চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ৬ আশ্বিন ১৪২৪। ২৯ জ‌িলহজ ১৪৩৮
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৯-সূরা আনকাবূত


৬৯ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৪। এই পার্থিব জীবন তো ক্রীড়া-কৌতুক ব্যতীত কিছুই নহে। পারলৌকিক জীবনই তো প্রকৃত জীবন, যদি উহারা জানিত। 


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


তুমি যদি মৃত্যুহীন হতে চাও তবে সে জন্যে তোমাকে সৎ কাজ করতে হবে।


                         -জিকে হল্যান্ড।

অভ্যাগত অতিথির যথাসাধ্য সম্মান করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে আবারো ধস ॥ দেবে গেছে পুরাণবাজার হরিসভা পয়েন্টে ৩৫ মিটার বাঁধের ব্লক
জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত), পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, সদর ইউএনও এবং চেম্বার সভাপতির ভাঙ্গন স্থান পরিদর্শন
মিজানুর রহমান
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে আবারো মেঘনার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর সকালে আকস্মিকভাবে শহর রক্ষা বাঁধের পুরাণবাজার হরিসভা পয়েন্টের প্রায় ৩৫ মিটার এলাকার সিসি ব্লক দেবে গেছে। সেখানে এখন নদীর গভীরতা ১৫ থেকে ২০ মিটার হবে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় কর্মকর্তাগণ। নতুন করে এ ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় বাঁধের পাড়ে থাকা অবণী বণিক বাড়ির ১৫টি পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ভাঙ্গন আতঙ্কে বসতঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়ার জায়গা খুঁজছে অসহায় পরিবারগুলো। হুমকির মুখে রয়েছে হরিসভা মন্দির কমপ্লেক্স, রাস্তা, মধ্য শ্রীরামদী কবরস্থান, মসজিদ মাদ্রাসাসহ পশ্চিম শ্রীরামদী ও মধ্য শ্ররামদী আবাসিক এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দা দীপক দে (৪৫) ও শিপ্রা (৫৫) জানান, সকাল দশটার দিকে ¯œান করতে গিয়ে তারা দেখেন বাঁধের ব্লকগুলো হঠাৎ করে দেবে যাচ্ছে আর পানি উপরের দিকে ফুলে উঠছে। সাথে সাথে আশপাশের লোকজনকে জানালে তারা ঘটনাটি হরিসভা মন্দির সভাপতিকে অবহিত করেন। গেল শুষ্ক মওসুমে বাঁধের ভাঙ্গনের এ জায়গার ৯০ মিটার বাঁধ নতুন করে নির্মাণ এবং ডাম্পিং কাজ করানো হয়। ছয় মাস না যেতেই সেই স্থানে ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন চাঁদপুর নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন মন্টু গাজী।

খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আবদুল হাই, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা, চাঁদপুর চেম্বার আব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটায় ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের চীফ রিপোর্টার বিমল চৌধুরীসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অন্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।  জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) জানান, ভাঙ্গন পরিস্থিতির পুরো বিষয়টি আমাদের নজরদারিতে রয়েছে। ভাঙ্গনরোধে সরকারিভাবে জরুরি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, পৌরসভার ব্যাপক বর্জ্য হরিসভা ঠোঁডা দিয়ে ফেলার কারণে শহর রক্ষা বাঁধের এ জায়গা আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ। প্রবল স্রোত আর ঘূর্ণাবর্তের দরুণ হঠাৎ করে কিছু ব্লক সরে গেছে। আমরা ত্বরিৎ ব্যবস্থা নিচ্ছি। ভাঙ্গন জায়গায় বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৭৪৯৮২
পুরোন সংখ্যা