চাঁদপুর। বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০১৭। ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪। ২৫ সফর ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩২- সূরা সেজদাহ

৩০ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১। আলিফ-লাম-মীম

২। এই কিতাবের অবতরণ বিশ্ব পালনকর্তার নিকট থেকে, এতে কোনো সন্দেহ নাই।

৩। তারা কি বলে,  এটা আপনি মিথ্যা রচনা করেছেন? বরং এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে সত্য, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোনো সতর্ককারী আসেনি। আশা করা যায় এরা সুপথপ্রাপ্ত হবে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


সফলতা কখনো অন্ধ হয় না।


-টমাস হাডি।


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।

 


সুজাতপুর ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা এমএ ওয়াদুদকে সংবর্ধনা
স্টাফ রিপোর্টার
১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ভারতের ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে দুই দিনব্যাপী সেমিনারে যোগদান এবং ত্রিপুরার রাজ্যপাল, স্পীকার, বাংলাদেশ মিশন, ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সমূহ পরিদর্শনকালে দ্বি-পাক্ষিক মতবিনিময় করে ফিরে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।



সংবর্ধিত অতিথিরা হলেন : চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এমএ ওয়াদুদ, সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক) মহসীন পাঠান, সহকারী কমান্ডার (সাহিত্য ও সংস্কৃতি) মৃনাল কান্তি সাহা। গত ১২ নভেম্বর সন্ধ্যায় মতলব উত্তর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুজাতপুর ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, কলেজ শিক্ষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।



অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ মাসুদ পারভেজের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র প্রভাষক নিজাম উদ্দিন ও প্রভাষক শেপালী আক্তারের পরিচালনায় সংবর্ধিত অতিথি এমএ ওয়াদুদ বলেন, আমরা যুদ্ধ করেছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে যুদ্ধের মূল নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করো। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানীরা পাখির মতো গুলি করে বাঙালিদের হত্যা করে। তখন পুলিশ ও ইপিইসহ সকল বাহিনী অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।



তিনি আরো বলেন, ৭ মার্চের ভাষণের পর আমি মতলবে গিয়ে অষ্টম ও নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু করি। সে সময় ফ্লাঃ লেঃ এবি সিদ্দিক আমাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য। তখন আমি ছুটিতে ছিলাম তার জন্য আমি সহজেই যুদ্ধে যেতে পেরেছি। আমি যখন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে সভা-সমাবেশ করি তখন যুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরি। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ শেষে বলেছিলেন, যে যেখানে যুদ্ধ করেছে সে সেই এলাকাতে চলে যেতে। তাই আমি চাঁদপুরে চলে আসি। যুদ্ধে আমি যে জন্য আহত হয়েছি তা হলো স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। মহান মুক্তিযুদ্ধে যেসব মুক্তিযোদ্ধা অংশগ্রহণ করেছে তার মধ্যে ৯৭ ভাগ গ্রামের মানুষরাই যুদ্ধে গিয়েছিলো। তারা বন্দুক দেখেনি। বাঁশের লাঠি দিয়ে ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধে গিয়েছিলো। সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধা একে অপরের পরিপূরক। কেননা যুদ্ধের সময় এই সাধারণ মানুষরাই আমাদের সহযোগিতা করেছিলো। আমরা ভারতের মেলাঘর, হাতিমারা, অম্পিনগর, দেড়াদুলসহ বিভিন্নস্থানে ট্রেনিং নিয়েছিলো মুক্তিযোদ্ধারা। আর আমরা সেই স্থানেই আবারো ঘুরে এলাম।



সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক) মহসীন পাঠান ও সহকারী কমান্ডার (সাহিত্য ও সংস্কৃতি) মৃনাল কান্তি সাহা।



অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার (দপ্তর) মোঃ ইয়াকুব আলী, চাঁদপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবুল কালাম চিশতী।



এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুজাতপুর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক সুনীল চন্দ্র সরকার, সুব্রত দাস, অরুণ চন্দ্র সরকার, মোরশেদ আলম, মোঃ আতাউল্লাহ, সিনিয়র প্রভাষক হেলেনা আক্তার, ইব্রাহীম হোসেন, ওমর ফারুক, বোরহান উদ্দিন, অমিত সিংহ, শাহিন খান প্রমুখ।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫২৭০৭৯
পুরোন সংখ্যা