চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ৬ আশ্বিন ১৪২৪। ২৯ জ‌িলহজ ১৪৩৮
jibon dip
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৯-সূরা আনকাবূত


৬৯ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৪। এই পার্থিব জীবন তো ক্রীড়া-কৌতুক ব্যতীত কিছুই নহে। পারলৌকিক জীবনই তো প্রকৃত জীবন, যদি উহারা জানিত। 


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


তুমি যদি মৃত্যুহীন হতে চাও তবে সে জন্যে তোমাকে সৎ কাজ করতে হবে।


                         -জিকে হল্যান্ড।

অভ্যাগত অতিথির যথাসাধ্য সম্মান করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর সরকারি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
গাইনি চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মা ও শিশু-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ ভেলিভারি, প্রসূতি সেবার জন্যে ব্যাপক পরিচিত ও সুনাম অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান চাঁদপুর সরকারি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। ২০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালটি মাতৃসেবায় ব্যাপক অবদান রাখায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পরপর তিনবার চট্টগ্রাম বিভাগে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অথচ হাসপাতালটিতে একমাত্র গাইনি চিকিৎসক না থাকায় পুরো মাতৃসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে মাতৃসেবাসহ অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম। গত দেড় মাস ধরে এই হাসপাতালে গাইনি চিকিৎসক নেই। এতে করে জরুরি প্রয়োজনেও জটিল গর্ভবর্তী মায়েদের অস্ত্রোপচার সম্ভব হচ্ছে না। বাড়তি খরচ করে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালে সেবা নিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। বিপাকে পড়ছেন অসহায় ও গরিব ময়েরা।

হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট আমির হোসেন বলেন, এখানে একজন গাইনী চিকিৎসকের (এমও ক্লিনিক) পদ রয়েছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসক ইসমত জেরিন এই পদে যোগ দেন। কিন্তু কয়েক মাস পরই গত ৬ আগস্ট তাঁকে মানিকগঞ্জে বদলি করে নিয়ে যাওয়া হলে সেই থেকেই এখানে প্রসূতি অস্ত্রোপচার (সিজারিয়ান অপারেশন) বন্ধ রয়েছে। এ হাসপাতালের বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ও অ্যানেসথেটিস্ট হিসেবে আছেন ডাঃ মঈনুল ইসলাম মানিক। তিনিই কিছু কিছু রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন।

এই কেন্দ্রের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, স্বাভাবিক সময়ে এই হাসপাতালে মাসে গড়ে ৩ হাজার গর্ভবতী মা সেবা নেন। ৫০ থেকে ৬০ জন প্রসূতি মায়ের স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়। আর প্রসূতি অস্ত্রোপচার করা হয় গড়ে ২৫টি। তবে এখন স্বাভাবিক প্রসবের কাজ কোনো রকমে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হলেও প্রসূতিও অস্ত্রোপচার দেড় মাস ধরে বন্ধ। হাসপাতালে ৫ জন ভিজিটর আছেন। এরাই নরমাল পর্যায়ের গর্ভবতী মায়েদের সব ধরনের সেবা দিচ্ছেন। গত আগস্টে ৬২টি স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়। চলতি মাসের গত দুই সপ্তাহে প্রায় ২০জন মায়ের স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। বর্তমানে বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৭০/৮০ জন মা চিকিৎসাসেবা নিতে পারছেন। পাশাপাশি শিশু ও কিশোরীদের সেবা দেয়াও সম্ভব হচ্ছে। তবে জটিল রোগীদের সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

উক্ত হাসপাতালে বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যানেসথিটিস্ট ডাঃ মঈনুল ইসলাম মানিক বলেন, হাসপাতালটি মাতৃসেবায় ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছে। কিন্তু গাইনী চিকিৎসকের জন্যে বর্তমানে এখানে প্রসূতি অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি চাঁদপুরের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক হতে শুরু করে এ বিভাগের মহাপরিচালক মহোদয় অবগত আছেন।

এদিকে এ হাসপাতালে ক'জন ভিজিটর, ফার্মাসিস্ট ও এমএলএসএস ৫/৬ বছর বা কেউ এর বেশি সময় ধরে চাকুরি করার কারণে এদের দৌরাত্ম্যের কাছে সাধারণ রোগীরা মাঝে মাঝে হয়রানির শিকার হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭৪০৩১
পুরোন সংখ্যা