চাঁদপুর। রোববার ১৩ আগস্ট ২০১৭। ২৯ শ্রাবণ ১৪২৪। ১৯ জিলকদ ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৯-সূরা আনকাবূত

৬৯ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৮। স্মরণ কর লুতের কথা, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা তো এমন অশ্লীল কর্ম করিতেছ, যাহা তোমাদের পূর্বে বিশ্বে কেহ করে নাই।   

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন




একটি সুন্দর মন থাকা একটি সুন্দর রাজ্যে বসবাস করার আনন্দের মতো।                     

 -জনওয়েলস।


রাসূল (সাঃ) বলেছেন, নামাজ আমার নয়নের মণি।


স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের পুণ্য জন্মস্থানে ধ্যান মন্দির নির্মিত হলে তা হবে চাঁদপুরবাসীর জন্য গর্ব
স্টাফ রিপোর্টার
১৩ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর জেলা পূজা পরিষদের নব-নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অযাচক আশ্রম চাঁদপুর কর্তৃপক্ষ জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা ও সদর উপজেলা সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক কে সংবর্ধনা প্রদান করে।

গত ১১ আগস্ট শুক্রবার সকালে অযাচক আশ্রম চাঁদপুরে এ উপলক্ষ্যে ধ্যান, সমবেত প্রার্থনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অযাচক আশ্রম চাঁদপুরের অধ্যক্ষ কবিরাজ সুখরঞ্জন ব্রহ্মচারী।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রধান অতিথি জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের নব-নির্বাচিত সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়সহ অন্যান্য বক্তা বলেন, আপনারা যে ভাবে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন, তাতে আমরা অভিভূত। আমাদের এ সংবর্ধনা সকল উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দেকে উৎসর্গ করছি। তারা যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ২৮ জুলাই সম্মেলন স্থলে এসেছেন এবং সুভাষ-তমাল পরিষদকে সমর্থন জানিয়েছেন তাতে আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। শুধু বলতে চাই, আমরা আপনাদের সকলকে নিয়ে কাজ করতে চাই। কোনো বিভেদ বিভাজন চাই না। আমাদের মাঝে যাতে কেউ ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারে কোনো বিভাজন সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আপনারা সচেতন থাকবেন। আমরা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদ্যাপন পরিষদ এক ও অভিন্ন। যে কোনো প্রয়োজনে আমরা একে অপরের পাশে থাকবো।

প্রধান অতিথি সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, মানুষের জন্য, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য যে কাজ করবেন, সে-ই নেতা হতে পারবেন। চাঁদপুরের মানুষ স্ব স্ব ধর্মের প্রতি আন্তরিক এবং অপরের ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। যার কারণে চাঁদপুর জেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের ঈদে আমরা যেমন আনন্দিত হই, তেমনি আমাদের পূজায়ও তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, আনন্দিত হয়। চাঁদপুরে জন্ম নিয়েছেন পরম পূজনীয় শ্রীমৎ স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব। হয়তো অনেকেই তা জানে না। যদি এ পুণ্যভূমিতে স্বামী স্বরূপানন্দের আন্তর্জাতিক মানের ধ্যান মন্দির নির্মাণ হয় তবে তা হবে চাঁদপুরবাসীর জন্যে গর্বের। কারণ এই মন্দিরকে ঘিরে দেশ-বিদেশের হাজারো ভক্ত ইলিশের শহর চাঁদপুরকে দেখতে আসবে। ফলে চাঁদপুরের পরিচিতি আরো অনেকাংশে বেড়ে যাবে।

বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সংবর্ধিত অতিথি অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সংবর্ধিত অতিথি তমাল কুমার ঘোষ, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সংবর্ধিত অতিথি অ্যাডঃ রনজিত রায় চৌধুরী, সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক সংবর্ধিত অতিথি সাংবাদিক বিমল চৌধুরী, সদর উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সংবর্ধিত অতিথি সুশীল চন্দ্র সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সংবর্ধিত অতিথি সাংবাদিক লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধর। অন্যান্যের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদের সভাপতি পীযূষ কান্তি রায় চৌধুরী, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান আইনজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ পলাশ মজুমদার, উপজেলা সমবায় অফিসার দুলাল চন্দ্র দাস প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক মনোকুমার দাস, মুক্তিযোদ্ধা বাসুদেব মজুমদার, গোপাল সাহা, অঞ্জন কুমার দাস, স্বপন কুমার দাস, মৃদুল কান্তি দাস, গৌতম কুমার ঘোষ, লিটন কুমার সাহা, মনতোষ চন্দ্র সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠান শুরুতে অখ-সংহিতা পাঠ করেন প্রণব কুমার সাহা, আর সম্মিলিত অখ-সংগীত পরিবেশন করেন আশ্রমের অধ্যক্ষ সুখরঞ্জন ব্রহ্মচারী। তিনি সংবর্ধিত অতিথিদেরকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পূজা পরিষদ ও ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ সহ আশ্রমের ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উৎসব মুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৫৬৯৬৮
পুরোন সংখ্যা