চাঁদপুর। শুক্রবার ১৩ অক্টোবর ২০১৭। ২৮ আশ্বিন ১৪২৪। ২২ মহররম ১৪৩৯
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩০-সূরা রূম


৬০ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৮। আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের নিজেদের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত পেশ করিতেছেন : তোমাদেরকে আমি যে রিযিক  দিয়াছি, তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসিগণের কেহ কি তাহাতে অংশীদার? ফলে তোমরা কি এই ব্যাপারে সমান? তোমরা কি উহাদেরকে  সেইরূপ ভয় কর যেইরূপ তোমরা পরস্পর পরস্পরকে ভয় কর?  এইভাবেই আমি বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের নিকট নির্দশনাবলী বিবৃত করি।


২৯। বরং সীমালংঘনকরীরা অজ্ঞতাবশত তাহাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে, সুতরাং আল্লাহ যাহাকে পথভ্রষ্ট করিয়াছেন, কে তাহাকে সৎপথে পরিচালিত করিবে?  আর তাহাদের কোন সাহায্যকারী নাই।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


প্রেমহীন দাম্পত্য জীবন ব্যভিচারের নামান্তর। 


           -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

যা ইচ্ছা আহার করতে পারো, যা ইচ্ছা পরিধান করতে পারো, যদি তোমাদেরকে অপব্যয় ও গর্ব স্পর্শ না করে।


জাতীয়করণে মেহের ডিগ্রি কলেজের আশার আলো
মোঃ মঈনুল ইসলাম কাজল
১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মেহের ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণ নিয়ে আবার নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শাহরাস্তি পৌরসভার ৩২টি রাস্তার মেরামত কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি মেহের ডিগ্রি কলেজটিকে জাতীয়করণের জন্যে দু'বার চিঠি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম মেহের ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর ফলে আবার নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে মেহের ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের সংসদ সদস্য মহোদয়ের বক্তব্যে আনন্দিত ও আশাবাদী। এটি শাহরাস্তি উপজেলার প্রাচীনতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ করা হলে এখানকার ছেলে-মেয়ে উভয়ই উপকৃত হবে। মেহের ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণে মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম মহোদয়ের আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা যে অব্যাহত রয়েছে তাঁর বক্তব্য থেকে সে প্রমাণ পাওয়া যায়।

শাহরাস্তি উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের নাম মেহের ডিগ্রি কলেজ। ১৯৭২ সালের পহেলা জানুয়ারি এ প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু। এ উপজেলায় এটিই সর্বপ্রথম কলেজ। উপজেলায় শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে মেহের ডিগ্রি কলেজের অবদান ব্যাপক। এ কলেজের পর গড়ে উঠেছে চিতোষী কলেজ, সূচিপাড়া কলেজ ও করফুলেন্নেছা মহিলা কলেজ। উপজেলা সদরে অবস্থিত হওয়ার কারণে মেহের ডিগ্রি কলেজের গুরুত্ব অনেক বেশি। সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ জাতীয়করণের ঘোষণা দিলে অনেকেরই প্রত্যাশা ছিল মেহের ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণের দিক দিয়ে উপজেলার অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এগিয়ে থাকবে। কিন্তু প্রথম দফায় করফুলেন্নেছা মহিলা কলেজকে জাতীয়করণের ঘোষণা আসে। এতে করে মেহের ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই হতাশ হন। শিক্ষার্থীরা জাতীয়করণের দাবিতে সমাবেশ-মাবববন্ধনও করে।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩৫০৮৫
পুরোন সংখ্যা