চাঁদপুর। শুক্রবার ১৯ মে ২০১৭। ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ২২ শাবান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৮। মূসা বলিল, ‘আমার ও আপনার মধ্যে এই চুক্তিই রহিল। এই দুইটি মেয়াদের কোনো একটি আমি পূর্ণ করিলে আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকিবে না। আমরা যে বিষয়ে কথা বলিতেছি আল্লাহ তাহার সাক্ষী।’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

উৎসর্গকৃত জীবনই হচ্ছে সার্থক জীবন। -আলবার্ট আাইনস্টাইন।



ধন থাকলেই ধনী হয় না। ওই ব্যক্তিই প্রকৃত ধনী যাহার হৃদয় প্রশস্ত।


 

ফটো গ্যালারি
ফরাযীকান্দি আল-আমিন এতিমখানা কর্তৃপক্ষের প্রেস ব্রিফিংকালে মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু
নেদায়ে ইসলামকে ধ্বংস করতে মাসউদ আহমাদ মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন
মতলব উত্তর ব্যুরো
১৯ মে, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে কেউ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করবে এটা এ অঞ্চলের ধর্মপ্রাণ মানুষ মেনে নিবে না। প্রতিষ্ঠান ও পীর এক বিষয় নয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি আল-আমিন এতিমখানা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ মঞ্জু এ কথা বলেন।



স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 'নেদায়ে ইসলাম'-এর পরিচালনা কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ শায়খ মোস্তাক আহমাদ ও মরহুম মানযূর আহমাদের দ্বিতীয় ছেলে শায়খ মাসউদ আহমাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ বিরোধের পরিণাম ভোগ করতে হচ্ছে এ অঞ্চলের ধর্মপ্রাণ এলাকাবাসীকে। গত ২০১৪ সালে ঈদের নামাজের সময় তাদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে রফিক নামে একজন নিরীহ লোক নিহত হন। তাদের সেই দ্বন্দ্বের কারণে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নেদায়ে ইসলামের ওরশ উদ্যাপন বন্ধ হয়ে যায়।



মাসউদ আহমাদ ওয়ারিশীয় সম্পত্তি, নেদায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান ও পীর দাবি করে রাষ্ট্রের ২৬টি দপ্তরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ অভিযোগপত্রে গদ্দিনশীন পীর, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য দিয়ে ঘায়েলের চেষ্টা করেন। এমতাবস্থায় নেদায়ে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কমিটির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানো, এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় শায়খ মাসউদ আহমাদের বিরুদ্ধে 'প্রেস ব্রিফিং' করে নেদায়ে ইসলামের অন্তর্ভুক্ত 'আল-আমিন এতিমখানা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শরীফ চৌধুরী। চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহীনের সঞ্চালনায় প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরাম চৌধুরী, শহীদ পাটোয়ারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা জাকির ও মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব আলম লাভলু। এছাড়া স্থানীয় সাংবাদিক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।



'নেদায়ে ইসলাম'-এর কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি একজন ভ- পীর আত্মসাৎ করতে চায় বলে দাবি জানিয়ে আল-আমিন এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ বলেন, গত ১৯৪৯ সালে আল্লামা শায়খ সায়্যিদ মুহাম্মদ বোরহানুদ্দিন উয়েসী (রাঃ) স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে নেদায়ে ইসলাম সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। যা পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন লাভ করে। তিনি পরলোকগমন করার পর তার পুত্র আল্লামা শায়খ সায়্যিদ ড. মানযূর আহমাদ আল-আহমাদী উয়েসী রিফা'য়ী (রাঃ) নেদায়ে ইসলাম পরিচালনা করেন। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় সবসময় বলেছেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি নেই। যা আছে সব কিছুই নেদায়ে ইসলামের। মানযূর আহমদ গত ২০১২ সালে পরলোকগমন করার পর তার ভাই শায়খ মোস্তাক আহমাদ আইনগতভাবে নেদায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ মানযূর আহমাদের ছেলে মাসউদ আহমাদ ওয়ারিশীয় সম্পত্তি দাবি করে নেদায়ে ইসলামের সকল সম্পত্তি আত্মসাৎ করতে চান। যা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত। মিথ্যাচার ও লোভের কারণে ইতোমধ্যে তিনি একজন ভ- পীর হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে গেছেন।



'নেদায়ে ইসলামকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে মাসউদ আহমাদ যে মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন' এর প্রমাণাদি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে মনজুর আহমদ বলেন, আমাদের জানা মতে, নেদায়ে ইসলামের ১শ' একরেরও বেশি সম্পত্তি রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও মতলব উত্তরের ফরাজীকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে। স্থাবর-অস্থাবর অনেক সম্পদ আছে। কিন্তু তিনি (মাসউদ আহমাদ) বলছেন মাত্র ৭৩ একর সম্পত্তি আছে। আমি ও এলাকাবাসী সবাই জানি, মাসউদ আহমাদের পিতার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি নেই। নিজেকে নেদায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান ও গদ্দিনশীন পীর দাবি করে মাসউদ আহমাদ বিভিন্নভাবে নেদায়ে ইসলামের ভক্তবৃন্দ ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এ প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নেদায়ে ইসলামের সকল সম্পত্তির মালিক হতে চান। এ সুযোগ এলাকাবাসী কখনো দিবে না। যে কোনো মূল্যে নেদায়ে ইসলাম ও এ সংস্থার অন্তর্ভুক্ত সকল প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করা হবে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩০৭৪০
পুরোন সংখ্যা