চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০১৬। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩। ৮ রমজান ১৪৩৭
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৪-সূরা নূর

৬৪ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মাদানি’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৬। এবং যাহারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাহাদের কোনো সাক্ষী নাই, তাহাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হইবে যে, সে আল্লাহর নামে চারিবার শপথ করিয়া বলিবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


নামে মানুষকে বড় করে না, মানুষই নামকে জাকাইয়া তোলে।  

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


যে কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্যে দোয়া করলে তা অতি সত্বর কবুল হয়।

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
অভ্যন্তরীণ খাদ্য শস্য সংগ্রহ-২০১৬
সরকার চাঁদপুর থেকে ৮ হাজার ৭৬৯ মেঃ টন ধান কিনবে
লক্ষ্যমাত্রার ১%ও অর্জিত হয়নি
মিজানুর রহমান
১৪ জুন, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


অভ্যন্তরীণ খাদ্য শস্য সংগ্রহ-২০১৬-এর আওতায় সরকার এবার চাঁদপুর জেলা থেকে ৮ হাজার ৭৬৯ মেঃ টন বোরো ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ইতিমধ্যে ৮ উপজেলায় ধান কেনা শুরু হয়ে গেছে। কৃষক তাদের উৎপাদিত শুকনো ও বাছাইকৃত ধান বিক্রির জন্যে চাঁদপুর কেন্দ্রীয় সরকারি খাদ্য গুদাম (সিএসডি) এবং উপজেলা খাদ্য গুদামে নিয়ে আসছে। কৃষক ২৩ টাকা কেজিতে সরকারের কাছে ধান বিক্রি করছে। তবে বিভিন্ন ঝামেলা পোহাতে হয় বলে এ জেলার অধিকাংশ কৃষক সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে তেমন আগ্রহী নন। কারণ, সরকারের কাছে ধান বিক্রিতে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কঠিন এবং চিটা ধানের পরিমাণ বেশি দেখায়। এমন অভিযোগ সাধারণ কৃষকের।



সরজমিনে চাঁদপুর সিএসডিতে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণ আশিকাটির কৃষক মুরাদ হোসেন দুই মেট্রিক টন ও কল্যাণপুর ইউনিয়নের কল্যান্দী গ্রামের সিরাজ খান ১৮ মণ বিআর-২৯ ধান বিক্রি করেছে। তাদের তেমন ঝামেলা পোহাতে হয়নি।



সিএসডি গুদামের ব্যবস্থাপক সালমা আক্তার জানান, কৃষকের ধান কৃষকরা বিক্রি করছে। তাদের নামেই ব্যাংক একাউন্টে টাকা পরিশোধ হচ্ছে। কোনো কৃষক ধান বিক্রিতে সমস্যায় যাতে পড়তে না হয় আমরা সেই দিকটি দেখছি। কৃষকের অর্থ প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করার জন্যে ব্যাংকের ম্যানেজারকে ফোন করে অনুরোধ করা হচ্ছে।



চাঁদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা যায়, ৮ উপজেলার ৮৮টি ইউনিয়নের কৃষক তালিকা চেয়ে এবার ধান সংগ্রহ করছে। জেলা ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থেকে কৃষকের তালিকা চাওয়া হয়েছে। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। গত ৫ জুন পর্যন্ত ৬০ ইউনিয়নের ১ হাজার ১৩৩ জন কৃষকের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহ হয়েছে ৩০৮.৮০০ মেঃ টন। যা লক্ষ্যমাত্রার ১%ও হবে না। তবে ধান কেনার কার্যক্রম ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। ওই অফিস আরও জানায়, চাঁদপুর সদরে ৮০৭ মেঃ টন, ফরিদগঞ্জ ১৪১৪ মেঃ টন, হাজীগঞ্জে ১৪০৭ মেঃ টন, শাহরাস্তিতে ১৩০২ মেঃ টন, কচুয়ায় ১৬৯৯ মেঃ টন, মতলব দক্ষিণে ৭৪৬ মেঃ টন, মতলব উত্তরে ১২৯ মেঃ টন ও হাইমচর উপজেলা থেকে ৯৭ মেঃ টন ধান সংগ্রহ করার লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরো জেলায় মোট ৮ হাজার ৭৬৯ মেঃ টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।



এদিকে একটি সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২৩ টাকা কেজির ধান সময়মত সরকারি গুদামে ঠিকই পেঁৗছে যায়। সেই ধান মধ্যসত্ত্বভোগী একটি চক্রের হাত ঘুরে কৃষকের ধান গুদামে চলে যায়। বিগত সময় এমনটি হলেও সরকারের ধান ক্রয়ের নীতিমালা পরিবর্তন করায় এবার সেই সুযোগ তেমন থাকছে না বলে আভাস পাওয়া গেছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪৬৭০
পুরোন সংখ্যা