চাঁদপুর, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬, ০৪ শাবান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা শত ছাড়ালো : চাঁদপুরে আরো ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, জেলা মোট আক্রান্ত ১৮০
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা ঃ


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


 


২০। 'আমি জানিতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হইতে হইবে।'


২১। সুতরাং সে যাপন করিবে সন্তোষজনক জীবন;


২২। সুউচ্চ জান্নাতে


 


আল হাদিস


 


যা ইচ্ছা আহার করতে পারো, যা ইচ্ছা পরিধান করতে পারো, যদি তোমাকে অপব্যয় ও গর্ব স্পর্শ না করে।


বাণী চিরন্তন


মধুর ব্যবহার লাভ করতে হলে মাধুর্যময় ব্যক্তিত্বের সংস্পর্শে আসতে হয়। -উইলিয়াম উইন্টার।


 


 


 


 


 


আমার নিজের সৃষ্টিকে আমি সবচেয়ে ভালোবাসি।


-ফার্গসান্স।


 


 


 


পুরাতন কাপড় পরিধান করো, অর্ধপেট ভরিয়া পানাহার করো, ইহা নবীসুলভ কার্যের অংশ বিশেষ।


 


ফটো গ্যালারি
মুদ্রিত সংবাদপত্রে সঙ্কট
৩০ মার্চ, ২০২০ ১৭:২৯:০৪
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলা সদর থেকে অন্তত ১৪টি দৈনিক পত্রিকা প্রায় নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছিলো। সাথে ছিলো কিছু সাপ্তাহিক। বর্তমানে সব ক’টি বন্ধ। কারণ একটাই এবং সেটি হচ্ছে করোনা ভাইরাসের ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কায় অঘোষিত লকডাউন। সরকারের নির্দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সব ধরনের গণপরিবহন, ৯৫ ভাগ দোকানপাট, সভা-সমাবেশ, বিয়ে সহ সামাজিক ও সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান, অফিস-আদালত সহ আরো অনেক কিছুই বন্ধ। মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে অনেকটাই গৃহবন্দী। এই যে লকডাউনের মতো অবস্থা, তাতে সৃষ্ট স্থবিরতায় জীবন বাঁচানোর প্রয়োজনে নির্দিষ্ট কিছু উপকরণ সংগ্রহ ছাড়া মানুষ আর অন্য কিছুতে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় ঘরে বিদ্যমান টেলিভিশন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানুষ যতোটুকু সংবাদ আহরণ ও বিনিময় করতে পারছে, তারচে’ বেশি কিছু হিসেবে মুদ্রিত সংবাদপত্রকে আর তেমন প্রয়োজন মনে করছে না। ফলে মুদ্রিত সংবাদপত্রে সৃষ্টি হয়েছে সঙ্কট। এ সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসাটা যে কষ্টকর হয়ে যাবে তা সহজেই অনুমেয়।

মুদ্রিত ও অমুদ্রিত (অনলাইন) সংবাদপত্র মানেই পাঠকনির্ভর প্রতিষ্ঠান। পাঠক কম তো সেই সংবাদপত্রের মূল্যায়ন কম। দেশে চলমান ‘লকডাউন’ পরিস্থিতিতে অনলাইন সংবাদপত্রের পাঠক বাড়লেও মুদ্রিত সংবাদপত্রের পাঠক অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। ফলে পত্রিকা বিক্রেতারা লসের সম্মুখীন হয়ে কর্মবিরতি পালন করছে। করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবং অঘোষিত লকডাউন প্রত্যাহার করা না হলে মুদ্রিত সংবাদপত্র সমূহ বিশেষ করে চাঁদপুরের দৈনিক পত্রিকাসমূহ খুব দ্রুত পাঠকের হাতে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। এতে সংবাদপত্রে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সঙ্কটের আবর্তে ঘুরপাক খাবে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সারাদেশের মুদ্রিত সংবাদপত্রের জন্যে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু একটা করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে আমরা মনে করি।


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২০১৬৫০
পুরোন সংখ্যা