চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০১৬। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩। ৮ রমজান ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৪-সূরা নূর

৬৪ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মাদানি’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৬। এবং যাহারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাহাদের কোনো সাক্ষী নাই, তাহাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হইবে যে, সে আল্লাহর নামে চারিবার শপথ করিয়া বলিবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


নামে মানুষকে বড় করে না, মানুষই নামকে জাকাইয়া তোলে।  

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


যে কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্যে দোয়া করলে তা অতি সত্বর কবুল হয়।

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
জেলা সিএনজি স্কুটার মালিক-শ্রমিক সমিতির নামে চলছে অবৈধ চাঁদাবাজি
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
১৪ জুন, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর জেলা সিএনজি স্কুটার মালিক-শ্রমিক সমিতির নামে চলছে দু গ্রুপের অবৈধ চাঁদাবাজি। তাদের চাঁদার কারণে অনেক সিএনজি স্কুটার চালক ভয়ে গাড়ি চালাতে চাচ্ছেন না এখন। এরা দু ভাগে বিভক্ত হয়ে সিএনজি স্কুটার চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিচ্ছে। এই দুই গ্রুপের মধ্যে মালিক পক্ষের রয়েছে চাঁদপুর ও শাহরাস্তির গ্রুপ এবং শ্রমিক পক্ষের রয়েছে চাঁদপুর ও ফরিদগঞ্জের ফকিরবাজার এলাকার গ্রুপ। মালিক সমিতির একাংশের দাবিকৃত সভাপতি শাহরাস্তি এলাকার আবুল হোসেন এবং চাঁদপুরের শাহাবুদ্দিন, কাজী ফারুক ও সোহাগ। আর শ্রমিক পক্ষের নেতৃবৃন্দ হচ্ছেন এক পক্ষের রিপন হোসেন ও অপর পক্ষের চাঁদপুরের খোকন। এরা মিলেমিশেই তাদের লোকজনদেরকে দিয়ে সিএনজি স্কুটারের চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে কিছু টাকা ট্রাফিক পুলিশকে দিয়ে বাকি টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নিচ্ছেন।

শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, ফকিরবাজারসহ শহরের বেশ কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিএনজি স্কুটার চালক কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের জানান, আমরা মালিকের ভাড়া গাড়ি চালানোর পরও পথে পথে ট্রাফিক পুলিশদের চাঁদা দিতে হয়। অনেক সময় শহরের কালীবাড়ি কিংবা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যদি সিরিয়ালে গাড়ি রাখি তখনও ট্রাফিক পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। আমরা ঠিকমতো যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছি না। আর সেখানে যদি শহরের বাইরে শাহরাস্তি কিংবা ফরিদগঞ্জ, ফকিরবাজার এলাকায় আমরা গাড়ি নিয়ে যাই, প্রতিবার আসা-যাওয়া বাবদ অনুমোদন বিহীন জেলা সিএনজি স্কুটার মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের নামে রসিদ বাবদ চাঁদা দিতে হয় আমাদেরকে। চাঁদা দিতে দেরি হলে তাদের কালেকশেন কর্মীরা আমাদের উপর নানাভাবে অত্যাচার করে।

চালকরা আরো জানান, জেলা সিএনজি স্কুটার মালিক-শ্রমিক নামে যে সমিতি চলছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ। ক্ষমতাসীন দলের ক'জন নেতা-কর্মী তাদের পকেট ভারী করার জন্য এ অবৈধ কাজটি করে যাচ্ছেন। এ বিষয় প্রশাসনও জানে। আমরা বিশেষ করে ফরিদগঞ্জ এলাকায় গেলে ওই সমস্ত এলাকার কালেকশান কর্মী মোস্তফা, জহির, বিল্লাল, অহিদ প্রধান, শাহরাস্তির আবুল ও সুমন মজুমদার আমাদের কাছ থেকে তাদের লোকজনদেরকে দিয়ে টাকা নেয়। তারা এ টাকা শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় করবে বলে উত্তোলন করে। কিন্তু কোনো চালকই এটার সুফল পাননি।

গতকাল সন্ধ্যায় মালিক পক্ষের একাংশ শাহরাস্তি এলাকার আবুল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, আমরা দোয়াভাঙ্গা এলাকায় আমাদের সমিতির সদস্যদের গাড়ি থেকে কিছু টাকা নেই। কারণ আমার অধীনে ১৫ জন লাইনম্যান কাজ করে। স্ট্যান্ডে প্রতিদিন আমার অনেক টাকা খরচ আছে। তবে আমাদের এখানে ছাড়াও ফরিদগঞ্জে, শহরের মুক্তিযোদ্ধা সড়কে, ফরিদগঞ্জ, ফকিরবাজারে অবৈধভাবে শুনছি কিছু টাকা কে বা কারা যেনো উত্তোলন করছে চালকদের কাছ থেকে। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমাদের কমিটির অনুমোদন থাকলে অন্য কোনো কমিটির অনুমোদন নেই। তবে আমরা এখন কমই চাঁদা আদায় করছি।

মালিক পক্ষের একাংশের নেতা কাজী ফারুকের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি জানান, আসলে মালিক-শ্রমিক নামে যে টাকা উত্তোলন হচ্ছে এটা ঠিক নয়। কিছু সংগঠনের নেতা-কর্মী তাদের পকেট ভারী করার জন্যই এ কাজটি করছে। আমরা এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত নেই।

শ্রমিকদের সভাপতি রিপনের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, শ্রমিকদের নাম ভাঙিয়ে শুনেছি অনেক জায়গাই টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনিভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৬৩৮২৪
পুরোন সংখ্যা