চাঁদপুর। শনিবার ১৩ জানুয়ারি ২০১৮। ৩০ পৌষ ১৪১৪। ২৫ রবিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৪-সূরা সাবা


৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মাক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০১। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি নভোমন্ডলে যা আছে এবং ভূমন্ডলে যা আছে সব কিছুর মালিক এবং তাঁরই প্রশংসা পরকালে। তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।


০২। তিনি জানেন যা ভূগর্ভে প্রবেশ করে, যা সেখান থেকে নির্গত হয়, যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় এবং যা আকাশে উত্থিত হয়। তিনি পরম দয়ালু ক্ষমাশীল।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


 


 


দুঃখ কখনো একা আসে না, সে দল বেঁধে আসে। -সেঙ্পিয়ার।


 


 


যাদের সামর্থ্য থাকা অবস্থায় হজ্ব করল না তারা ইয়াহুদী হইয়া মরুক অথবা নাসারা হইয়া মরুক তাতে আমার কিছু আসে যায় না।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ঐকতান খেলাঘর আসরের সম্মেলন সম্পন্ন
বাদল মজুমদার
১৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর ঐকতান খেলাঘর আসরের সম্মেলন দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিম-লীর সদস্য আব্দুল মতিন ভঁূইয়া ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল ইসলাম বাবু জাতীয় ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে শিশু কিশোরদের সঙ্গীত ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।



সান্ধ্যকালীন দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আব্দুল মতিন ভঁূইয়া। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে যাঁদের রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষা রক্ষা পেয়েছে, আমরা সেজন্যে মা-বাবা ডাকতে পারি। আর সেসময় থেকেই খেলাঘর আসরের যাত্রা শুরু। মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা। এই ৩০ লাখ শহীদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে। তিনি আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ১২ বছরের এক কিশোর মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলো। সে তখন একটি টং দোকানের মধ্যে ঘুমিয়েছিলো। মুক্তিযোদ্ধারা তাকে বলেছিলেন তুমি এখানে কী করো। শিশুটি বলেছিলো, আমি মুক্তিযুদ্ধে যাবো, তাই বাড়ি থেকে এসেছি। মুক্তিযোদ্ধারা তাকে সাথে নিয়ে গেলো। শিশুটি পাকিস্তানি ক্যাম্পে কাপড় ধোয়ার কাজ নিলো। রাজাকার ও পাকিস্তানিদের প্ল্যান শুনে তা মুক্তিযোদ্ধাদের সে জানিয়ে দিতো। একদিন পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন শিশুটিকে বলেছিলো, তুমি পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলো। শিশুটি বারবারই জয় বাংলা উচ্চারণ করেছিলো। তখন পাকিস্তানিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। শিশুটির রক্তে সবুজ ঘাস রঞ্জিত হয়েছিলো।



তিনি ঐকতান খেলাঘর আসরের শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে তোমাদের মধ্যে অনেক শিশুই সেদিন শহীদ হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই খেলাঘর আসরের জন্ম হয়েছিলো। '৭৫-এর ১৫ আগস্ট শত্রুরা শুধু শেখ মুজিবকেই নয়, ছোট্ট শিশু রাসেলকেও হত্যা করেছে। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, শিশুদের স্কুলে নিয়ে বাবা-মাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয় আমাদের সন্তানরা সঠিকভাবে শিক্ষা পাচ্ছে কিনা সেজন্যে। আমরা মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। আর খেলাঘর আসর শিশুদের সেই শিক্ষা দিয়ে থাকে। যেই শিশুটি আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি গান গাইতে পারে সেই শিশু মিথ্যে বলতে পারে না, খুনি বা সন্ত্রাসী হতে পারে না।



চাঁদপুর ঐকতান খেলাঘর আসরের সাবেক আহ্বায়ক রুমা সরকারের সভাপতিত্বে ও বনানী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক মৃণাল সরকারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর জেলা খেলাঘর আসরের সভাপতি হাফেজ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক শ্যাম সুন্দর ম-ল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি তপন সরকার, বনানী খেলাঘর আসরের সভাপতি দুলাল গোস্বামী, চান্দ্রা খেলাঘর আসরের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আহসান হাবিব, নবারুণ খেলাঘর আসরের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির কাঞ্চন, ঐকতান খেলাঘর আসরের সাবেক সদস্য সচিব তপন সেনগুপ্ত, সুরজিৎ চক্রবর্তী, সত্য নারায়ণ চক্রবর্তী, জেলা খেলাঘর আসরের সহ-সম্পাদক বিচিত্রা সাহা প্রমুখ।



বিচারক হিসেবে ছিলেন সত্য নারায়ণ চক্রবর্তী, সুরজিৎ চক্রবর্তী, অমল সেনগুপ্ত, ইতু চক্রবর্তী, ইসমত আরা শাফি বন্যা। পরে রুমা সরকারকে সভাপতি, দিদারুল আলম চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক ও নাহিদা রহমান সেতুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৫ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৯১৯৫৬
পুরোন সংখ্যা