চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৭। ২৯ পৌষ ১৪২৩। ১৩ রবিউস সানি ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৮৪। ‘এবং ভয় করো তাঁহাকে যিনি তোমাদিগকে ও তোমাদের পূর্বে যাহারা গত হইয়াছে তাহাদিগকে সৃষ্টি করিয়াছেন।’


১৮৫। উহারা বলিল, ‘তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত’। 


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।


       -সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়/পালামৌ। 

যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, তিনিই মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।       


শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারীসহ ৫৯ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের শপথগ্রহণ
স্টাফ রিপোর্টার
১২ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারীসহ দেশের ৫৯ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শপথ নিয়েছেন। গতকাল বুধবার সকালে তাঁরা শপথগ্রহণ করেন। শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ১০টায় ঢাকার তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চাঁদপুরসহ দেশের ৫৯টি জেলার নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একযোগে শপথগ্রহণ করেন।



শপথবাক্য পাঠকালে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসাইন এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর সাথে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাম-লীর সদস্য, চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ দীপু মনিসহ সংসদ সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহাম্মেদসহ বিভিন্ন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।



শপথগ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ এবং তাঁর সাথে কথা বলেন আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী। এ সময় ওচমান পাটওয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পা ছুঁয়ে সালাম করেন এবং তাঁর দোয়া নেন। পরে ধানমন্ডিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিধন্য ৩২ নম্বরের বাসায় যান আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী। তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী সেখানে দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলকে সাক্ষাৎকারও প্রদান করেন আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী।



এদিকে গত দু'দিন ঢাকায় অবস্থানকালে আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম এমপি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তাঁর সফরসঙ্গীর মধ্যে ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাটওয়ারী, চাঁদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান কালু ভঁূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন মোঃ বাবর, চাঁদপুর পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নূরুল ইসলাম নূরু, অর্থ সম্পাদক ওমর পাটওয়ারী, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাগাদী ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বিল্লাল, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবুসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের তিন শতাধিক নেতা-কর্মী ও সমর্থক।



উল্লেখ্য, ২০০০ সালে আইন পাস হওয়ার ১৬ বছর পর গত ২৮ ডিসেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবশ্য আইনি জটিলতার কারণে ওইদিন কুষ্টিয়া ও বগুড়া জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। এছাড়া আইনের পৃথক বিধান থাকায় ৩ পার্বত্য জেলা (বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি) এ নির্বাচনের আওতায় ছিলো না।



জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই শুধু ভোটার ছিলেন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অনেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় অনেক জেলায় বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। চাঁদপুরে চেয়ারম্যান পদে কাউকে দলীয়ভাবে সমর্থন দেয়া হয়নি। এ জেলায় চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনজনই আওয়ামী লীগ নেতা। এঁদের মধ্যে আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী প্রায় দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অ্যাডঃ নূরুল আমিন রুহুল।



শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের লক্ষ্য হবে মানুষের সেবা করা। আপনাদের নিজ নিজ জেলায় উন্নয়ন কাজ যথাযথভাবে হচ্ছে কি-না সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কী কী করলে আরও উন্নয়ন করা যায় সেদিকেও খেয়াল রাখবেন। মনে রাখতে হবে, আপনাদের অনেক কাজ। অনেক বাধা ও চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে উন্নয়নের মহাসোপানে পা রেখেছে বাংলাদেশ। এটা যেনো আর পেছনের দিকে না যায়। নির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৭৯৬৯৮
পুরোন সংখ্যা