চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০১৭। ৭ চৈত্র ১৪২৩। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • উচ্চ মাধ্যমিকে পাস ৬৮.৯১ শতাংশ
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৫। ‘তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীকে ছাড়িয়ে পুরুষে উপগত হইবে? তোমরা তো এক অজ্ঞ সম্প্রদায়।’ 


৫৬। উত্তরে তাহার সম্প্রদায় শুধু বলিল, ‘লূত-পরিবারকে তোমাদের জনপদ হইতে বহিস্কৃত কর, ইহারা তো এমন লোক যাহারা পবিত্র সাজিতে চাহে।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কলমকে হৃদয়ের জিহ্বা বলা যায়।     -কারভেনটেস।

যে মুসলমান অবৈধ (হারাম) বস্তু হইতে দূরে থাকে ও ভিক্ষাবৃত্তি হইতে দূরে থাকে, যাহার শুধু একটি পরিবার (স্ত্রী), খোদাতায়ালা তাহাকেই ভালোবাসেন।   


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স
ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক তদন্ত
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আতোয়ার রহমান
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জজশীপ সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আতোয়ার রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বিচার ব্যবস্থার সাথে যারা সবচেয়ে বেশি জড়িত তারা হলো পুলিশ বিভাগ। মামলা সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করতে পারলেই ন্যায় বিচার সম্ভব। অনেক সময় সঠিক তদন্ত না হলে মামলার ন্যায় বিচার ব্যহত হয়। সে ক্ষেত্রে প্রকৃত অপরাধীকে সাজা প্রদান করা যায় না। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক তদন্ত। তিনি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, মানব পাচারের ঘটনা থাকলেও চাঁদপুরে মানব পাচার আইনে মামলা হচ্ছে না। মাদকের মামলাগুলোতে বাদী এবং আইও একই ব্যক্তি হওয়া উচিত নয়। মাদকের মামলাগুলোতে বেশি করে সাক্ষী উপস্থিত করতে হবে। প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের উপযুক্ত সাজা প্রদানের মাধ্যমে মাদক নির্মূলে সোচ্চার হতে হবে আমাদেরকে। মাদকের মামলাগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সাক্ষী হাজির করতে হবে।



তিনি আরো বলেন, মাদকের মামলায় বাদীর সাক্ষী কম উপস্থিত হচ্ছে। এ মামলার ক্ষেত্রে আসামীর পূর্ব থেকে মামলা থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করতে হবে। জাল জালিয়াতির মামলার ক্ষেত্রে তদন্ত রিপোর্টের সাথে সিআইডি বা এঙ্পার্ট ওপেনিয়ন কালেক্ট করতে হবে। তা না করা হলে মামলায় প্রকৃত অপরাধী হলেও খালাস পেয়ে যাবে ।



অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ কায়সার মোশাররফ ইউসুফ বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তদন্তের সময়সীমা রয়েছে। এ বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪২ ধারা উল্লেখ করতে হবে। আসামী হাতে নাতে ধৃত হলে ১৫ দিন এবং হাতে নাতে ধৃত না হলে ৬০ দিনের কথা উল্লেখ রয়েছে।



জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সাদী রহমানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কফিলউদ্দিন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার উম্মে হাবিবা মীরা, এএসপি (প্রভি) ফয়েজউদ্দিন, মোঃ জাভেদ, রবিউল ইসলাম, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়ালী উল্লাহ অলি, এপিপি অ্যাডঃ রেজা পাহলভী মজিদ শেলী, এপিপি নাছিমা বেগম, অ্যাডঃ সানজিদা বেগম প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন কোর্ট ইন্সপেক্টর, চাঁদপুর মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টরসহ বিচার বিভাগের কর্মকর্তাগণ।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২৪৭৭৭
পুরোন সংখ্যা