চাঁদপুর। শুক্রবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৮। ৬ মাঘ ১৪২৪। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
kzai
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে মাসুদ রানা হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদন্ড ,, জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শফিকুর রহমান ভুঁইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী গোলাম মোস্তফাকে আটক করেছে পুলিশ || বিক্ষোভ চলাকালে বিএনপি নেতা শফিকুর রহমান ভূঁইয়াসহ আটক ৫
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৪-সূরা সাবা

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মাক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৪। সাবাব অধিবাসীদের জন্যে তাদের বাসভূমিতে ছিল এক নিদর্শন-দুটি উদ্যান, একটি ডানদিকে, একটি বামদিকে। তোমরা তোমাদের পালনকর্তার রিযিক খাও এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। স্বাস্থ্যকর শহর এবং ক্ষমাশীল পালনকর্তা।

১৫। যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটলাম, তখন ঘুণ পোকাই জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল। সোলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। যখন তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে, অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান থাকলে তারা এই লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতো না।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা, মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।  

                -এপিজে আব্দুল কালাম।


ইহা খোদার আদেশ যে, তোমরা নারী জাতিকে সম্মান করবে। কারণ, তারাই তোমাদের জননী, ভগ্নি ও ফুফু।


ফটো গ্যালারি
নয় বছরে শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর চাঁদপুর-এর উন্নয়ন কার্যক্রম
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে ১২৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার কাজ সমাপ্ত ॥ চলমান ১০২ কোটি ১৬ লাখ টাকার কাজ
সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে চাঁদপুর-৩ নির্বাচনী এলাকায়
গোলাম মোস্তফা ॥
১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৮:৩৮:১৪
প্রিন্টঅ-অ+


শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর চাঁদপুর-এর অধীনে বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদের শাসনামলে বর্তমান সময় অর্থাৎ ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চাঁদপুর জেলায় ১৭৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকা- ১২৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হয়েছে। আর এখনো চলমান রয়েছে ১৪৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজ। সেগুলোর জন্যে বরাদ্দ প্রায় ১০২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

    শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর চাঁদপুর অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনযায়ী এ সকল প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি হাইস্কুল, কলেজ-মাদ্রাসা ও পলিটেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ। এছাড়াও রয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলার নিজস্ব শিক্ষা অফিস ভবন।

    এই উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ জেলার সংসদীয় ৫টি আসনের মধ্যে বিভাজন করলে দেখা যায় যে, সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) নির্বাচনী এলাকায়। এ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ দু’ উপজেলার অর্ধশত কলেজ, মাদ্রাসা ও হাইস্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। এগুলোর কোনোটিতে বহুতল বিশিষ্ট নূতন ভবন হয়েছে, আবার কোনোটিতে ভবন ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারিত হয়েছে। আসনভিত্তিক এ উন্নয়ন কর্মকা-ের পরিসংখ্যান হচ্ছে : চাঁদপুর-১ তথা কচুয়া উপজেলায় ২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যার ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। চাঁদপুর-২ তথা মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলার ৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে । যার ব্যয় হয়েছে ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। চাঁদপুর-৩ তথা সদর ও হাইমচর উপজেলায় ৪৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে।  যার ব্যয় ৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা। চাঁদপুর-৪ তথা ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে, যার ব্যয় হয়েছে ১৬ কোটি ৭২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। চাঁদপুর-৫ তথা হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলায় ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে, যার ব্যয় হয়েছে ১৯ কোটি ৯৫ লাখ ৭ হাজার টাকা।

    এছাড়া বর্তমানে চলমান রয়েছে জেলার পাঁচটি সংসদীয় এলাকার ১৪৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ। যার ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১০২ কোটি ১৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এগুলো হচ্ছে: কচুয়া উপজেলায় ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫টি কলেজ, ১৪টি উচ্চ বিদ্যালয়, ২টি মাদ্রাসা ও ২টি অফিস ভবন, যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা; মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলায় ২৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টি কলেজ, ১১টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ২টি মাদ্রাসা, যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা; চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলায় ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭টি কলেজ, ১৮টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৯টি মাদ্রাসা ও ১টি অফিস ভবন, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ কোটি ৭৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা;  ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ২৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬টি কলেজ, ১৪টি স্কুল ও ৪টি মাদ্রাসা, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলায় ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭টি কলেজ, ২৬টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৫টি মাদ্রাসা ও ১টি অফিস ভবন। যার ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ কোটি ৬১ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।

    এ বিষয়ে উক্ত অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী স্বপন কুমার সাহা জানান, সংসদীয় আসনগুলোর মাননীয় সংসদ সদস্যগণের চাহিদা মোতাবেক চলতি অর্থ বছরে জেলার আট উপজেলায় আরো অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের বরাদ্দ পাওয়া যেতে পারে। বরাদ্দ পাওয়ার পর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ঐ সকল প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪৭৩০৪
পুরোন সংখ্যা