চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০১৬। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩। ৮ রমজান ১৪৩৭
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৪-সূরা নূর

৬৪ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মাদানি’

পরম করুণাাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৬। এবং যাহারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাহাদের কোনো সাক্ষী নাই, তাহাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হইবে যে, সে আল্লাহর নামে চারিবার শপথ করিয়া বলিবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


নামে মানুষকে বড় করে না, মানুষই নামকে জাকাইয়া তোলে।  

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


যে কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্যে দোয়া করলে তা অতি সত্বর কবুল হয়।

-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


ফটো গ্যালারি
হাজীগঞ্জে লাওকোরা মুক্তিযোদ্ধা সড়কের দুরবস্থা
উপজেলা সংবাদদাতা
১৪ জুন, ২০১৬ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

হাজীগঞ্জ উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের লাওকোরা মুক্তিযোদ্ধা সড়কের দুরবস্থা বিরাজ করছে। প্রায় দু' বছর ধরে সড়কটির এমন দুরবস্থা। উয়ারুক স্টেশন থেকে লাওকোরা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এ সড়কটির নামকরণ করা হয় লাওকোরা মুক্তিযোদ্ধা সড়ক। সড়কটি ২০০৯-১০ অর্থ বছরে টংগীরপাড় থেকে বেলঘর রাজাপুরা পর্যন্ত পাকা করা হয়। এর মধ্যে সড়কটিতে আর কোনো সংস্কার না করায় বর্তমানে সড়কটির লাওকোরা, নোয়াপাড়া ও টংগীরপাড় অংশে জায়গায় জায়গায় ভেঙ্গে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষায় বৃষ্টির পানি জমে গর্তগুলো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ চলাচল করে। সড়কটির অবস্থা করুণ হওয়ায় এলাকার সকলকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। চাকুরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্যে এ দুর্ভোগ প্রকট আকার ধারণ করছে দিনের পর দিন। সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও রিক্সায় করে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করে এ সড়কটি দিয়ে। কচুয়া উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ লাওকোরা থেকে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় করে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে উঠে। এছাড়াও প্রতিদিন মিনি ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে নির্মাণ সামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল পারাপার করা হয়। আর প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে হাজার হাজার মানুষকে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

লাওকোরা ৩নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য রহমত উল্যাহ ভূঁইয়া জানান, দু' বছর ধরে সড়কটির দুরবস্থার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগে রয়েছে এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সড়কটির বেহালদশা সম্পর্কে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালক মামুন মুন্সি জানান, সড়কটি অনেকদিন ধরে বেহালদশা। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় গর্ত বা ভাঙ্গা দেখা যায় না। কোনো অসুস্থ মানুষকে নিয়ে সময় মতো হাসপাতালে পৌছানো সম্ভব হয় না। প্রতিদিনই আমাদের গাড়ির কিছু না কিছু অকেজো হয়ে পড়ছে।

উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শাহজাহান জানান, সড়কটির বেহালদশা সম্পর্কে আমার জানা আছে। আগামী ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৮০১৯৩
পুরোন সংখ্যা