চাঁদপুর। শনিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৮। ৭ মাঘ ১৪২৪। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
kzai
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৪-সূরা সাবা

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মাক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৬। অতঃপর তারা অবাধ্যতা করল, ফলে আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম প্রবল বন্যা! আর তাদের উদ্যানদ্বয়কে পরিবর্তন করে দিলাম এমন দুই উদ্যানে, যাতে উদগত হয় বিস্বাদ ফলমূল, ঝাউ গাছ এবং সামান্য কুলবৃক্ষ।

১৭। এটা ছিল কুফরের কারণে তাদের প্রতি আমার শাস্তি। আমি অকৃতজ্ঞ ব্যতীত কাউকে শাস্তি দেই না।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


অভিজ্ঞতা হচ্ছে সুন্দর ও মজবুত দালান তৈরির উপকরণের মতো।

-ম্যানিলিয়াস।


নামাজে তোমাদের কাতার সোজা কর, নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতভেদ ঢালিয়া দিবেন।


ফটো গ্যালারি
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিকার প্রার্থনা
হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ফরিদগঞ্জের এক জমিদার পরিবারের সদস্যের আর্জি
ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এক সময়ের প্রতাপশালী ভগীরথ সিংহরায় জমিদার পরিবারের উত্তরাধিকারী হয়েও ভদ্রবেশি কিছু লোভী লোকজনের কারণে মামলা মোকাদ্দমা জড়িয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে ওই জমিদার পরিবারের সর্বশেষ বংশধরদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সম্পত্তির অধিকার ফেরৎ পাওয়া , মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রেহাই এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওই পরিবারের সর্বশেষ বংশধরদের একজন নারায়ন সিংহ রায়। এ সময় তার পক্ষে কথা বলার জন্যে স্থানীয় বিপুলসংখ্যক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।



প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নারায়ণ সিংহরায় জানান, ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের অর্ন্তগত তার দাদা ভগীরথ সিংহরায় ও তার পূর্ব পুরুষরা প্রায় ২২টি গ্রামের জমিদার ছিলেন। সর্বশেষ তারা প্রায় ৪০ একর সম্পত্তির মালিক ছিলেন।



তার দাদা ভগীরথ সিংহ রায় অত্র উপজেলাধীন সাবেক ২৮৩নং চররাঘবরায় মৌজার সিএস ৬৮, আরএস ৬৪নং খতিয়ানে ; সিএস ১১; সিএস ৩৭ এবং সাবেক ১৮৯নং গোবিন্দপুর মৌজার সিএস ৩৫০, আরএস ৩৭০; সিএস ৪০০, আরএস ৪১৮; সিএস ২৩৪, আরএস ২২৩; সিএস ৩৯১নং খতিয়ানে একক মালিক থাকাবস্থায় পরলোকগমন করেন। এ সময় তার ওয়ারিশ ১। তারিনী সিংহ রায় ২। আশ্বিনী সিংহ রায়, ৩। বিনোদ সিংহ রায়, ৪। নিরোধ সিংহ রায় ও আমার পিতা ৫। ক্ষিরোদ সিংহ রায়কে রেখে যান।



কিন্তু তার দাদা মারা যাওয়ার পর তার দুসম্পর্কের পিসিমাকে (ফুফু) বিয়ে করে ঘর জামাই হিসেবে থাকা সচীন্দ্র ভৌমিক ১৯৫৭ ও ১৯৫৮ সালে গোপনে দুইটি বণ্টক নামা মামলা করে তাদের প্রায় সমস্ত সম্পত্তি গ্রাস করে নেয়। যা তারা কেউই জানতেন না।



গত কয়েক বছর পূর্বে তিনি এসব বিষয়ে জানতে পেরে কাগজপত্র সংগ্রহ শুরু করলে তার উপর নেমে আসে একের এক মিথ্যা মামলা ও হয়রানি। এই পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ১৩/১৪টি মামলা দায়ের হয়েছে।



তিনি বলেন, তার নৈতিক অধিকার ফিরে পেতে আশপাশের হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের যারাই তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তাদেরকেই মামলায় জড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ৮ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে সর্বশেষ মামলা দায়ের হয় আদালতে।



এ বিষয়ে স্থানীয়, ফরিদগঞ্জ ও চাঁদপুরে বহু শালিসী বৈঠক হলেও সচীন্দ্র ভৌমিকের সন্তান সুশীতল ভৌমিক, মনশীতল ভৌমিক ও প্রাণশীতল ভৌমিক কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি। এক পর্যায়ে তিনি বাধ্য হয়ে ১৯৫৭ ও ১৯৫৮ সালে গোপনে দুইটি বণ্টকনামা খারিজের জন্যে চাঁদপুর জজ আদালতে মামলা দায়ের করার পর তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ।



এখন তারা তার জেঠার মতো তাকেও গুম করে ফেলার হুমকি দিচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন। এ সময় তিনি বলেন, একসময়ের জনবান্ধব ও প্রতাপশালী জমিদারের বংশধর হয়েও পিতৃপুরুষের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত। একটি কুঁড়ে ঘরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে যেখানে বসবাস করছেন অথচ তার চারপাশে একরে একরে সম্পত্তি থাকলেও তারা অসহায়।



তিনি অভিযোগ করে বলেন, সুশীতল ভৌমিক নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে তাকে হয়রানি করছেন। আসলে তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন।



সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় লোকজনের পক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তম মজুমদার, হাজী রুহুল আমিন মাস্টার, জাহাবঙ্ মিজি, বাচ্চু মৃধা, কালু মিয়া রাঢ়ী, হাজী আনোয়ার হোসেন, নুরু মিয়া গাজী, খোরশেদ আলম, সফিকুর রহমান, ফয়েজ আহাম্মদ, বোরহান উদ্দিন, নুরু মোল্লা প্রমুখ।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭২৫৯৩
পুরোন সংখ্যা