চাঁদপুর। বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ৫ আশ্বিন ১৪২৪। ২৮ জ‌িলহজ ১৪৩৮
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৯-সূরা আনকাবূত


৬৯ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৩। যদি তুমি উহাদিগকে জিজ্ঞাসা কর, আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করিয়া কে ভূমিকে সঞ্জীবিত করেন। উহার মৃত্যুর পর উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘আল্লাহ’। বল, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই’। কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা অনুধাবন করে না। 


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

গৃহের শান্তি স্বর্গের শান্তির চেয়ে কম নয়।                       -গোল্ড স্মিথ।


যার মধ্যে বিনয় ও দয়া নেই সে সকল ভালো গুণাবলী হতে বঞ্চিত।


ফটো গ্যালারি
চতুরঙ্গের ৯ম ইলিশ উৎসবের ৩য় দিনের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় যা যা করণীয় তা আমরা করবো
পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পিপিএম
বিমল চৌধুরী
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


'জেগো উঠো মাটির টানে' এ শ্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন চতুরঙ্গের সপ্তাহব্যাপী ৯ম ইলিশ উৎসবের গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর ছিলো তৃতীয় দিন।



এদিন জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আমন্ত্রিত অতিথি, শিল্পী, কলাকুশলী, ব্যবসায়ী, সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ সর্ব শ্রেণী-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে সন্ধ্যাকালীন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার ।



তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আগামী ১ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান শুরু হবে। এ অভিযানকে সফল করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজ ও দেশের জন্যে এতো বড় আয়োজন করছে চতুরঙ্গ সাংস্কৃতিক সংগঠন। ভালো কাজের সাথে আমরা আছি এবং থাকবো। কঠিনভাবে বলছি, মা ইলিশ আমরা খাবো না, খাওয়াবো না এবং কাউকে খেতেও দেবো না। যারা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মাছ বিক্রি করবেন তাদের খুঁজে এনে শাস্তি প্রদান করা হবে। বিশাল এলাকা জুড়ে অভিযান চলবে। এতো বড় এলাকা আমাদের একার পক্ষে পাহারা দেয়া সম্ভব নয়। আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। সেজন্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা যদি দেশকে ভালোবাসেন এবং দেশের সম্পদ রক্ষা করতে চান তাহলে নিজ দায়িত্ব থেকে ইলিশ রক্ষায় কাজ করবেন। জাতীয় সম্পদ চাঁদপুরের ইলিশ রক্ষায় যা যা করণীয় আমরা তা করবো। এজন্যে আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।



চতুরঙ্গের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদারের সভাপতিত্বে ও চতুরঙ্গের মহাসচিব হারুন আল রশীদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার লেঃ সিঞ্চন আহমেদ, সংবর্ধিত অতিথি চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইলিশ উৎসবের আহ্বায়ক চাঁদপুর কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক রোটারিয়ান কাজী শাহাদাত। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মৎস্যজীবী নেতা আনোয়ার হোসেন গাজী ও শামীম আহসান।



চাঁদপুরের ইলিশকে ব্যাপকভাবে তুলে ধরার জন্যে ঢাকায় ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যালে সহায়তা করায় এদিন চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়কে ইলিশ উৎসবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।



এ সময় উপস্থিত ছিলেন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়ালী উল্যাহ অলি, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শহীদ পাটোয়ারী, বিএম হান্নান, সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াহিয়া কিরণ, মৎস্যজীবী নেতা আঃ মালেক দেওয়ান, হাজী নূরুল ইসলাম, মানিক দেওয়ান, তছলিম বেপারীসহ ইলিশ উৎসবে অংশগ্রহণকারী সকল সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ চতুরঙ্গ সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রাণ গ্রুপের কর্মকর্তারা।



ইলিশ বিষয়ক আলোচনা সভার পূর্বে বিকেল ৩টায় ক ও খ গ্রুপে লোকনৃত্য প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এতে ২টি বিভাগে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের খুদে শিল্পীরা অংশ নেয়।



বিকেল সাড়ে ৫টায় ইলিশ বিষয়ক প্রীতি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। বির্তকের বিষয়বস্তু ছিলো 'চাঁদপুরের ইলিশ মূলত বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং বলে বিবেচিত'। বিতর্কে অংশ নেয় ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও ফরিদগঞ্জ এআর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। এতে সভাপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন স্কাউট কমিশনার অজয় কুমার ভৌমিক এবং মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক ফাউন্ডেশনের কার্যকরী সদস্য আবু সালেহ। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নৃত্যাঙ্গন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সংগীতানুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।



সবশেষে রাত ৯টায় রঙ্গের ঢোল ও পুতুল নাচ এবং নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৭৫৫৬৬
পুরোন সংখ্যা