চাঁদপুর। শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৭। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৪। ২৮ সফর ১৪৩৯
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩২- সূরা সেজদাহ 


৩০ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭। যিনি তাঁহার প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সৃজন করিয়াছেন উত্তমরূপে এবং কর্দম হইতে মানব সৃষ্টির সূচনা করিয়াছেন।


৮। অতঃপর তিনি তাহার বংশ উৎপন্ন করেন তুচ্ছ তরল পদার্থের নির্যাস হইতে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

শিশুর ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী তাকে শিক্ষা দেয়া উচিত।                           



যে ব্যক্তির স্বভাবে নম্রতা নেই, সে সর্বপ্রকার কল্যাণ হতে বঞ্চিত। 


 

ফটো গ্যালারি
ডাঃ দীপু মনির অনুপস্থিতিতে কোনো উন্নয়ন কর্মকান্ড হলে জনগণ ও নেতা-কর্মীরা ব্যথিত হন
প্যানেল মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ন কবির খান
১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


'আলহাজ্ব ডাঃ দীপু মনি এমপি আমাদের অহঙ্কার, আমাদের গর্ব। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ঘনিষ্ট সহচর ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদের সুযোগ্য উত্তরসূরি এই মহান নেত্রীকে নিয়ে আমরা শুধু চাঁদপুর জেলাবাসীই নই, বাংলাদেশও আজ গর্বিত। শুধু বাংলাদেশই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচিত একটি নাম ডাঃ দীপু মনি। বঙ্গবন্ধুর আশার প্রদীপ, তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থার প্রতীক হিসেবেও যিনি ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছেন। আমাদের সেই প্রাণপ্রিয় নেত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাঃ দীপু মনির অনুপস্থিতিতে যখন সরকারি



 



কোনো উন্নয়ন কর্মকা- তাঁর নির্বাচনী এলাকায় উদ্বোধন হতে দেখি অথবা সরকারি বড় ধরনের কোনো আচার-অনুষ্ঠান হতে দেখি তখন আমরা যারা অকৃতজ্ঞ নই তারা খবুই ব্যথিত হই, মর্মাহত হই।' সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত-সমালোচিত কিছু বিষয় নিয়ে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে এভাবেই বক্তব্যের সূচনা করলেন চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র এবং চাঁদপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ন কবির খান।



তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, বঙ্গবন্ধুকে মনেপ্রাণে ভালোবাসি, তাঁদের ভুলে গেলে চলবে না যে, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর চাঁদপুর সদর-হাইমচর আসনটি ডাঃ দীপু মনির হাত ধরে আওয়ামী লীগ ফিরে পেয়েছে। এ সুবাদে জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করেছেন। সরকারের পূর্ণ মেয়াদে তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই পাঁচ বছরে তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ইতিহাস হয়ে থাকার মতো উন্নয়ন করেছেন। এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে তাঁর উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি। শুধু তাই নয়, সমুদ্র বিজয়ী কন্যা হিসেবে তিনি ইতিহাস খ্যাত হয়ে থাকবেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পরবর্তী মেয়াদে তথা বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় না থেকেও তিনি তাঁর উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছেন। তাঁর সততা, যোগ্যতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার পুরস্কার হিসেবে তিনি পরপর তিনবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের অন্যতম মুখপাত্র সভানেত্রী কর্তৃক মনোনীত হন। শুধু তাই নয়, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঢাকা বিভাগ ও ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বও তাঁর উপর অর্পিত হয়। সরকারে এবং দলের এতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার পরও যখন দেখি চাঁদপুরে সরকারি কোনো কর্মসূচি বা উন্নয়ন কর্মকা- তাঁকে বাদ দিয়ে করা হয় তখন আমরা যারা বিবেকবান তারা হতবাক হই। অথচ এসব উন্নয়ন কর্মকা- তাঁর হাত ধরেই হচ্ছে। আবার মাঝেমধ্যে দেখি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কোনো কোনো নেতা এমনকি মন্ত্রীও ডাঃ দীপু মনিকে অবহিত না করে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় এসে অনুষ্ঠান করে যান, অতিথি হন। এটা কি কোনো সাংগঠনিক নিয়মনীতি, শৃঙ্খলা বা শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে? এমনকি কোনো কোনো সময় দেখা যায় যে, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়েই ওইসব কেন্দ্রীয় নেতা ও মন্ত্রী চাঁদপুর এসে প্রোগ্রাম করে যান। দলীয় শৃঙ্খলা ও শিষ্টাচার বহির্ভূত এ ধরনের কর্মকা-ের চর্চা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ভালো কোনো দৃষ্টান্ত নয়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ডাঃ দীপু মনিকে স্নেহ ও আস্থায় নিয়ে রাষ্ট্রীয় ও দলীয় অতীব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করাচ্ছেন, সেখানে আমি বা আপনি তাঁকে গুরুত্ব না দেয়ার তো কোনো কারণ থাকতে পারে না। সেই আমি বা আপনি দলীয় কোনো নেতা, জনপ্রতিনিধি বা সরকারের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা যা-ই হই না কেনো। তাই আমি এই জেলার সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানাবো, ডাঃ দীপু মনিকে অবহিত না করে বা তাঁর উপস্থিতি নিশ্চিত না করে ভবিষ্যতে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় কোনো উন্নয়ন কর্মকা- বা দলীয় কোনো কর্মসূচি না করার জন্যে। যদি করা হয়, তাহলে তা সাধারণ জনগণ এবং দলের জন্যে নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীরা মেনে নেবে না। সর্বশেষ সকলের উদ্দেশ্যে আমার আহ্বান, আসুন আমরা ভালো ও সৎ মানুষগুলোকে মূল্যায়ন করি, খারাপ লোকদের বর্জন করি।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৪২৮১১
পুরোন সংখ্যা