চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০১৭। ৭ চৈত্র ১৪২৩। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৫। ‘তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীকে ছাড়িয়ে পুরুষে উপগত হইবে? তোমরা তো এক অজ্ঞ সম্প্রদায়।’ 


৫৬। উত্তরে তাহার সম্প্রদায় শুধু বলিল, ‘লূত-পরিবারকে তোমাদের জনপদ হইতে বহিস্কৃত কর, ইহারা তো এমন লোক যাহারা পবিত্র সাজিতে চাহে।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কলমকে হৃদয়ের জিহ্বা বলা যায়।     -কারভেনটেস।

যে মুসলমান অবৈধ (হারাম) বস্তু হইতে দূরে থাকে ও ভিক্ষাবৃত্তি হইতে দূরে থাকে, যাহার শুধু একটি পরিবার (স্ত্রী), খোদাতায়ালা তাহাকেই ভালোবাসেন।   


সুলতানাবাদ ইউপির উপ-নির্বাচন জামায়াত-বিএনপির ঘরে নৌকা!
মতলব উত্তর প্রতিনিধি
২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব উত্তর উপজেলার ১৪নং সুলতানাবাদ ইউপির উপ-নির্বাচনে বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীকে এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। প্রার্থী পরিবর্তন করে অন্য জনকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তাকে জামায়াত-বিএনপির ঘরানার উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জামায়াত-বিএনপির ঘরে নৌকা প্রতীক যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন এবং উপজেলার তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ। চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। গত ২৮ মে'১৬ নির্বাচনে এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মনজুর মোর্শেদ স্বপন।



উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় সুলতানাবাদ ইউপির উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে আমিরুল ইসলাম খোকা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়ন জমা দেয়ার সময় তার সাথে দলীয় কোনো নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন না বলে একাধিক সূত্র জানায়।



সুলতানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আঃ করিম সরকার বলেন, সুলতানাবাদ ইউপির উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাকে আমরা কখনোই আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে চিনি না, জানিও না। এমনকি কখনো দলীয় কার্যক্রমে তাকে পাওয়া যায়নি। যে ব্যক্তি দলের সাথে সম্পৃক্ত নেই, যার ভাইয়েরা জামায়াত-বিএনপির সাথে জড়িত, সে জামায়াত-বিএনপির ঘরে কীভাবে নৌকা মনোনয়ন পায়? গত নির্বাচনে যিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন, এবার তাকে দেয়া হয়নি।



ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেন, এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আমি তাকে চিনি না। লোকমুখে শুনেছি তিনি ঢাকায় ব্যবসা করেন। বর্তমানে যিনি নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েছেন তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম পাটোয়ারী জামায়াত নেতা, আরেক ভাই মনিরুল ইসলাম পাটোয়ারী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। যিনি কখনো আওয়ামী লীগ করেন নি, দলীয় কোনো কার্যক্রমে কখনো দেখা যায় নি, এমন এক ব্যক্তিকে নৌকা প্রতীক দিয়ে জামায়াত-বিএনপির ঘরে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন গেলো বলে আমরা মনে করি।



উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক তামজিদ সরকার রিয়াদ বলেন, আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আসলে আমি তাকে চিনি না। আওয়ামী লীগের এক কর্মী সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, যাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছে, দলে তার কোনো ছোঁয়া নেই। তাকে কখনোই সাংগঠনিক কাজে দেখেনি। এছাড়াও একাধিক নেতা/কর্মী ক্ষোভের সাথে জানান তাদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮১৫৯৭
পুরোন সংখ্যা