চাঁদপুর। শুক্রবার ১৯ মে ২০১৭। ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ২২ শাবান ১৪৩৮
ckdf

সর্বশেষ খবর :

  • ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৮। মূসা বলিল, ‘আমার ও আপনার মধ্যে এই চুক্তিই রহিল। এই দুইটি মেয়াদের কোনো একটি আমি পূর্ণ করিলে আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকিবে না। আমরা যে বিষয়ে কথা বলিতেছি আল্লাহ তাহার সাক্ষী।’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

উৎসর্গকৃত জীবনই হচ্ছে সার্থক জীবন। -আলবার্ট আাইনস্টাইন।



ধন থাকলেই ধনী হয় না। ওই ব্যক্তিই প্রকৃত ধনী যাহার হৃদয় প্রশস্ত।


 

গণেশ কর্মকার একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, ছিলেন ভালো মনের মানুষ
চেম্বার অব কমার্স সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়
স্টাফ রিপোর্টার
১৯ মে, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত গণেশ কর্মকারের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গত ১৭ মে সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরস্থ শ্রী শ্রী গোপাল জিউড় আখড়ায় এ উপলক্ষে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় প্রর্থনা, পূজা ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।



স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, প্রয়াত গণেশ কর্মকার একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভালো মনের মানুষ। যে কোন কাজে তার সাহসী ভূমিকা ছিল। সে অল্পসময়ের মধ্যে মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই, তাই আমরা তার শূন্যতা অনুভব করছি। ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন অনেক সাহসী, কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। রাজনৈতিকভাবে জেল খেটেছেন অনেকবার। তিনি বেঁচে থাকলে আমাদের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আরো উপকৃত হতেন। উপকৃত হতো সমাজ।



জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক অজয় কুমার ভৌমিকের সভাপ্রধানে ও জেলা জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি গোপাল সাহার পরিচালনায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ রণজিত রায় চৌধুরী, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি তমাল কুমার ঘোষ, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বিবি দাস, সদর উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বাসুদেব মজুমদার, সহ-সভাপতি বিবেক লাল মজুমদার, রণজিৎ রায়, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সুশীল সাহা, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন সরকার, সদস্য গৌতম রায় চৌধুরী, সদস্য লক্ষ্মণ সাহা, শ্রী শ্রী গোপাল জিউর আখড়া কমিটির সদস্য চিরা রঞ্জন রায়, বিবেকানন্দ যুব সংঘের সভাপতি জয়রাম রায়, সাধারণ সম্পাদক পলাশ মজুমদার, জেলা ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি প্রশান্ত কুমার সেন, সদস্য শৈবাল মজুমদার। এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী কালীবাড়ী মন্দির কমিটির সহকোষাধ্যক্ষ বিকাশ মজুমদার টিটু, জেলা পূজা উদ্াযাপন পরিষদ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য অরূপ কুমার শ্যাম, সদস্য গোবিন্দ সাহা, জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী লীলা মজুমদার, গণেশ কর্মকারের সহধর্মিনী অঞ্জলী রাণী কর্মকার, ছোট ভাই সিংকু কর্মকার প্রমুখ।



স্মারণ সভায় সুভাষ চন্দ্র রায়কে সভাপতি ও অ্যাডঃ রণজিত রায় চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে গণেশ কর্মকার স্মৃতি সংসদ করার প্রস্তাবনা গ্রহণ করা হয়।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬১৪৪৭২
পুরোন সংখ্যা