চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ ২০২০, ১২ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


৩৪। এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করিত না,


৩৫। অতএব এইদিন সেথায় তাহার কোন সুহৃদ থাকিবে না,


৩৬। এবং কোন খাদ্য থাকিবে না ক্ষত নিঃসৃত স্রাব ব্যতীত,


 


 


 


assets/data_files/web

অতিরিক্ত চাহিদাই মানুষের পতনকে ডেকে আনে।


-জন অলকৃট।


 


 


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
এ যেনো যুদ্ধাবস্থায় স্বাধীনতা দিবস!
২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এ বিশ্বে এমন কিছু জাতি আছে, যারা পরাধীনতার শৃঙ্খল টুটে স্বাধীনতা লাভের প্রত্যাশায় মুক্তিযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে বছরের পর বছর সময় অতিক্রম করতে থাকে। তবুও বহুল কঙ্ক্ষিত বিজয়ের দেখা পায় না। যুদ্ধাবস্থাতেই তারা পালন করে স্বাধীনতা ঘোষণার দিবসটি। কিন্তু আমরা এমন এক সৌভাগ্যবান জাতি, যারা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর মাত্র ৮ মাস ২০ দিনের মাথায় ১৬ ডিসেম্বর অর্জন করেছি পরম আরাধ্য বিজয়। এজন্যে হয়েছে বিপুল রক্তক্ষয়, দিতে হয়েছে তিরিশ লক্ষ প্রাণ, সম্ভ্রমহানি হয়েছে দুলক্ষ মা-বোনের, সম্পদহানি হয়েছে ব্যাপক। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর মতো নেতার নির্দেশে তাঁর পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণার পর তাঁর বন্দীদশাতেই সমগ্র জাতি মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে একাত্ম হয়ে জনযুদ্ধে লিপ্ত হবার কারণেই রেকর্ড পরিমাণ স্বল্প সময়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। যার ফলে ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ আমরা মুক্ত-স্বাধীন অবস্থাতেই পালন করেছি প্রথম স্বাধীনতা দিবস, যেটি একই বছরের ২২ জানুয়ারি সরকারি এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্যাপনের ও ছুটির দিন হিসেবে পালনের নির্দেশনা আসে।



উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বিশ্বের সব দেশেই স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস একই তারিখে উদ্যাপিত হয় না। সাধারণত পুরানো দেশগুলো তাদের জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো ঘটনার স্মারক হিসেবে বছরের নির্দিষ্ট একটি দিনকে জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্যাপন করে। আর নূতন দেশগুলো তাদের স্বাধীনতা দিবসকেই জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্যাপন করে। বাংলাদেশ তেমনই একটি দেশ, যদিও এ দেশটি খুবই নূতন একটি দেশ নয়। কেননা এ দেশটিতে আজ উদ্যাপিত হবে ৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। সে হিসেবে দেশটি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে আছে।



এবারের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে তথা মুজিববর্ষে আশাব্যঞ্জক জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে উদ্যাপিত হবার কথা ছিলো। কিন্তু সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাসের কারণে মহামারী হিসেবে ছড়িয়ে পড়া 'কোভিড-১৯'-এর কারণে একেবারে সাদামাটাভাবে উদ্যাপিত হবে। সারাবিশ্ব যেমন এই মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত, আমাদের অবস্থাও তা-ই। সেজন্যে আমরা একটি যুদ্ধাবস্থাতেই যেনো পালন করতে যাচ্ছি এবারকার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। সে কারণে আজকের দিনে আনন্দের আতিশয্য থাকবে না, থাকবে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা এবং মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের প্রত্যয়। আমাদের বিশ্বাস, কিছু সাবধানতা অবলম্বন ও ব্যাপক স্বাস্থ্য সচেতনতার মাধ্যমে আমরা এ যুদ্ধে বিজয়ী হবোই। সর্বোপরি মহান সৃষ্টিকর্তার অপার দয়া এবং অশেষ আনুকূল্য তো থাকতে হবেই। আমরা আজকের এইদিনে পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার কাছে সেটিই বিনম্র চিত্তে প্রত্যাশা করছি এবং তাঁর সমীপে আকুল প্রার্থনা নিবেদন করছি।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭১৪৭৬০
পুরোন সংখ্যা