে মসজিদ আছে কি না, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতে পড়ার ব্যবস্থা আছে কি না ইত্যাদি বিষয় খুব অল্পসংখ্যক পিতা/মাতা বা অভিভাবক আগাম যাচাই-বাছাই কিংবা বিবেচনা না করেই তার সন্তানকে মাদ্রাসায় ভর্তি করান। যার ফলস্বরূপ কেউ কেউ সন্তানকে মাদ্রাসায় দিয়েও স্বস্তিতে থাকেন না। মাদ্রাসা থেকে ছুটি নিয়ে কিংবা মাদ্রাসা বন্ধ থাকলে সন্তান বাড়ি ফিরে পিতা-মাতা, বড় ভাই-বোন কিংবা অন্য অভিভাবকের কাছে ব্যক্ত করে নানান অসুবিধার কথা। কেননা সব মাদ্রাসাই মমিনপুর, মমিনবাড়ি, হাজীগঞ্জ আলিয়া, ফরিদগঞ্জ আলিয়া ইত্যাদি বিখ্যাত মাদ্রাসার মতো নয়। কোনো কোনো মাদ্রাসায় ভালো হোস্টেল আছে। আবার কোনো কোনো মাদ্রাসায় হোস্টেলের পরিবর্তে আবাসনের জন্যে মসজিদের ফ্লোর কিংবা মাদ্রাসার ফ্লোরকে ব্যবহার করা হয়। কোনো কোনো মাদ্রাসায় মাঠ থাকাতো দূরের কথা, সামান্য আঙ্গিনাও থাকে না। বদ্ধ ঘরেই চলে শিক্ষাদীক্ষা। এতে হাঁফিয়ে উঠে অনেক শিক্ষার্থী। এদের কেউ কেউ মুখ বুঁজে সেটি সহ্য করে, আবার কেউ কেউ বিদ্রোহী হয়। কখনো পিতা-মাতা বা অভিভাবককে জানায় পরিত্রাণ পেতে, আবার কখনো না জানিয়ে পালিয়ে যায়। যেমন পালিয়েছে ফরিদগঞ্জের চর রাঘবরায় দারুল উলুম মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থী ইয়াছিন মোল্লা (১১)। গত ২৪ আগস্ট থেকে সে নিখোঁজ এবং এ ঘটনার ৫৬ দিন পর তার বাবা থানায় জিডি করেছেন।



আমরা কোনোভাবেই মাদ্রাসা শিক্ষার বিরোধী নই। তবে মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী, আধুনিক ও আনন্দদায়ক করার পক্ষপাতী। এমনটি ইসলাম সম্মতভাবে করার জন্যেই আমরা মাদ্রাসা-পরিচালকদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাতে চাই। এ অনুরোধটি রক্ষা করা হলে আমাদের বিশ্বাস, মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া এবং পালিয়ে যাওয়া বা নিখোঁজ হবার হার অনেক কমে যাবে।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯১৩৩৩
পুরোন সংখ্যা