চাঁদপুর। রোববার ১৪ জানুয়ারি ২০১৮। ১ মাঘ ১৪২৪। ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের মনতলা হাজী বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে ফাহিম মাহমুদ (৩) নিজ বাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। ||  শনিবার সকালে ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৪-সূরা সাবা


৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মাক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৩। কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর অগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।


০৪। তিনি পরিণামে যারা মুমিন ও সৎকর্ম পরায়ণ, তাদেরকে প্রতিদান দেবেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রিযিক।


০৫। আর যারা আমার আয়াত সমূহকে ব্যর্থ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়, তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


ঘুম পরিশ্রমী মানুষকে সৌন্দর্য প্রদান করে। -টমাস ডেককার।


 


 


বিনয় ও সৌজন্য ঈমানের দুই শাখা এবং বৃথা বাক্যালাপ ও জাঁকজমক কপটতার (মুনাফেকির) দুই শাখা।


 


 


ফটো গ্যালারি
শাহতলী ও মৈশাদীতে বীরদর্পে ট্রাক্টর চলাচল করছে
সোহাঈদ খান জিয়া
১৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর সদরের শাহতলী ও মৈশাদী এলাকায় সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক যন্ত্রদানব ট্রাক্টর চলাচল করছে। এরা পুলিশ সুপারের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বীর দর্পে প্রতিদিন ইট, বালি ও বিভিন্ন পণ্য পরিবহন করে চলছে। পূর্বের ন্যায় এরা দাপটের সাথে চলাচল করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। মনে হচ্ছে প্রশাসনই এদের চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনা জেলার সর্বত্র কার্যকর হলেও একমাত্র শাহতলী ও মৈশাদীতে তা কার্যকর হচ্ছে না। এ দুটি এলাকার জন্যে ট্রাক্টর চলাচল মনে হয় বৈধ করা হয়েছে। ট্রাক্টর মালিকরা বাবুরহাট এলাকায় কর্মরত পুলিশের সাথে যোগসাজশের মাধ্যমেই শাহতলী ও মৈশাদী থেকে পণ্য পরিবহন করে চাঁদপুর-কুমিল্লা সড়কের উপর দিয়ে আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করছে। এ দুটি এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামো ও বাজারের ব্যবসা বাণিজ্য ট্রাক্টরের কারণে এখন ধ্বংস হয়ে গেছে।

দ্রুতগতিতে ট্রাক্টর চলাচলের কারণে বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী ছাত্র-ছাত্রীরা আতঙ্কের মাঝে থাকছে। আর কোমলমতি শিশুদের নিয়ে তদের পিতা-মাতা বেশি চিন্তিত থাকেন, কখন আবার দুর্ঘটনা ঘটে যায়। ট্রাক্টর চালকদের মধ্যে বেশির ভাগ চালক অযোগ্য ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। এরা নিজেদের মনমতো বেপরোয়া গতিতে বাজারের মধ্যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়ে দ্রুতগতিতে ট্রাক্টর চালিয়ে থাকে। ট্রাক্টরে বহনকৃত বালি ঢেকে চলাচল করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। আবার কোনো কোনো ট্রাক্টরে বহনকৃত বালি ঢেকে নেয়া হলেও তা নামে মাত্র।

শাহতলী ও মৈশাদী এলাকায় ট্রাক্টরের কারণে সড়কগুলো চলাচল অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য সড়কের স্ট্রাকচারও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এমনিভাবে দিনের পর দিন ট্রাক্টর চলাচল করলেও তা বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) ইস্রাফিল মজুমদার বলেন, ট্রাক্টর চলাচলের অনুমোদন নেই। এসপি স্যারের নির্দেশনা-ট্রাক্টর চলবে না। ট্রাক্টর চলাচল করলে ব্যবস্থা নেবো।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৯৯৮৫৩
পুরোন সংখ্যা