চাঁদপুর, শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


১৬। এবং আকাশ বিদীর্ণ হইয়া যাইবে আর সেই দিন উহা বিশ্লিষ্ট হইয়া পরিবে।


১৭। ফিরিশ্তাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকিবে এবং সেই দিন আটজন ফিরিশ্তা তোমার প্রতিপালকের আরশকে ধারণ করিবে তাহাদের ঊধর্ে্ব।


 


assets/data_files/web

বেদনা হচ্ছে পাপের শাস্তি।


-বুদ্ধদেব।


 


 


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।


 


ফটো গ্যালারি
বিষয়টি হতাশার
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সিঙ্গাপুরের আদলে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বছর তিনেক আগে সরকার কী তোড়জোড়ই না শুরু করেছিলো। এটাকে লুফে নেয় চাঁদপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল। তিনি চাঁদপুরকে বাংলাদেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলায় রূপান্তরিত করেন, যার সরকার স্বীকৃত নাম হয়ে যায় 'দি সিটি অব হিলশা' (ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর)। চাঁদপুরে হয় জাতীয় মানের ব্র্যান্ডিং সেমিনার, হয় ইলিশ উৎসব এবং ঢাকায় ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যাল। ব্র্যান্ডিংকে কেন্দ্র করে প্রতিমাসে হতে থাকে সভা। এ সভার আলোকে চাঁদপুর বড়স্টেশন মোলহেডে ব্র্যান্ডিং পর্যটন এলকার সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে কিছু সংস্কার সাধন করা হয়। এক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতা দেয় জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর পৌরসভা, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং কিছু ব্যক্তি। ঢাকার ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যালকে উপলক্ষ করে প্রকাশিত হয় আন্তর্জাতিক মানের প্রকাশনা। এই ব্র্যান্ডিংয়ের জন্যে জেলা প্রশাসকসহ চাঁদপুরের মোট ৬ জন সরকারি কর্মকর্তা পান জনপ্রশাসন পদক। ব্র্যান্ডিংয়ের মাসিক সভার সিদ্ধান্তের আলোকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে মোলহেডে শুরু হয় দেশের বৃহত্তম ইলিশ ভাস্কর্যের নির্মাণ কাজ। এই ভাস্কর্যকে ঘিরে চারদিকে সেলফি জোন তৈরির নিমিত্তে নানা রকম আলোকসজ্জা, চাঁদপুরের আট উপজেলার উল্লেখযোগ্য প্রতীক, ফোয়ারা, সবুজ ঘাসের গালিচা ও ইলিশ সম্পর্কিত নানান তথ্য সংযোজন করার কথা। কিন্তু ইট-সিমেন্ট-রডের কাজে ইলিশ ভাস্কর্যকে রং-বিহীন অবস্থায় দৃশ্যমান করে এবং চারপাশে এসএস-এর পাইপ দ্বারা বেষ্টনী নির্মাণ করে চুপসে আছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেজন্যে অর্ধ সমাপ্ত অবস্থায় ইলিশ ভাস্কর্যটি পড়ে আছে, যে কারণে পর্যটকদের নিকট সামগ্রিক সৌন্দর্যে এটি প্রতিভাত হতে পারছে না। তবে দ্রুতই বাকি কাজ সম্পাদনের হালকা আশ্বাস দিয়েছেন পাউবো, চাঁদপুর-এর নির্বাহী প্রকৌশলী।



চাঁদপুরসহ দেশের অন্যান্য জেলায় ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম যে কিছুটা স্থবিরতায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে সেটা আন্দাজ করা যায়। কারণ, জেলা ব্র্যান্ডিং নিয়ে পূর্বের ন্যায় ভিডিও কনফারেন্স হচ্ছে না এবং দৃশ্যমান তাগিদও লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। চাঁদপুরের মূল আকর্ষণ হিসেবে খ্যাত তিন নদীর মিলনস্থল মোলহেডে 'ব্র্যান্ডিং পর্যটন এলাকা' লিখিত সাইনবোর্ডটিও এখন আর চোখে পড়ে না, ইলিশ ভাস্কর্যের কাজ শেষ হওয়া দূরে থাক। এটা অবশ্যই হতাশার।



অভিজ্ঞজনদের মতে, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাকে রাতারাতি সিঙ্গাপুরের আদলে গড়ে তোলা সম্ভব না হলেও এ লক্ষ্যে গৃহীত ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমে প্রতিটি জেলার সম্ভাবনাগুলো খুবই আশাব্যঞ্জকভাবে ফুটে উঠেছিলো। সেজন্যে 'সস্নো বাট স্টিডি' পদ্ধতিতে হলেও এই কার্যক্রমটি অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে আমরা মনে করি।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৪৭৪১৬৪
পুরোন সংখ্যা