চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৭ আগস্ট ২০১৭। ২ ভাদ্র ১৪২৪। ২৩ জিলকদ ১৪৩৮
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৯-সূরা আনকাবূত


৬৯ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩১। যখন আমার প্রেরিত ফিরিশ্তাগণ সুসংবাদসহ ইব্রাহীমের নিকট আসিল, তাহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা এই জনপদবাসীকে ধ্বংস করিব, ইহার অধিবাসীরা তো যালিম।  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


জীবনে শুধু একবার বিবাহ করা যায়, সে উৎসবের পুনরাবৃত্তি অসুন্দর।                     


                            -অন্নদাশঙ্কর।


 


মুসলমান ভাইয়ের সাথে ঝগড়া ফ্যাসাদ করিও না, ওয়াদা ভঙ্গ করিও না।


 

ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরের আদালত প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন অনুষ্ঠান
বঙ্গবন্ধু ছিলেন আমাদের বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা
জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
১৭ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরের বিচার বিভাগ ও জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস ও স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ১৫ আগস্ট দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ২য় তলায় পবিত্র কোরআনখানি, আলোচনা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।



আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজ থেকে ৪২ বছর আগে কর্নেল ফারুক, রশিদ সহ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্যের নির্মম হত্যাকা-ের শিকার হয়েছিলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঐ দিন দেশের বাইরে থাকায় আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর বোন শেখ রেহেনা ঘাতকের হাত থেকে বেঁচে যান। ওই দিন ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর পরিবারের আরো অনেক সদস্যকেও নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কোনো একটি দলের বা গোষ্ঠীর নেতা নন। তিনি হচ্ছেন আমাদের জাতির পিতা। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা। তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন-দ্রষ্টা। তাঁর একক নেতৃত্বেই দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই এ দেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা ও সফল সমাপ্তি হয়। অথচ এই মহান নেতাকে ১৯৭৫ সনের ১৫ ই আগস্ট একদল বিভ্রান্ত সেনা সদস্যের হাতে সপরিবারে শাহাদাতবরণ করতে হয়। এই ধরণের হত্যাকা- কোনো প্রকারেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই হত্যাকা-ের সাথে জড়িত পাঁচজনের সাজা মৃত্যুদ- কার্যকর হয়েছে। এখনও সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লুকিয়ে আছে। সরকার যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদেরকে এ দেশে হাজির করে আদালতের দ-াদেশ কার্যকর করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



তিনি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, ভারত বিভাজন এবং পাকিস্তান জন্মের প্রাক্কালে সৃষ্ট সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় বঙ্গবন্ধু দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে রক্ষার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বঙ্গবন্ধুর একটি উক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সাথে মিলে মিশে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ জনগণের খাদেম, সেবক ও ভাই। সকলকে এই মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।



সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আতোয়ার রহমান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মদ, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) সিরাজুম মুনীরা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া, আইনজীবী অ্যাডঃ মোঃ রুহল আমিন-১, পি পি অ্যাডঃ মোঃ আমানউল্লা, অ্যাডঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম, জিপি অ্যাডঃ মোঃ রুহল আমিন সরকার প্রমূুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন অ্যাডঃ আব্দুর রহমান ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন অ্যাডঃ মাহবুবে আলম।



জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) শুভ্রা চক্রবর্তীর পরিচালনায় উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোস্তফা শাহরিয়ার খান, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোঃ কায়সার মোশাররফ ইউসুফ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার বিশ্বাস, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নেজামউদ্দিন, সিনিয়র সহকারী জজ সানজিদা আফরীন দীবা, সিনিয়র সহকারী জজ মাহমুদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী জজ শামসাদ জাহান খান, সহকারী জজ সুমাইয়া রহমান, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সাদী রহমান, সহকারী জজ আসমা জাহান নিপা, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য সদস্যসহ চাঁদপুর জেলা জজ আদালত ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ। সভায় ১ মিনিট নীরবতা পালন শেষে দোয়া ও মিলাদের আয়েজন করা হয়। মিলাদ শেষে সকলের মাঝে বিশেষ ব্যবস্থায় তবাররুকের ব্যাবস্থা করা হয়।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৪৯৯১২
পুরোন সংখ্যা