চাঁদপুর, শুক্রবার ৮ নভেম্বর ২০১৯, ২৩ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


০১। আল্লাহ অবশ্যই শুনিয়াছেন সেই নারীর কথা, যে তাহার স্বামীর বিষয়ে তোমার সহিত বাদানুবাদ করিতেছে এবং আল্লাহর নিকটও ফরিয়াদ করিতেছে। আল্লাহ তোমাদের কথোপকথন শোনেন, আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।


 


 


 


 


assets/data_files/web

কুৎসিত মন একটি সুন্দর মুখের সমস্ত সৌন্দর্য কেড়ে নেয়। -স্পেন্সার।


 


 


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে তার ভালো ও পরিচ্ছন্ন কথা বলা উচিত অথবা নীরব থাকা বাঞ্ছনীয়। পরিচ্ছন্ন কথা হচ্ছে দান কাজের সমতুল্য।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কিছু লোক আস্থা অর্জন শেষে যা করে
০৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমাদের সমাজে উৎসাহী ও উদ্যমী কিছু পুলিশ কর্মকর্তাসহ সরকারি কর্মকর্তা এমন কিছু অস্বাভাবিক কিংবা অসাধারণ কাজ করেন, যা সরকার প্রধান ও কর্তাব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এজন্যে তারা ভালো জায়গায় পোস্টিং সরকারের আস্থার ভিত্তিতে পুরস্কার হিসেবে পেয়ে থাকেন। এদের ২-৪ জন এই আস্থা ও পুরস্কারকে পুঁজি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যে যেটা ইচ্ছা সেটাই করেন। এর মধ্যে যে কতোটা অন্যায় ও অবৈধ কাজ হয়ে যায় তার হিসাব রাখার বিষয়টিও তারা ভুলে যান। ফলে লোভে পাপ, পাপে মৃত্যুও হয় এদের। সাম্প্রতিক সময়ে এমন একজন বহুল আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হচ্ছেন হারুনুর রশিদ। যিনি গাজীপুরে কাঙ্ক্ষিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় পুলিশ সুপার পদে অধিষ্ঠিত থেকে নারায়ণগঞ্জে বদলি হয়েছেন। বদলির পর গাজীপুরে থাকাকালীন তিনি কীভাবে কোটি কোটি টাকা কামাই করে অর্থের পাহাড় গড়েছেন সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তারপরও তিনি নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সুপার হিসেবে বহাল তবিয়তে থেকে একই কায়দায় টাকা কামাইয়ে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের বাইরে খোদ রাজধানীতে এসে যখন তিনি হাত লম্বা করে এক ব্যবসায়ীর কর্মচারীদের এবং স্ত্রী-সন্তানকে আটক করে মুক্তিপণের ন্যায় অর্থ দাবি করতে গেলেন, তখনই ওই ব্যবসায়ী (শ্বশুর অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা হওয়ায়) সাহস করে জায়গামত অভিযোগ করে বসলেন। কেল্লা ফতে। সরকার বিব্রতবোধ করলো এবং নারায়ণগঞ্জের বিতর্কিত এসপি উক্ত হারুনুর রশিদকে প্রত্যাহার করলো।



আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অনেকের ত্যাগ-তিতিক্ষামূলক কর্মকা-সহ কিছু অসাধারণ কর্মকাণ্ডে সরকারদলীয় প্রধানসহ শীর্ষনেতারা তাদের প্রতি ভীষণ সন্তুষ্ট হন অর্থাৎ তারা আস্থাভাজন হন। মূল্যায়নস্বরূপ তাদেরকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত করেন। কারো জন্যে এমন পদ মেঘ না চাইতে বৃষ্টির মতো হয়ে যায়। এদের ২-৪ জন এমন মূল্যায়নকে হজম করতে পারেন না, বরং একে পুঁজি করে চাঁদাবাজি, ধান্ধাবাজি, থানায় তদবির, প্রশাসনিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ, নিয়োগ বাণিজ্য, বালুদস্যুতা, ভূমিদস্যুতা, মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে সুবিধা ভোগ, কমিটি বিক্রয় তথা দলের অভ্যন্তরে স্বৈরতান্ত্রিকতা, জাটকা নিধনকারী ও মা ইলিশ নিধনকারীদের থেকে অর্থ গ্রহণ, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন স্থানে অযাচিত হস্তক্ষেপে লিপ্ত হয়। এরা সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার নজর এড়ানোর চেষ্টা করেন, নগণ্য সংখ্যক কর্মকর্তাকে ম্যানেজও করেন। এরা চলমান শুদ্ধি অভিযানেও তাদের কোনো অপকর্মই বন্ধ করেননি, বরং কেউ কেউ মাত্রা বাড়িয়েও দিয়েছেন। এদের দোর্দ- প্রতাপে মুখ খোলার সাহস পান না নিরীহ কোনো মানুষই। কারণ, নিশ্চিত হয়রানি যে অপেক্ষমান থাকে।



সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় কর্মকর্তাদের মাঝে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হলে সততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত গোয়েন্দা সংস্থার ভ্রাম্যমাণ দলের জেলায় জেলায় ভিজিট করা প্রয়োজন এবং নিরীহ সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের পরিত্রাণ দিতে এদের রিপোর্টের ভিত্তিতে দ্রুত কাজ করা দরকার। অন্যথায় চলমান শুদ্ধি অভিযান একসময় থেমে যাবে এবং প্রশাসন ও দলে ঘাপটি মেরে থাকা অসৎ লোকগুলো আস্থার লেবাসে পার পেয়ে যাবে বলে সুধীজন মনে করছেন।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১০০৬৫৫
পুরোন সংখ্যা