চাঁদপুর। বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০১৭। ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪। ২৫ সফর ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩২- সূরা সেজদাহ

৩০ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১। আলিফ-লাম-মীম

২। এই কিতাবের অবতরণ বিশ্ব পালনকর্তার নিকট থেকে, এতে কোনো সন্দেহ নাই।

৩। তারা কি বলে,  এটা আপনি মিথ্যা রচনা করেছেন? বরং এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে সত্য, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোনো সতর্ককারী আসেনি। আশা করা যায় এরা সুপথপ্রাপ্ত হবে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


সফলতা কখনো অন্ধ হয় না।


-টমাস হাডি।


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।

 


হাজীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের দু' পক্ষের দ্বন্দ্বে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ নির্মাণ বন্ধের পথে
বিশেষ প্রতিনিধি
১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

হাজীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের কারণে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম বন্ধের পর এবার একই কারণে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ ভবন নির্মাণ বন্ধের উপক্রম হয়েছে। দু' পক্ষ পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ ভবন নির্মাণ বন্ধের জন্যে একে অপরকে দায়ী করে একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। যার কারণে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা পড়েছেন বিপাকে।

গত ২৮ অক্টোবর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবু তাহের সদ্য সাবেক কমান্ডার মজিবুর রহমান মজুমদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। আবু তাহের অভিযোগ করেন, মজিবুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ নির্মাণের জন্যে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর দেয়ার কথা বলে ক'জনের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। সেখানে ক'জন ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধাকে উপস্থিত করা হয়েছিলো বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ নির্মাণের জন্যে ৬৮ শতাংশ জায়গা দেয়ার জন্যে ডিও লেটার দিয়েছেন।

আবু তাহেরের আনিত অভিযোগ খ-নের জন্যে গত শুক্রবার বিকেলে হাজীগঞ্জ রোটারী ক্লাবে মজিবুর রহমান পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সংবাদ সম্মেলনে তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মজিবুর রহমান তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ নির্মাণ বন্ধ করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন খাটরা-বিলওয়াই মৌজায় কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কমপ্লেঙ্ নির্মাণের জন্যে আট শতক জমি অধিগ্রহণের জন্যে স্থান নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। কিন্তু জমির মালিক বাকি তিন শতক জায়গা না নিলে অধিগ্রহণে আপত্তি জানায়। ওই জমি কেনার জন্যে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা স্বেচ্ছায় ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। উক্ত টাকা সংসদ ফান্ডে জমা আছে।

মজিবুর রহমান আরো বলেন, ওই স্থানে কমপ্লেঙ্ নির্মাণ বন্ধের জন্যে জনৈক চাঁন মিয়া নামের একজন মুক্তিযোদ্ধা ২ অক্টোবর স্থানীয় সংসদ সদস্য বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে চাঁন মিয়া হাজির হয়ে তিনি এ দরখাস্ত করেননি বলে সমাজসেবা কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। মজিবুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক, সামাজিক ও ইতিহাস বিকৃতির কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টির জন্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুর রশিদ মজুমদার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ হারুন-অর-রশিদ মুন্সি, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি মোঃ হারুন-অর-রশিদ ও মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য রুহুল আমিন সরকার।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন, হাজীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম বন্ধের জন্যে এক ব্যক্তি দায়ী। যাচাই-বাছাই না হওয়ায় আপনারা নানা সমস্যায় পড়ছেন। তিনি বলেন, হাজীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ হবে। প্রয়োজন হলে সবাই মন্ত্রীর কাছে যাবেন। আমিও আপনাদের সাথে থাকবো।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক কমান্ডার আবু তাহের বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর দেয়ার কথা বলে উনি (মজিবুর রহমান) টাকা নেয়ার প্রমাণ আছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেঙ্ নির্মাণের জন্যে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে টাকা তোলার দায়িত্ব ওনাকে কে দিয়েছে? এবার টের পাবেন।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫২৯৩৮৯
পুরোন সংখ্যা