চাঁদপুর। শুক্রবার ১৩ অক্টোবর ২০১৭। ২৮ আশ্বিন ১৪২৪। ২২ মহররম ১৪৩৯
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩০-সূরা রূম


৬০ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৮। আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের নিজেদের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত পেশ করিতেছেন : তোমাদেরকে আমি যে রিযিক  দিয়াছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসিগণের কেহ কি তাহাতে অংশীদার? ফলে তোমরা কি এই ব্যাপারে সমান? তোমরা কি উহাদেরকে  সেইরূপ ভয় কর যেইরূপ তোমরা পরস্পর পরস্পরকে ভয় কর?  এইভাবেই আমি বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের নিকট নির্দশনাবলী বিবৃত করি।


২৯। বরং সীমালংঘনকরীরা অজ্ঞতাবশত তাহাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে, সুতরাং আল্লাহ যাহাকে পথভ্রষ্ট করিয়াছেন, কে তাহাকে সৎপথে পরিচালিত করিবে?  আর তাহাদের কোন সাহায্যকারী নাই।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


প্রেমহীন দাম্পত্য জীবন ব্যভিচারের নামান্তর। 


           -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

যা ইচ্ছা আহার করতে পারো, যা ইচ্ছা পরিধান করতে পারো, যদি তোমাদেরকে অপব্যয় ও গর্ব স্পর্শ না করে।


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড
স্টাফ রিপোর্টার
১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অপরাধে স্বামী মোঃ আলমগীর হোসেন (৪৩) কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ রায় দেন।

নিহত রাবেয়া ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের উভারামপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে এবং আলমগীর পার্শ্ববর্তী উপজেলা হাজীগঞ্জের সিদলা গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। নিহত রাবেয়ার ১ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তান রয়েছে।

জানা যায়, ২০১২ সালের ১০ মার্চ বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে আলমগীর তার শ্বশুর বাড়ি হতে স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রীর সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে সে শ্বশুরের ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে স্ত্রীর ঘাড়ে কোপ দিলে মাথা আর শরীর অনেকটা আলাদা হয়ে যায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনার পর উপস্থিত বাড়ির লোকজন আলমগীরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

ওইদিন রাতেই রাবেয়ার পিতা ইসমাইল হোসেন আলমগীরকে আসামী করে ফরিদগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আলমগীরকে পরদিন পুলিশ আদালতে প্রেরণ করলে ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তার অপরাধ স্বাীকার করেন। ফরিদগঞ্জ থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলক বড়ুয়া মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১২ এপ্রিল আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডঃ আমান উল্যাহ বলেন, দীর্ঘ ছয় বছর মামলাটি চলমান থাকা অবস্থায় ১২জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেণ আদালত। আসামী আলমগীর হোসেনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তার উপস্থিতিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদ- এবং এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন অ্যাডঃ মোক্তার হোসেন অভি এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডঃ মোঃ শাহজাহান মিয়া ও অ্যাডঃ ফরিদ মিয়া রিপন।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৬৯৩৮৭
পুরোন সংখ্যা